|| বাংলার নবাবের ওয়েবসাইটে স্বাগতম ||
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।
মুভি-রিভিউ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মুভি-রিভিউ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১১ নভেম্বর, ২০১১

`হ্যালো ডার্লিং’র পর এবার `হাম তুম শাবানা’য় বাংলাদেশকে অবমাননা



মুভি প্রেমিক হিসেবে বন্ধুমহলে বন্ধু রাকিবের  বেশ বদনাম আছে। সুনাম না বলে বদনাম বলার কারণ হচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা মুভি দেখার কারণে রাকিব প্রায়ই রাত জাগে এবং অনেক জরুরি কাজের কথা ভুলে যায়। রাকিবের সাথে মুভি দেখা নিয়ে প্রায় রাগারাগি করলেও এই রাকিবই বন্ধু মহলের সবার ভরসা। রাকিব যেকোনো মুভি দেখে নাম বলতে বললে আমরা বিনাবাক্যে দেখি। হিন্দি সিনেমার প্রতি গত ৫ বছর ধরে আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। তাই রাকিব আমাকে হিন্দি ছবির খবর দেয় না বললেই চললে। গত একবছরে রাকিব আমাকে যে তিনটি হিন্দী মুভির ডাউনলোড লিংক দিয়েছে তার মধ্যে দুটি মুভিতেই বাংলাদেশকে নিয়ে চরম আপত্তিজনক মন্তব্য করা হয়েছে।
কর্মক্ষেত্রে উপরস্থ বসদের কাছে তরুনীদের সেক্সুয়াল হ্যারেজমেন্টসহ কর্মজীবি তরুনীদের বস, এরকম বেশ কিছু ইস্যু নিয়ে নির্মিত মনোজ তেওয়ারীর `হ্যালো ডার্লিং` ছবিটিতে জঘন্যভাবে বাংলাদেশকে  উপস্থাপন করা হয়েছে। `হ্যালো ডার্লিং` ছবিতে প্রধান তিন নারী চরিত্র সেলিনা জেটলি, দিব্বিয়া দও, গুল ফানাগ তাদের বস জাভেদ জাফরির কাছে বিভিন্নভাবে সেক্সুয়াল হ্যারেজমেন্টের শিকার হয়ে প্রতিবাদী হয়ে উঠে। সেলিনা জেটলি জাভেদ জাফরীর জন্য কফি বানাতে গিয়ে ভুলে র‌্যাট কিলার মিশিয়ে দেয়। চেয়ার থেকে পড়ে জাভেদ জাফরি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। কিন্তু প্রধান তিন নারী চরিত্র হাসপাতালে গিয়ে অন্য একটি লাশকে জাভেদ জাফরি ভেবে মনে করে কফি খেয়ে জাভেদ জাফরির মৃত্য হয়েছে। তাই লাশটি তারা বের করে আনে হাসপাতাল থেকে। এই দৃশ্য মোবাইল ক্যামেরায় ধারণ করে জাভেদ জাফরি প্রধান তিন নারী চরিত্রকে ব্ল্যাকমেইল করে বিছানায় নিয়ে যাওয়ার প্ল্যান করে। ছবির শেষে এসে সব ফাঁস হয়ে যায় আগমন ঘটে কোম্পানির মালিক সানি দেওলের। তিনি জাভেদ জাফরির উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমাদের কোম্পানির একটি অফিস বাংলাদেশে আছে এবং ওখানে তোমার মত লম্পট, দুশ্চরিত্র বসের প্রয়োজন’।

বুধবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১১

মেহেরজান-- স্পীচ ফ্রম দ্যা ডিরেক্টর।

‘মেহেরজান’ যা বলতে চেয়েছে

রুবাইয়াত হোসেন | তারিখ: ২৬-০১-২০১১

মেহেরজান মুক্তি পাওয়ার পর ছবিটি নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নানা রকম তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়েছে। রোবায়েত ফেরদৌস, মাহমুদুজ্জামান বাবু, কাবেরী গায়েন ও ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীও তাঁদের যৌথ রচনায় ছবিটির বিষয়বস্তু নিয়ে কতগুলো প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন। মেহেরজান-এর পরিচালক হিসেবে সেসব প্রসঙ্গ ধরে কিছু বলা জরুরি।