|| বাংলার নবাবের ওয়েবসাইটে স্বাগতম ||
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।
অনুভুতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অনুভুতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১০ মে, ২০২০

It is a Thanking Note

I wasn’t really happy when I heard that I would be given a cash incentive for my duties during corona pandemic. It helped me be more sincere though.

Life needs momentum and any incentives or appreciation works as catalyst. Specially when you’re running a huge risk, you need stimulation.

But at this stage of life, along with momentum is needed security and safety, not only for me but also for the ones I live for.

I know, nothing can fill up the loss of our dear one. But you will be thrilled when you know the ones you live for will have a shelter after your demise.

শনিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৭

নারীর প্রতি সহানুভুতিশীল???

এসব আমার কাছে নতুন নয়। মনে হলো, ব্যাপারটা তাঁকে বলা দরকার। আমি তাঁকে থামালাম। বললাম, ‘আগে একটা কথা বলে নিই; আমি কিন্তু কুমারি নই’।
তিনি আমার শরীর থেকে হাত সরিয়ে নিলেন। বললেন, ‘আমি তো ভাবলাম তুমি বলবা যে, তোমার এইডস আছে।’
_________
প্রথমে বলে নেই এটা একটা ৩৫+ পোষ্ট। ইমম্যাচিউর বা বাচ্চা পোলাপানের জন্য এই পোষ্ট না। 

উপরোক্ত লেখাটি নেয়া হয়েছে এখান থেকে। লেখাটির পুরো অংশের স্ক্রীনশট পাওয়া যাবে এখানে। 
____
উপরোক্ত লেখায় একটা নতুন বিবাহিত মেয়ে তার নিজের অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেছেন। যে মানুষটিকে তিনি বিয়ে করেছেন তিনি সম্পূর্ণ অপরিচিত। যে মেয়েটি সারাজীবন ছেলেদের সাথে একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব মেইনটেইন করেছে তার জন্য হঠাৎ করে একটা অপরিচিত মানুষের সাথে শয্যা শেয়ার করা কঠিনই শুধু না, বিব্রতকর এবং ভয়ংকরও বটে। এই দু:সহ পরিস্থিতিকে সহজ করে নিতে একজন পুরুষ কতটা সহায়ক হতে পারে তার বর্ণণাও আছে লেখাটিতে। এক কথায়, প্রচলিত অনেক গোঁড়ামী'র বিরুদ্ধে শক্তিশালী একটা লেখা। প্রচলিত ধ্যান-ধারণা, যে ধ্যান-ধারণায় একজন নারীকে নানারকম বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, সেখান থেকে বেরিয়ে আসার জন্য এরকম লেখনীর প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। 

কিন্তু উপরের অংশে কী বলা হয়েছে? মেয়েটি কুমারী নয়। ইট মীনস্‌ সে এক্সট্রা-ম্যারিটাল সেক্সে জড়িত। পুরো লেখাটি মধ্যে এই গরলটুকু ঢেলে দিয়েছেন লেখিকা। হ্যাঁ, আমি গরলই বলছি, এক ভয়ংকর গরল!!! আরও ভয়ংকর এর পাঠকেরা, যারা আমার চারপাশে প্রতিনিয়ত ঘুরে বেড়ায়। লিঙ্কে গিয়ে দেখুন এর পাঠকেরা কেমন প্রশংসায় মেতেছেন লেখাটির। আমার প্রশ্ন, এর অনুবাদকসহ পাঠকেরা কি এক্সট্রা-ম্যারিটাল সেক্সে বিশ্বাস করেন??? যদি তাই করেন, এরা কি এদের বউকে আমার বিছানায় পাঠাবেন??? "আমি কিন্তু কুমারি নই" লেখার এই অংশটা কিন্তু আপনি সানন্দে মেনে নিয়েছেন!!! যেহেতু মেনেই নিয়েছেন, সেহেতু আপনাদের বউকে আমার বিছানায় পাঠাতে আপনাদের আপত্তি থাকার কথা নয়!!!

আমাকে চড় মারার কথা চিন্তা করে ফেলেছেন??? তাহলে তাই করুন। আর বাকী অংশ পড়া দরকার নেই আপনার। আপনার জন্য আমি এই লেখাটি লিখছিনা। 

বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৬

গল্প নয়, সত্যি!

মানুষের জীবনে কিছু দিন থাকে, যা ভোলা যায় না। আজ থেকে ঠিক দু বছর আগে এমন একটা দিন এসেছিলো। ২৭ অক্টোবর, ২০১১। জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটিতে ভাইভা। ঠিক আগের রাত্রে ন' টার এ. কে. ট্রাভেলস এর বাসে করে খুলনা থেকে রওনা দিলাম আমরা। বাবা, মা আর আমি। শুরুতে গাড়ি বেশ ভালোই চলছিলো। রাত ১ টার দিকে বাস থামলো। সেই যে থামলো আর তার চলার নাম নেই। এক পা দু' পা করে সামনে এগোয়। আমার তো সকাল ১০ টা থেকে ভাইভা। বিশাল টেনশানে পড়ে গেলাম। বাবা সামনে গিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখলেন সময় মতো সাভার পৌঁছানোর সম্ভাবনা খুব ই কম। দু একজন নেমে পড়লো মাঝ পথে, যাদের বুকে পাটা ছিল এবং খুব বেশি তাড়া ছিল। তখন বাস ধর্ম ঘট। আমরা সে সবের কিছুই জানতাম না। খুলনার এ. কে. ট্রাভেলস এর কন্ট্রাক্টর ও কিছু বলেনি আমাদের। আমাদের সাথে আরেকটি ছেলেও যাচ্ছিলো জাহাঙ্গীর নগরে ভাইভা দিতে।

কখন ঘুমিয়ে পড়েছি খেয়াল নেই। সকালে চোখ মেলে দেখি বাসের অধিকাংশ যাত্রীই বাসের ভিতর নেই। সব বাইরে। জ্যাম এ আটকা পড়া বিশাল লাইন দেখছে। আমিও নামলাম। তখনো আমরা পদ্মা নদীর এপারে । ঠিক কোথায় তাও জানি না। এক পর্যায়ে বাবা সব জিনিস পত্র নিয়ে এগোতে বললেন। আমরা বাস থেকে নেমে পড়লাম। একটু পর খেয়াল করে দেখি কোনও alternative নেই। বড্ডও ভুল হয়ে গেছে। ততক্ষণে বাস ছেড়ে দিয়েছে। আমরা আবার দ্রুত বাস ধরলাম। ড্রাইভার বিটকেলে একটা হাসি দিলো। বাবা রেগে গেলেন। এক ধরনের ছোট খাটো ঝগড়া বলা চলে। গাড়ি চালাতে উনার এতো গড়িমসি কেন? পিছনের গাড়ি গুলো কত দূর এগিয়ে গেছে। বড় কথা তাঁর মেয়ের পরীক্ষা। হাতে মাত্র তিন ঘণ্টা। ফেরি পেতে হবে। ওখানে দেরি হবে ঘণ্টা দুএক। আরও তখন হাল্কা হাল্কা শীত। আমরা সবাই দোয়া ইউনুছ পড়তে লাগলাম। অবশেষে ফেরি পার হওয়া গেলো।

বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৬

ফুলের দাম আমায় শোধ করতে হবে !!!!

সাকিব আল হাসানকে একবার এক টিভি সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞেস করা হলো- "গ্রেট প্লেয়ারদের ভালো খেলার পেছনে একটা মোটিভেশন থাকে। আপনার অনুপ্রেরণার উৎস কী??"
জবাবে সাকিব তার চমৎকার একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলেন...!!!...
সাকিব আল হাসান

সাকিবের জবানীতেই শুনুনঃ
প্রচন্ড গরমের ভেতরে একটি শিশু ফুল বিক্রি করছে। যার সমস্ত শরীর কুলকুল করে ঘামছে। এমন সময় পথশিশু টি আমার গাড়ির কাছে এসে বললো- " স্যার, একটা ফুল নিবেন?? "
আমি তার সঙ্গে থাকা সবগুলো ফুল নিয়ে নিলাম!!!! তারপর গাড়ির জানালার কাচ খুলে দাম দিতে যাবো ঠিক এমন সময় ওই ছেলে আমাকে দেখে চিনে ফেললো !!

রবিবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৬

আমি মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনি

আমি মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনি রণাঙ্গনে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে। আমি মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনি অকুতোভয় সেই সব সেনাদের কাছে, যারা দেশ মাতৃকার টানে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েছিলো। তাই, যুদ্ধের সেই ভয়ংকর সময়ে পালিয়ে বেড়ানো কোন পরাজিত যুবকের কাছে আমার মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনতে ভালো লাগে না।

আমি মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনি তাদের মুখে যারা প্রাণভয়ে কোন হুজুরের বাড়িতে আশ্রয় না নিয়ে পাকিস্তানি দখলদার হানাদার বাহিনীর মুখোমুখি হয়েছিলো কেবল আমাদেরই ভবিষ্যত বিনির্মানের উদ্দেশ্যে; আমাদেরকে একটা স্বাধীন দেশ উপহার দেওয়ার জন্য।

বুধবার, ১ জুন, ২০১৬

ইভেন বাই স্পেন্ডিং মাই টাইম এ্যান্ড এফোর্ট

প্রতিবার বর্ষায় এমন একটা ঘটনা ঘটেই, আপিস যাওয়ার পথে। এবার বর্ষায় যেহেতু আপিস যাওয়ার সময়ে এখনো বৃষ্টি হয়নি, ঘটনাটা এখন পর্যন্ত ঘটেনি

সকাল বেলা শাওয়ার নিতে নিতেই দেখি ঝুম বৃষ্টি। বড় বড় বৃষ্টির ফোটা গ্লাসের ওপাশে চুয়ে পড়তে দেখে ভালোই লাগছিলো। কিন্তু শংকাটাও জেগে উঠলো- ‘ঝুম বৃষ্টি মাথায় নিয়ে যাত্রা করাও দুঃসাধ্য’

যতদূর সম্ভব প্যান্ট গুটিয়ে ছাতা হাতে নিয়েই বেরিয়ে পড়লাম। বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেলেও বাসার নীচেই যে আজানু পানি, তা উৎরে যাওয়ার উপায় নেই। অগত্যা রিক্সার জন্য রাস্তায় চোখ রেখে অপেক্ষা, আর অপেক্ষা বৃষ্টির পানিতে খেলতে নামা ছেলেগুলোর জন্য। বৃষ্টির মধ্যে ওরাই আমাকে রিক্সা ডাকতে সাহায্য করে।

রবিবার, ৮ মে, ২০১৬

বিশেষ দিনে নয়, প্রতিদিন মাকে দিন বিশেষ ভালোবাসা!

আবারো সেই কর্পোরেট বানিজ্য। সবকিছুকেই একটা প্রতিকী পালনে রুপান্তর করা।

সারাদিন ফেসবুকে মা দিবসের শুভেচ্ছা আর শুভেচ্ছা।
বহুবার এই প্রশ্ন করেছি, আজও করছি। 'একটা দিবসের কী প্রয়োজন?' 'প্রতিদিনই কি মায়ের জন্য নয়?'
বন্ধু দিবস, ভালোবাসা দিবস একসময় এদেশে আসেনি। তখন কি বন্ধুর প্রতি, প্রেমিকার প্রতি আমাদের ভালোবাসা কম ছিলো? মিডিয়ার কল্যাণে এই দিবসগুলো যখন এলো, তখন বিকিকিনি ছাড়া ভালোবাসার নবতর কোন উপায় যুক্ত হয়েছে কি? যা যুক্ত হয়েছে তা কেবলই বিকিকিনি। ফুল কেনা, কার্ড কেনা আর সেগুলো উপহার দেয়া- বানিজ্যের প্রসারে নবতর উপায় বৈকি!

বুধবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৬

মধুর ক্যান্টিনের প্রতিষ্ঠাতা মধুসূদন দে’র জন্মবার্ষিকী

শফিক রেহমান
শাহবাগে একসময়ে যেটা রূপসী বাংলা হোটেল এবং তার আগে সুদীর্ঘকাল শেরাটন হোটেল নামে পরিচিত ছিল সেটার জন্ম হয়েছিল ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা রূপে। ঢাকার এই হোটেলের মালিকানা সব সময়ই ছিল সরকারের কিন্তু হোটেল ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব ছিল অন্যদের। যেমন, এখন আবার এই হোটেলের ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব ফিরে পেয়েছে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলস গ্রুপ, যেটি একটি মালটিন্যাশনাল কম্পানি এবং যার হেড কোয়ার্টার্স এখন ডেনহ্যাম, ইংল্যান্ডে। অতীতে এই মালটিন্যাশনাল কম্পানির হেড কোয়ার্টার্স ছিল নিউ ইয়র্কে। ঢাকায় ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের ব্যাপক সংস্কার কাজ এখন চলছে। কিছুকাল পরে নতুন রূপে সেজে ইন্টারকন্টিনেন্টাল আবার আত্মপ্রকাশ করবে।

সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৬

আমাদের দু' বছর, আমাদের প্রেমময় দু' বছর


আধেক প্রাণ,
দিনের শুরুতে যখন এক চিলতে নরম রোদ আমার চোখে এসে পড়ে, চোখ খুলেই আমি তোমাকে দেখি। আর দিনশেষের ক্লান্তিতে যখন ঘুমে জড়ো হয়ে আসে চোখ, তখনও আমি কেবল তোমাকেই দেখি। আমার দিনের শুরু অথবা শেষ, সবই তোমাকে দিয়ে। তোমাকে দেখেই দু’বছর কেটে গেলেও মনে হচ্ছে এই তো সেদিন এই দেখাদেখির শুরু। কত লম্বা সময়, অথচ চোখের পলকেই যেন পার হয়ে গেলো!

শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৫

গুরু আসলেন, গাইলেন, মাতালেন !

জেমস্‌
কদিন ধরে ফেইসবুকে ’১১ ব্যাচের র‍্যাগ ডে’র প্রতি মুহুর্তের আপডেট, ’১১ ব্যাচের ক্লান্তিহীন প্রচারণা: ‘জেমস্‌ আসছে’, আসছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় মাতাতে। কিছুদিন ধরে জেমস্‌ -এর গানের কালেকশন বাড়িয়ে আমিও প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম; ঝালাই করে নিচ্ছিলাম লিরিকগুলোকে। বেশ কদিন ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম গুরু’র ষ্টেজ-পারফর্ম্যান্স দেখবো বলে। 

বাংলা সঙ্গীতে নিজস্ব স্বকীয়তায় গুরুরুপে আবির্ভুত হয়েছেন অনেকেই। তবে বাংলা পপ সঙ্গীতে গুরু বলতে বুঝি আজম খানকেই। অথচ ’১১ ব্যাচের প্রচারণা, নিজের প্রস্তুতি, প্রতি মুহুর্তের ফেসবুক আপডেট –এর কারণে দেহমনে সঙ্গীত বলতে জেমস্‌কেই বুঝতেছিলাম, জেমস্‌ই হয়ে উঠলেন ‘গুরু’।

সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০১৫

মাই ফ্রেন্ডস্‌... মাই ফ্রেন্ডশীপ... মাই ফ্রেন্ডশীপ ডে ...


... যখন প্রেম করতাম, ক্যাম্পাসে বসে দূজনে সারাদিন শুধু গল্প আর গল্প। কী গল্প যে করতাম জানিনা। কিন্তু সকাল গড়িয়ে দূপুর পেরিয়ে কখন যে বিকাল হয়ে যেতো, টেরই পেতাম না! 

এভাবে চললো দীর্ঘ সাত বছর। এখনো আমরা গল্প করি। সন্ধ্যায় আপিস থেকে ফিরে সেই যে গল্প শুরু; কখন যে রাত ২/৩টা বেজে যায়!! শেষে সকাল বেলা আপিসে দেরী! শী ওয়াজ, ইজ এ্যান্ড উয়ীল অলওয়েজ বী মাই বেস্ট ফ্রেন্ড।

... শুরুটা ইউনিতে ভর্তির দিন থেকে। 
    : “ki koro”
    : “walking..”
    : “where to where” 
    : “nowhere to nowher” 
এ্যাক্‌টেল –এর ফ্রী মেসেজের সেই দিনগুলো পেরিয়ে শুরু হলো ইউনি’র ক্লাস। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে গল্প, আড্ডা, গান ... কিভাবে যে প্রাণে মিসে গেছিস! ইউ আর নো মোর মাই ফ্রেন্ড। ইউ আর মাই ব্রো, মাই গার্ডিয়ান। আই ডু লাভ দী, Shoab। 

... বাপ, মনে পড়ে ক্যাম্পাসের ডাবল বেঞ্চ বসে গলা ফাটিয়ে আমাদের গান!! “ভালোবাসি বলেরে বন্ধু......”!! তোকে ভালোবাসি বাপ। ইউ আর মাই ট্রু ফ্রেন্ড।

রবিবার, ১২ জুলাই, ২০১৫

আমরা আদৌ আর মানুষ আছি কিনা(!)

আমরা আদৌ আর মানুষ আছি কিনা তা বলার দরকার নেই; বলা দরকার আমরা পশুত্বের লেভেলকেও ছাড়িয়ে গিয়েছি কিনা?

শিশুটিকে দেখুন তো? সে কত বড় অপরাধ করতে পারে, যে অপরাধের কারণে আপনি তাকে পানি না খেতে দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলতে পারেন???


বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৫

‘চাচ্চু, আমাকে কিন্তু খেলার টিকেট দিতেই হবে’


ভাইপো আমার একমাস আগেই বলে রেখেছিলো, ‘চাচ্চু, আমাকে কিন্তু খেলার টিকেট দিতেই হবে’।

এপ্রিল ২৮, ২০১৫ থেকে খুলনাতে চলছে ড্যানকেক সিরিজের বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানের মধ্যকার ১ম টেস্ট। ভাইপোকে কি করে বোঝাই টিকেট কাটার দৌড়ঝাপ কত! বন্ধু বিথী’র পরামর্শে ইউক্যাশ-এ একাউন্টও খুললাম। ১ম দিনের টিকেট কেটে এক কলিগকে দিয়ে দিলাম। ভাবলাম, ভাইপোকে ২য় দিনের টিকেট দিবো।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৫

আওয়ার গুড, গৌল্ড মেমোরিজ!!


মনে পড়ে সেই দিনটার কথা, সেই দিনগুলোর কথা? আওয়ার ঔল্ড, গৌল্ড মেমোরিজ??


ইয়াপ, সেভেন ইয়ার্স ব্যাক ফ্রম নাউ। পহেলা বৈশাখ, ১৪১৫। তুমি শাড়ি পরে হাটতে পারতেনা; ক্যাফে থেকে বের হয়ে কয়েকটা পা ফেলে আর এগোতে পারছিলেনা। বিকেল গড়িয়ে যাচ্ছিলো তখন।
তখনকার আমরা

এখনকার আমরা
ছবি কৃতিত্বঃ ছোট ভাই সাজ্জিদ

রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৫

'ইয়া নবি সালাম আলাইকা'

'ইয়া নবি সালাম আলাইকা'
মিলাদুন্নবী, নজরুল-মানস এবং ইসলামি গান

১। একবার একটি লং প্লে'তে নজরুল-এর নামের আগে 'পীরকবি' অভিধা সংযুক্ত হয়েছিলো। কোরান-হাদিস এবং ইসলামি মনীষিদের সম্পর্কে তাঁর ছিলো নিবিড় পড়াশোনা। আমরা এ পর্যন্ত মোট ১৯ টি ইসলামি গান ইউটিউবে দিয়েছি এই গ্রুপের তত্ত্বাবধানে। এর পেছনে একটি কারণ অবশ্যই আছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন যে তিনি কোরান নাজেল করেছেন, তিনিই তা সংরক্ষণ করবেন। পৃথিবীর অনেক দেশে কোরান নিয়ে গবেষণা হচ্ছে। ডক্টর রশীদ আল মাসরী গবেষণা করে বের করেছেন যে আল কোরানের আয়াত শব্দ ১৯ দ্বারা বিভাজ্য। 'ইসম' শব্দটি ১৯ বার, 'আর-রাহমান' ৫৭ বার, আল্লাহ ২৬৯৬ বার। সূরা ১১৪ টি। (Al Quran the ultimate miracle দ্রষ্টব্য)
HAR Gibb বলেন 'well, then, if the Quran where his own composition other men could rival it. Let them produce ten verses like it. If they could not (and it is obvious that they could not), then let them accept the Quran as an outstanding exegetical miracle.' [Mohammedanism, London]

বৃহস্পতিবার, ৬ জুন, ২০১৩

ভালোবাসি তোমায়, আশরাফুল

২০০৪ সাল। পড়াশুনার কারণে আমি তখন মেসে থাকতাম। টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি আমার বরাবরই অনীহাএত দীর্ঘ সময়ে নিয়ে খেলার কারণেই সম্ভবত। কিন্তু সেদিন কি মনে করে কলেজে না গিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার টেস্ট ম্যাচটি দেখতে শুরু করলাম। ব্যাটিং-এ তখন আশরাফুল। বাংলাদেশের ক্রিকেট-আকাশে তখন একটাই তারা। কি যেন এক ঐশ্বরীক শক্তি পেলেন তিনি। খেলছেন হাত খুলে।

কিন্তু মনে এক অজানা আশংকা। আশরাফুল তো! এই বুঝি আউট হয়ে যাবেন। সময় গড়াতে থাকলো। খেলতে লাগলেন আশরাফুল, আমাদের আশরাফুল। ...২০ ...৩০ ...৪০ বেড়ে চলেছে রান-সংখ্যা। সমস্ত শংকাকে হাওয়ায় উড়িয়ে দিয়ে দোর্দন্ড প্রতাপে ব্যাট করছেন আশরাফুল। চার আর ছয় –এর সে এক অপূর্ব সমন্বয়।

মঙ্গলবার, ১ জানুয়ারি, ২০১৩

যা দেখি, যা বুঝি


ঘটনা #১
অফিস থেকে বাসায় ফিরে রাত নয়টার দিকে ফোনে কথা বলতে বলতে হঠাৎ বাইরে বের হই। একটা প্রয়োজনে আমাদের পাড়ার এক ছেলের সাথে কথা বলার জন্য বাইরে যাই। ফিরলাম প্রায় ১৫/২০ মিনিট পরে। ফিরে দেখি, দরজায় মা দাঁড়িয়ে। এই রাতে কিছু না বলে হঠাৎ ছেলের বাইরে যাওয়ায় মায়ের মন হয়তো অজানা আশংকায় শংকিত হয়েছে।

মমস্‌ আর গ্রেইট।

ঘটনা #২
পাড়ার রাস্তা দিয়ে হাটতে গিয়ে খেয়াল করলাম পাশের বেশ কয়েকটা বাড়িতে বেশ উচ্চ স্বরে হিন্দি গান বাজছে। কয়েকটা বাড়ির উঠানে বেশ আলোকসজ্জ্বার ব্যাবস্থাও দেখলাম, চারিপাশে অসংখ্য লোকের হই-হুল্লোড়। বুঝলাম আংরেজি নতুন বর্ষ বেশ ভালোই উদযাপিত হচ্ছে। পালিত হচ্ছে আংরেজি নববর্ষ আর বাজছে হিন্দি গান। মন্দ না! অন্তত একদিন হলেও আমরা পুরোদস্তুর ভীনদেশি হতে পারলাম!

শনিবার, ৭ এপ্রিল, ২০১২

যা আমি ভাবি, যেভাবে ভাবি


আমি এখন যে কথাগুলো বলবো, তা আপনাদের ভালো লাগবে না। এমনকি অনেকের কাছে অসহনীয় মনে হবে। কিন্তু আমার বলাটা জরুরি। আবার, এই কথাগুলো রাজনৈতিক (অনেকের কাছে, আমার কাছে মোটেও রাজনৈতিক নয়)। কিন্তু না বলে উপায় নেই। 

আমি কথা বলবো বর্তমান সময়ে বহুল আলোচিত গোলাম আযম আর মতিউর রহমান নিজামীকে নিয়ে।

ধরে নেই (হয়তোবা সত্য, যেহেতু বিচারকার্য্য চলমান), ৭১ সালে গোলাম আযম ও নিজামী কোন মানবতা বিরোধী অপরাধ করে নাই। কিন্তু আমরা জানি, এই দুজন ব্যাক্তি ও তাদের সংগঠন “জামায়াতে ইসলামী” বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাই নাই। আরও ধরে নেই, এই ব্যাক্তিদ্বয় ও তাদের সংগঠনের বাংলাদেশের স্বাধীনতা না চাওয়ার পিছনে তৎকালীন সময়ের নিরীখে যোক্তিক কারণ রয়েছে। 

এখন, আমার জন্ম ৮৬-এ, এই বাংলাদেশেই। আমার বড় হয়ে ওঠা, আমার বেঁচে থাকা, আমার অস্তিত্ব এই বাংলাদেশকে ঘিরেই। ভালো হোক মন্দ হোক, ছোট হোক বড় হোক, দূর্ণীতিপরায়ন হোক আর যাই হোক, এটা আমার বাংলাদেশ, আমার প্রাণের বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশকে ঘিরেই আমার সব স্বপ্ন, সব ভালোবাসা, দেশবোধ, দেশপ্রেম। এই দেশকে কত ভালোবাসি তা' বলে বোঝাতে পারবোনা। অন্তত ক্রিকেটের কথা বলতে পারি, সাকিব তামিমরা যখন এশিয়া কাপের ফাইনালে ওইভাবে হেরে গিয়েছিলো, তিনদিন আমি ঠিকমত খেতে পারিনি। সত্যি কথা বলছি, চোখের জল আটকে রাখতে পারি নি। ব্লগ ফেসবুকে যখনই ওদের ছবি দেখেছি, অজানা কষ্টে বুকটা ভারী হয়েছে। আমার এই আবেগ আপনার কাছে অনেক সস্তা মনে হতে পারে। কিন্তু বুঝেছি, এই দেশকে ভালোবাসি বলেই ওদের নিয়ে এত আবেগ! 

এবার আপনিই বলুন, যে মাতৃভুমিকে ঘিরে এত ভালোবাসা এত আবেগ, সেই মাতৃভুমি যারা চাই নাই, আমি তাদের সাপোর্ট করি কিভাবে? আপনি হয়তো বলবেন, ঐ সময়ের প্রেক্ষাপটে তারা হয়তো ঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো। আমি বলবো, তারা তো এই বাংলাদেশটাই চাই নাই যেটা আমার মাতৃভুমি। তারা যতটা যৌক্তিকই হোক না কেন, আমি তো এই বাংলাদেশের সন্তান।

বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ আর এ কারণেই “জামায়াতে ইসলামী” আর দশটা দলের মতই একটা রাজনৈতিক দল। এবার ধরুন, নিজামী বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হলো (আমাকে পাগল ভাববেননা প্লিজ)। তাহলে স্বাধীনতা দিবস আর বিজয় দিবসে কি তারা (স্বাধীনতা বিরোধীরা) এই দিবসের বাণী দেবেন দেশবাসীর উদ্দ্যেশ্যে? আপনি কি ভাবতে পারছেন? 

আমার সোজা কথা, আমি জামায়াতে ইসলাম আর তাদের নেতাদের ঘৃণা করি। ইসলাম শব্দটা থাকলেই আমি কাউকে সমর্থন করতে পারিনা। জামায়াতে ইসলাম নামক এই রাজনৈতিক দলকে নিষদ্ধ করাটা তাই যৌক্তিক এবং সময়ের দাবী।

বিঃদ্রঃ বিঃদ্রঃ
১। স্বাধীনতা বিরোধীদের আমি কোনভাবেই এদেশের নেতা ভাবতে পারি না। মানলাম, তারা যা করেছে তা যৌক্তিক, তাই তারা ক্ষমাপ্রাপ্ত হয়ে এদেশের বসবাস করতে পারে। তাই বলে এই দেশের নীতি নির্ধারক হওয়ার ক্ষমতা আমি তাদেরকে দিতে পারি না।
২। আমার এই “ধরে নেয়া” বিষয়গুলো নিয়ে অনেকের অনেক মত থাকতে পারে। কিন্তু, একটা পার্টিকুলার বিষয়কে প্রাধান্য দিতেই এই বিষয়গুলো ধরে নেয়া হয়েছে। আশা করি এইগুলো নিয়ে বিতর্ক থাকবেনা। 

 অটঃ গতকাল এক বন্ধুর সাথে অনেক আলোচনা হলো। তারপর থেকেই মনের মধ্যে এই বিষয়গুলো কাজ করতেছে। লিখে ফেললাম, যা আমি ভাবি, যেভাবে আমি ভাবি।

শনিবার, ২৪ মার্চ, ২০১২

তুমি আর এভাবে কেঁদোনা সাকিব


তোমার কান্নায় বনের কোকিলেরা কুহু ডাক ভুলে গেছে, স্রোতময় নদী হারিয়েছে তার গতিপথ। দখিনা বায়ু তোমার কান্নার দীর্ঘশ্বাস শুনিয়ে যাচ্ছে আমাদের। পুরো বাংলাদেশজুড়ে তোমার কান্নার রোল উঠেছে। কৃষকেরা মাঠের কাজ ফেলে কে কোথায় চলে গেছে তার ঠিকানা নেই। কলসি কাঁখে গায়ের বধু পানি আনতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। তোমার কথা ভেবে রাখাল তার বাঁশিতে ফু দিতে ভুলে গেছে। স্তব্ধ শোকের প্রেতপূরীতে পরিনত হয়েছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ, ২০১২

এশিয়া কাপ ফাইনাল আর একজন বাংলাদেশি নজিব

প্রতিদিনের চেয়ে আজকের দিনটা একটু আলাদা হলো নজিবের কাছে। হঠাৎ ধড়ফড় করেই ঘুমটা ভাংলো ওর। সাধারনত এরকম হয় না। আজ তবে কেন এমন হলো? এলোমেলো কিছু ভাবনা ওর মনে আসলো। কিন্তু কোন কূল কিনারা করতে না পেরে বিছানা ছেড়ে উঠে বসলো। উঠে বসতে বসতেই ওর মনে পড়লো আজ এশিয়া কাপের ফাইনাল ম্যাচ। ভারত-বধ আর লঙ্কা-জয়ের পর ফাইনালে খেলছে বাংলার দামাল ছেলেরা। অস্থির হয়ে উঠলো নজিব। মনটা আনচান করতে লাগলো।

সকালের নাস্তা শেষ হতেই মানিব্যাগটা চেক করে দেখলো টিকিটটা ঠিক জায়গায় আছে কিনা। মনে মনে শুধু আল্লাহ’র নাম জপছে আর বলছে, “হে আল্লাহ! আজ যেন ম্যাশ একটু জ্বলে ওঠে। নাজমুল আর সাকিব একটু লাইন লেংথ ঠিক রেখে বল করতে পারলেই হবে। তামিম যেন তার স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারে।”