|| বাংলার নবাবের ওয়েবসাইটে স্বাগতম ||
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।
রাষ্ট্রপতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাষ্ট্রপতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১১ জানুয়ারি, ২০১২

মাইনাস টু ফর্মুলার দুই প্রবক্তা

য়ান-ইলেভেন। পাঁচ বছর আগে ২০০৭ সালের এইদিনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের পদ থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রাষ্ট্রপতি প্রফসের ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ।

রাজনীতির সঙ্গে কূটনীতির এক জটিল মারপ্যাঁচে সেদিন গোটা দেশতো বটেই বিশ্বেরও অনেকের নজর ছিলো বাংলাদেশের দিকে।

পুরো প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলো কয়েকটি মহল। যারা একটি পর্যায়ে ‘কুচক্রী হিসেবেই নাম কুড়িয়েছেন। দেশের ভালোর নামে ক্ষমতার কাছাকাছি চলে আসার এই প্রক্রিয়ায় তথাকথিত সুশীল সমাজের নামকরা প্রতিনিধিরা যেমন ছিলেন, তেমনি ছিলেন রাজনীতির ভেতরের কিছু মানুষ, যারা সংস্কারের কথা বলে নেতৃত্বের ধারা পাল্টানোর বক্তৃতার খই ফোটাতে শুরু করলেন। আর পুরো ষড়যন্ত্রের নেপথ্য নায়ক হয়ে মিডিয়ার ম্যাজিক বুলেট ক্ষমতাকে ব্যবহার করে একটি সফল ওয়ান ইলেভেনের জন্ম দিলেন হাতে গোনা গুটি কয় সাংবাদিক।

বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০১১

ক্ষমা করার অধিকার কি রাষ্ট্রপতির আছে?

ক্ষমা প্রদর্শনের মাধ্যমে দূর্জ্জনকে সজ্জনে রুপান্তরিত করার উদাহরণ পৃথিবীতে বিরল নয়। বরং, ইতিহাসের পাতায় চোখ বুলালে এজাতীয় ঘটনা হামেশাই দেখতে পাওয়া যাবে। অপরাধী নিজ কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনায় দগ্ধ হয়ে ক্ষমা ভিক্ষা করলে আল্লাহও তাকে ক্ষমা প্রদর্শন করেন। ক্ষমা প্রদর্শন এমনই এক মহৎ গুন যা সমাজ হতে সকল অন্যায় ও অনাচার দূর করতে পারে। তবে, ঢালাওভাবে ক্ষমা প্রদর্শন করা হলে তা কি সমাজের জন্য আদৌ কল্যাণকর? যে সকল অপরাধীর কোন অনুশোচনা থাকেনা, ভুল শুধরে আলোর পথে আসার ঐকান্তিক ইচ্ছা থাকেনা, যে সকল অপরাধী অপরাধ করার পর উল্লাসে ফেটে পড়ে, সেই সকল ঘৃণ্য অপরাধীকে ক্ষমা করলে তা কি সমাজের জন্য কল্যাণকর হয়? দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির বিধানও কি সুস্থ সমাজ বিনির্মানের জন্য অত্যাবশ্যক নয়?