|| বাংলার নবাবের ওয়েবসাইটে স্বাগতম ||
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।
অপসংস্কৃতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অপসংস্কৃতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৭

নারীর প্রতি সহানুভুতিশীল???

এসব আমার কাছে নতুন নয়। মনে হলো, ব্যাপারটা তাঁকে বলা দরকার। আমি তাঁকে থামালাম। বললাম, ‘আগে একটা কথা বলে নিই; আমি কিন্তু কুমারি নই’।
তিনি আমার শরীর থেকে হাত সরিয়ে নিলেন। বললেন, ‘আমি তো ভাবলাম তুমি বলবা যে, তোমার এইডস আছে।’
_________
প্রথমে বলে নেই এটা একটা ৩৫+ পোষ্ট। ইমম্যাচিউর বা বাচ্চা পোলাপানের জন্য এই পোষ্ট না। 

উপরোক্ত লেখাটি নেয়া হয়েছে এখান থেকে। লেখাটির পুরো অংশের স্ক্রীনশট পাওয়া যাবে এখানে। 
____
উপরোক্ত লেখায় একটা নতুন বিবাহিত মেয়ে তার নিজের অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেছেন। যে মানুষটিকে তিনি বিয়ে করেছেন তিনি সম্পূর্ণ অপরিচিত। যে মেয়েটি সারাজীবন ছেলেদের সাথে একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব মেইনটেইন করেছে তার জন্য হঠাৎ করে একটা অপরিচিত মানুষের সাথে শয্যা শেয়ার করা কঠিনই শুধু না, বিব্রতকর এবং ভয়ংকরও বটে। এই দু:সহ পরিস্থিতিকে সহজ করে নিতে একজন পুরুষ কতটা সহায়ক হতে পারে তার বর্ণণাও আছে লেখাটিতে। এক কথায়, প্রচলিত অনেক গোঁড়ামী'র বিরুদ্ধে শক্তিশালী একটা লেখা। প্রচলিত ধ্যান-ধারণা, যে ধ্যান-ধারণায় একজন নারীকে নানারকম বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, সেখান থেকে বেরিয়ে আসার জন্য এরকম লেখনীর প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। 

কিন্তু উপরের অংশে কী বলা হয়েছে? মেয়েটি কুমারী নয়। ইট মীনস্‌ সে এক্সট্রা-ম্যারিটাল সেক্সে জড়িত। পুরো লেখাটি মধ্যে এই গরলটুকু ঢেলে দিয়েছেন লেখিকা। হ্যাঁ, আমি গরলই বলছি, এক ভয়ংকর গরল!!! আরও ভয়ংকর এর পাঠকেরা, যারা আমার চারপাশে প্রতিনিয়ত ঘুরে বেড়ায়। লিঙ্কে গিয়ে দেখুন এর পাঠকেরা কেমন প্রশংসায় মেতেছেন লেখাটির। আমার প্রশ্ন, এর অনুবাদকসহ পাঠকেরা কি এক্সট্রা-ম্যারিটাল সেক্সে বিশ্বাস করেন??? যদি তাই করেন, এরা কি এদের বউকে আমার বিছানায় পাঠাবেন??? "আমি কিন্তু কুমারি নই" লেখার এই অংশটা কিন্তু আপনি সানন্দে মেনে নিয়েছেন!!! যেহেতু মেনেই নিয়েছেন, সেহেতু আপনাদের বউকে আমার বিছানায় পাঠাতে আপনাদের আপত্তি থাকার কথা নয়!!!

আমাকে চড় মারার কথা চিন্তা করে ফেলেছেন??? তাহলে তাই করুন। আর বাকী অংশ পড়া দরকার নেই আপনার। আপনার জন্য আমি এই লেখাটি লিখছিনা। 

মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৬

একটা শংকাযুক্ত প্রশ্ন

* বেশ কিছুদিন আগে খুলনা'র পাওয়ার হাউস মোড়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। মীনা বাজারের বিল্ডিংটায় (এখন বোধহয় মীনা বাজার নেই) চোখ আটকাতেই দেখলাম 'সঙ্গীতায় চলিতেছে'; ইন্ডিয়ান কেলোর কীর্তি সিনেমার পোষ্টার।

এ নিয়ে ফেবুতে আমি একটা ষ্ট্যাটাসও দিয়েছিলাম।

যাইহোক, কিছু আইনি বাধা সত্ত্বেও কেলোর কীর্তি বাংলাদেশের হলগুলোতে চলেছিলো। (https://goo.gl/3q5kny)

* কয়েকটি নিউজ চ্যানেল আর দু-একটি স্পোর্টস্‌ চ্যানেল বাদ দিলে আমাদের ডিশ এন্টেনা মানেই সব ইন্ডিয়ান চ্যানেল। অথচ, ইন্ডিয়াতে বাংলাদেশি কোন চ্যানেল প্রচারিত হয়না। বস্তাপঁচা গাজাখুরি গল্প আর অশ্লীলতা ছাড়া ইন্ডিয়ান চ্যানেলগুলো কী দেখাচ্ছে তা আমার জানা নেই।

* বিদেশী সিরিয়াল ডাবিং করে বাংলাদেশের চ্যানেলগুলোতে প্রচার বহু পুরনো কালচার। ছোটবেলা থেকেই ম্যাকগাইভার, সিন্দবাদ, হারকিউলিস এগুলো বিটিভিতেই প্রচারিত হতে দেখে আসছি। বর্তমানে দীপ্ত টিভিতে প্রচারিত সুলতান সুলেমান (বাংলায় ডাব্‌ড্‌) এদেশে তুমুল জনপ্রিয়।

বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৬

মায়ানমারে গনহত্যা: টার্গেট রোহিঙ্গা মুসলিম

নভেম্বর ১০-১৮ তারিখে মধ্যে পাঁচটি রাখাইন গ্রামে ৮২০টি বাড়ি-ঘর ধ্বংস করা হয়েছে। তারও আগে ৪৩০টিরও বেশি বিল্ডিং আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে।

গ্রাম ভিত্তিক ক্ষতির চিত্র: 
  • এয়ায় খাত চাউং গো সন - ২৫৫টি স্থাপনা 
  • দার গিয়া যার - ২৬৫টি স্থাপনা 
  • উইন্ত পেউ চাউং - ৬৫টি স্থাপনা 
  • মও তাং - ১৫টি স্থাপনা 
  • ওয়া পেইক - ২২০টি স্থাপনা 

এছাড়াও হিউম্যান রাইটস্‌ ওয়াচ এনভায়রনমেন্টাল স্যাটেলাইট সেন্সর দ্বারা থার্মাল অ্যানমলি ডাটা (তাপমাত্রার বৈসাদৃশ্য উপাত্ত) পর্যবেক্ষণ করেছে যা (এনভায়রনমেন্টাল স্যাটেলাইট সেন্সর) উইন্ত পেউ চাউং গ্রামে ১২ নভেম্বর, দার গিয়া যার গ্রামে ১৩ নভেম্বর, এয়ায় খাত চাউং গো সন গ্রামে ১৩, ১৪, ১৫ নভেম্বর জ্বলন্ত আগুনের উপস্থিতি ডিটেক্ট করতে পেরেছে। 

১০-১৭ নভেম্বর ২০১৬ -এর মধ্যে মাংডো জেলার অগ্নিকান্ডের সাথে গ্রামগুলোতে যে জ্বলন্ত আগুন আর আগুনের পোড়া দাগ পাওয়া গেছে তার মিল রয়েছে।

শনিবার, ১৬ জুলাই, ২০১৬

গুলশান ট্রাজেডি ও জাকির নায়িককে জড়িয়ে প্রোপাগান্ডা

Dhaka Tribune নামে একটা পত্রিকায় লেখা আসলো যে ডা: জাকির নায়েক নাকি সন্ত্রাসবাদের উস্কানীদাতা। কারন হিসাবে সস্তাভাবে ডা: জাকিরের কিছুু কাটছাট করা বক্তব্য টেনেটুনে বলা হলো গুলসান এ্যাটাকারের একজন মৃত জঙ্গী নাকি ডা: জাকিরের ফ্যান এবং মৃত জঙ্গীর ফেসবুকের স্টাটাস থেকে দেখা যায় ডা: জাকির নাকি তার প্রেরনার উৎস:
Rohan Imtiaz, the 22-year-old student from North South University, who before disappearing in January this year, had quoted Naik in a Facebook post where he "urged all Muslims to be terrorists". He later went on to attack Holey Artisan Bakery in Gulshan 2 with five others.(এখানে দেখুন)

আসলে ' catchnews.com সাইট থেকে ধার করে নেওয়া 'Who is Zakir Naik and why Muslims should be wary of him' শীর্ষক লেখাটিতে জাকির নায়েকের 'কুকীর্তি'র এক লম্বা ফিরিস্তি গাওয়া হয়েছে। লেখার মধ্যে আবার critical thinking এর একটা ভাব আছে। পড়েও মজা লাগে। তবে এর মধ্যে সত্য তথ্য ও সূত্রের লেশ মাত্র নেই। কোন লেকচারে ডা: জাকির "urged all Muslims to be terrorists" তা উল্লেখ করা হয়নি। ব্যাপারটাা তারা এমনভাবে উপস্থাপন করেছে যেন মৃত জঙ্গীরা জাকির নায়েককে ফেসবুকে Quote করলো, অতপর নিরুদ্দেশ হলো, IS এ যোগদান করলো আর গুলশানে এ্যাটাক করলো। বাহ! কি চমৎকার যুক্তি - একেবারে সবকিছু সুন্দরভাবে মেলানো যায়। আসলে Dhaka Tribune & catchnews যে উদ্ধৃতটার কথা বললো সেটা আসলে ইতিবাচক ও কিছুটা হিউমরাসও বটে। ডা: জাকিরেরর সম্পূর্ণ বক্তব্য এরকম:
Full Speech by Dr Zakir:
"Every Muslim should be a terrorist. A terrorist is a person who causes terror. The moment a robber sees a policeman he is terrified. A policeman is a terrorist for the robber. Similarly every Muslim should be a terrorist for the antisocial elements of society, such as thieves, dacoits and rapists. Whenever such an anti-social element sees a Muslim, he should be terrified. It is true that the word 'terrorist' is generally used for a person who causes terror among the common people. But a true Muslim should only be a terrorist to selective people i.e. anti- social elements, and not to the common innocent people. In fact a Muslim should be a source of peace for innocent people." (এখানে দেখুন)


শনিবার, ২ জুলাই, ২০১৬

'রেসকিউ অভিযান' নাকি 'কমান্ডো অভিযান'?

'রেসকিউ অভিযান' আর 'কমান্ডো অভিযান' এ দুয়ের মাঝে একটা চরিত্রগত ও প্রয়োগগত পার্থক্য আছে বলে আমার মনে হয়। যেখানে 'হোস্টেজেস' -এর নিরাপত্তা মূখ্য, তাদের জীবন-মরণের প্রশ্ন, সেখানে কমান্ডো অভিযান খুব যুক্তিযুক্ত কি? 

Hostages include a good number of foreigners along with some commoners. এই ফরেনার আর কমনার -দের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে অভিযানের পরিকল্পনা করার প্রয়োজন ছিলো কি?

কেবলমাত্র কিছু পলাতক সন্ত্রাসী আটকই তো এই অভিযানের একমাত্র উদ্দেশ্য নয়। শনিবার সকাল থেকে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রোনিক মিডিয়ায় যে অভিযানের কথা শুনলাম তা 'রেসকিউ অভিযান' নাকি 'কমান্ডো অভিযান'? 

সোমবার, ২৩ মে, ২০১৬

আপনি বলছেন 'পোয়েম-পর্ণ', আবার বলছেন 'নট রিয়েল পর্ণ'। দ্বিচারিতা হয়ে গেলোনা???

১। ধরুণ আপনার পরিচিত একজন মিথ্যাবাদী আছেন। তিনি এত বেশি মিথ্যাচার করেন যে তার মিথ্যাচারের ফলে মারামারি, হানাহানি সহ কারো মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। এখন আপনি সেই মিথ্যাবাদী মানুষটির নামে কিছু ভালো কথা, নীতিকথা'র পোষ্টারে এলাকা ছাপিয়ে দিলেন। তাতে কি মিথ্যাবাদী 'সত্যবাদী'তে রুপান্তরিত হলো? না, তা তো হলোই না; আপনি বরং মিথ্যাবাদীর 'সহায়ক'রুপে আবির্ভূত হলেন।

২। পর্ণ বা পর্ণোগ্রাফী নিঃসন্দেহে পরিত্যাজ্য। তাতে সমাজে অনাচার, অশ্লীলতা যেমন বাড়ে; নারীর প্রতি সহিংসতাও ততোধিক হারে বাড়ে। পর্ণোগ্রাফীর অবাধ প্রচারই যে 'সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট' ও 'চাইল্ড এ্যাবইউজ' এর একটা অন্যতম কারণ তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। 

৩। "A man is born through a woman and is raised by a woman and he falls in love with woman and he marries a woman and I'm surprised about a man who doesn't respect a woman." কথাগুলো বেশ ভালো এবং ভালো লাগার। কিন্তু এই ভালো কথাগুলো আপনি শেয়ার করছেন কী নামে? 'Word Porn', 'Poem Porn' ইত্যাদি নামে। 

শুক্রবার, ১৩ মে, ২০১৬

আসুন, অংক কষি!

বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট অফিস ১০টা। এই ১০টা অফিসে এ্যাভারেজে ২০০ জন করে কর্মকর্তা/কর্মচারী থাকলেও মোট কর্মকর্তা/কর্মচারীর সংখ্যা ১০*২০০=২০০০ জন।

২০১০ থেকে ২০১৫ এই ০৬ বছরে অর্থাৎ (৬*১২=) ৭২ মাসে মাত্র ২০০০ জন কর্মকর্তা/কর্মচারী (সৎ লোক অবশ্যই আছেন) বিভিন্ন ধরণের ইউটিলিটি বিলে এত্ত বেশি গোঁজামিল দিয়েছেন যে তার পরিমাণ ১২০০০ হাজার কোটি টাকা! ক্যান ইউ ইমাজিন? '১২০০০ কোটি টাকা' মানে হলো কয়েকদিন আগে যে ৮০০ কোটি টাকা লুটপাট হলো, তার সঙ্গে ২০০ কোটি টাকা যোগ করলে হয় (৮০০+২০০=) ১০০০ কোটি টাকা; আর সেই ১০০০ কোটি টাকার ১২ গুন করলে হয় ১২০০০ হাজার কোটি টাকা। ক্যামনে বুঝাই হাউ হিউজ দিস এ্যামাউন্ট ইজ!

রবিবার, ৮ মে, ২০১৬

বিশেষ দিনে নয়, প্রতিদিন মাকে দিন বিশেষ ভালোবাসা!

আবারো সেই কর্পোরেট বানিজ্য। সবকিছুকেই একটা প্রতিকী পালনে রুপান্তর করা।

সারাদিন ফেসবুকে মা দিবসের শুভেচ্ছা আর শুভেচ্ছা।
বহুবার এই প্রশ্ন করেছি, আজও করছি। 'একটা দিবসের কী প্রয়োজন?' 'প্রতিদিনই কি মায়ের জন্য নয়?'
বন্ধু দিবস, ভালোবাসা দিবস একসময় এদেশে আসেনি। তখন কি বন্ধুর প্রতি, প্রেমিকার প্রতি আমাদের ভালোবাসা কম ছিলো? মিডিয়ার কল্যাণে এই দিবসগুলো যখন এলো, তখন বিকিকিনি ছাড়া ভালোবাসার নবতর কোন উপায় যুক্ত হয়েছে কি? যা যুক্ত হয়েছে তা কেবলই বিকিকিনি। ফুল কেনা, কার্ড কেনা আর সেগুলো উপহার দেয়া- বানিজ্যের প্রসারে নবতর উপায় বৈকি!

মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০১৬

টু আর গন; তাঁদের জায়গায় নতুন ডেপুটি গভর্নর

সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘টু আর গন। তাঁদের জায়গায় নতুন ডেপুটি গভর্নর নিয়োগ দেওয়া হবে।’ ওই দুজন নাজনীন সুলতানা ও আবুল কাশেম কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী ‘সম্মতিসূচক’ জবাব দেন।


ঘটনা যদি তাইই হয়, তাহলে তো বলায় যায় যে, শর্ষের ভিতরই ভুত। আগের পোষ্টে লিখেছিলাম, এটা হ্যাকিং নয়, চুরি। এখনও পর্যন্ত কিছু প্রমানিত নয়, তবে ঘটনা যেদিকে যাচ্ছে, তাতে অনেকটা পষ্ট যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের হাত রয়েছে। সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা স্পষ্ট করে বলতে গেলে অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা ছাড়া এত বড় ব্যাংক ডাকাতি নেক্সট টু ইম্পসিবল।


শুক্রবার, ১১ মার্চ, ২০১৬

হ্যাকিং ! নাকি চুরি ?

বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা চুরি হয়েছে। বাংকের কর্তারা বলছে- চুরি নয় -হ্যাক। আশ্চর্য ! তারা হ্যাক ও চুরির তফাৎ বুঝবে না, এ কেমন কথা।?

কত টাকা?

৮০০ কোটি !

৮ কোটি না, ৮০ কোটি না-আট'শ ! ৯৯ কোটি, ৫০০ কোটি, ৭০০ কোটি-তারপরে-৮০০ কোটি !
ক্যামনে যে বুঝাই ৮০০ কোটি টাকা কত বিশাল !

১ কোটি = ২৩ কেজি। সুতরাং- ২৩ x ৮০০= ১৮ হাজার ৪'শ কেজি ÷ ৪০ কেজি বা ১ মন = ৪৬০ মন !

কীভাবে যে বুঝাই ৮০০ কোটি কতো বিশাল অংক ! আচ্ছা বাদ দেন। ভাবতেই কলিজা ছ্যাৎ করে উঠে।

কোথা থেকে টাকা চুরি হয়েছে?
ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে।

এর দায় কার? ক্ষতিপূরণ কে দিবে?
অবশ্যই ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক দিবে। আমেরিকার বাপের টাকা না - আমাদের টাকা।

কিন্তু তারা দিবে না। আশ্চর্য !

অর্থমন্ত্রী আবুল মালে মামলা করার হুমকি পর্যন্ত দিয়েছে। তবুও দিবেনা। আবারও আশ্চর্য !
 

রবিবার, ১২ জুলাই, ২০১৫

আমরা আদৌ আর মানুষ আছি কিনা(!)

আমরা আদৌ আর মানুষ আছি কিনা তা বলার দরকার নেই; বলা দরকার আমরা পশুত্বের লেভেলকেও ছাড়িয়ে গিয়েছি কিনা?

শিশুটিকে দেখুন তো? সে কত বড় অপরাধ করতে পারে, যে অপরাধের কারণে আপনি তাকে পানি না খেতে দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলতে পারেন???


রবিবার, ২৪ মে, ২০১৫

বোঝে না সে বোঝে না

বিক্রেতারা জানালেন, এসব খাতা শিশুদের কাছে বিক্রি করাটা দৃষ্টিকটু হলেও এর চাহিদা ব্যাপক। তাই তাঁরা বিক্রি করছেন। স্থানীয় শিক্ষক ও অভিভাবকেরা জানালেন, বিশেষত মায়েরা ভারতীয় চ্যানেলের সিরিয়ালের প্রতি আসক্ত হওয়ায় শিশু-শিক্ষার্থীরাও এতে আসক্ত হচ্ছে। এরই প্রভাব পড়েছে খাতায়।

সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৫

ধর্ষনের দায় মূলত ধর্ষকের পাশবিকতার উপরেই বর্তায়

নববর্ষে টিএসসিতে নারীদের যৌন হয়রানি নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি দেখছি আমার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধু-বান্ধব, সিনিয়র, জুনিয়র অনেকের মাঝেই।

সমস্যাটা হলো, যুক্তির দুই পিঠেই বহুল সংখ্যক মানুষের সমর্থণ রয়েছে। বিভ্রান্তির বিষয়টি তাহলে কী??? ‘ধর্ষণের পেছনে নারীর অশ্লীল পোষাকই দায়ী কিনা’ নাকি ‘ভিক্টিম নারীকেই কেন দায়ী করা হচ্ছে?’

বিভ্রান্তিটি সৃষ্টি হওয়ার কিছু কারণ রয়েছে বলে আমার মনে হয়। 

তার আগে ঘটনাটি জানা দরকার। বাংলা ১৪২২ এর পহেলা বৈশাখের দিন (ইংরেজি এপ্রিল ১৪, ২০১৫) টিএসসিতে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন কয়েকজন নারী(১)। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্র ইউনিয়ন নেতা লিটন নন্দী প্রথম আলোকে বলেন, বাংলা নতুন বছর উপলক্ষে গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানুষের প্রচণ্ড ভিড় ছিল। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে শাহবাগ থেকে টিএসসি আসার পথে তাঁরা কয়েকজন দেখেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটে ৩০-৩৫ জনের একদল যুবক বেশ কয়েকজন নারীকে যৌন হয়রানি করছে। তারা কারও কারও শাড়ি ধরে টান দিচ্ছিল। কয়েকজনকে তারা বিবস্ত্রও করে ফেলে। এ সময় সেখানে বাধা দিতে গেলে ওই যুবকদের ধাক্কায় তিনি পড়ে যান এবং তাঁর হাত ভেঙে যায়।

ঘটনার পরপরই ফেইসবুক সহ সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার ঝড় শুরু হয়। তীব্র ঘৃণার পাশাপাশি দোষীদের শনাক্ত করে তড়িৎ পদক্ষেপের আহবান জানান সকলেই। 

রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৫

বর্ষবরণে টিএসসিতে শ্লীলতাহানিঃ বাস্তবতা ও করণীয়

সিসি ক্যামেরার ফুটেজ, শয়তানগুলোর ছবি। সবই চলে এসেছে সামনে।
এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা, উপযুক্ত শাস্তির।

তবে, প্রথম আলো অলরেডি এটাকে মৌলবাদী রুপ(১) দেয়ার প্রয়াস নিয়েছে, ডিএমপি স্পোকস্-পার্সন অলরেডি বলে দিয়েছেন ফুটেজে তারা কোন এ্যাসাল্টের ঘটনা(২) পান নাই।

এটা হয়তো আরেকটা থার্টি ফাস্টের ঘটনা হতে যাচ্ছে। মনে পড়ে ২০০০ সালে বাঁধনকে লাঞ্চিত করার ঘটনা? এতদিনেও তার কোন বিচার হয়নি, সাজা পাইনি কেউই। অথচ, নেট সার্চ দিলে সেই ঘটনার ছবি এখনো পাওয়া যায়! ছবি আছে, ছবির মানুষটি আছে। কিন্তু, তাকে সাজা দেয়ার সুযোগ নেই!!

অপরাধ অনেকটা রিকারিং ইভেন্টের মত। উপযুক্ত শাস্তির ব্যাবস্থা না করলে তা বারংবার ঘটতে থাকে, আগের চে' আরও ভয়ংকর রুপে।

বুধবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১১

জাফর ইকবাল ও বর্তমান তর্ক-বিতর্ক।


বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম


কৃপণ হিসেবে আমার একটা বদনাম আছে। ঢাকা ভার্সিটির ছাত্র থাকাবস্থায় সোবহানবাগ থেকে কার্জন হল অবধি সাইকেল চালিয়ে যেতাম বলে বন্ধুরা এ মর্মে নির্দোষ টিটকারি মারত যে আমি যেন সাইকেলের বদলে রিকশা চালিয়ে যাই; এতে আমার ভার্সিটি যাওয়ার খরচ তো বাঁচবেই সাথে দু’পয়সা কামাইও হবে। বিদ্রুপ বন্ধুত্বসুলভ হলেও দাগ কিন্তু মনে একটু কাটেই। এই আমি যখন মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের “তোমাদের প্রশ্ন আমার উত্তর”- পড়লাম তখন সেই সব দাগ মুছে অহংকারের আল্পনা আঁকলাম মনে – আমার ছোট বেলার হিরো সাইকেল চালিয়ে কার্জন হলে যেত, আমিও যাই – বড় হয়ে আমি নিশ্চয়ই তার মত হতে পারব! আমার এ হিরোভক্তি নিয়েও কথা শুনতে হয়েছে – আমরা নাকি জাফর ইকবাল জেনারেশন – তার মত লেখার চেষ্টা করি, তার মত করে কথা বলি। কথাটা সত্য বিধায় খারাপ লাগলেও আপত্তি করিনি।

আমার হিরোর অবস্থান থেকে জাফর ইকবাল স্যারের পতন শুরু হয় একটা সাক্ষাতকার পড়ার পর থেকে। তিনি এক প্রশ্নের উত্তরে বললেন “মানুষের উৎপত্তি ক্রমবিবর্তন থেকে তা মাধ্যাকর্ষণ শক্তির মত ধ্রুব সত্য” লেব্বাবা! আমি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র হিসেবে ক্রমবিবর্তন নিয়ে অনেক ঘাটাঘাটি করেও তো কোন বড় মাপের বিজ্ঞানীকে নিঃসন্দেহ প্রমাণ দিতে দেখলাম না। এরপর স্যারের আরো সব আচরণে খটকা বাড়তেই থাকল। উনাকে মেইল করলাম – স্যার, আমি অধম আপনার বড় ভক্ত। আমার কটা প্রশ্নের উত্তর দেবেন দয়া করে –
১. আপনি কি আল্লাহকে একমাত্র উপাস্য হিসেবে বিশ্বাস করেন?
২. মুহাম্মদ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আল্লাহর প্রেরিত রসুল হিসেবে বিশ্বাস করেন?
৩. পরকালে সব কিছুর হিসাব নিকেশ হবে এটা মানেন?

শুক্রবার, ১১ নভেম্বর, ২০১১

`হ্যালো ডার্লিং’র পর এবার `হাম তুম শাবানা’য় বাংলাদেশকে অবমাননা



মুভি প্রেমিক হিসেবে বন্ধুমহলে বন্ধু রাকিবের  বেশ বদনাম আছে। সুনাম না বলে বদনাম বলার কারণ হচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা মুভি দেখার কারণে রাকিব প্রায়ই রাত জাগে এবং অনেক জরুরি কাজের কথা ভুলে যায়। রাকিবের সাথে মুভি দেখা নিয়ে প্রায় রাগারাগি করলেও এই রাকিবই বন্ধু মহলের সবার ভরসা। রাকিব যেকোনো মুভি দেখে নাম বলতে বললে আমরা বিনাবাক্যে দেখি। হিন্দি সিনেমার প্রতি গত ৫ বছর ধরে আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। তাই রাকিব আমাকে হিন্দি ছবির খবর দেয় না বললেই চললে। গত একবছরে রাকিব আমাকে যে তিনটি হিন্দী মুভির ডাউনলোড লিংক দিয়েছে তার মধ্যে দুটি মুভিতেই বাংলাদেশকে নিয়ে চরম আপত্তিজনক মন্তব্য করা হয়েছে।
কর্মক্ষেত্রে উপরস্থ বসদের কাছে তরুনীদের সেক্সুয়াল হ্যারেজমেন্টসহ কর্মজীবি তরুনীদের বস, এরকম বেশ কিছু ইস্যু নিয়ে নির্মিত মনোজ তেওয়ারীর `হ্যালো ডার্লিং` ছবিটিতে জঘন্যভাবে বাংলাদেশকে  উপস্থাপন করা হয়েছে। `হ্যালো ডার্লিং` ছবিতে প্রধান তিন নারী চরিত্র সেলিনা জেটলি, দিব্বিয়া দও, গুল ফানাগ তাদের বস জাভেদ জাফরির কাছে বিভিন্নভাবে সেক্সুয়াল হ্যারেজমেন্টের শিকার হয়ে প্রতিবাদী হয়ে উঠে। সেলিনা জেটলি জাভেদ জাফরীর জন্য কফি বানাতে গিয়ে ভুলে র‌্যাট কিলার মিশিয়ে দেয়। চেয়ার থেকে পড়ে জাভেদ জাফরি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। কিন্তু প্রধান তিন নারী চরিত্র হাসপাতালে গিয়ে অন্য একটি লাশকে জাভেদ জাফরি ভেবে মনে করে কফি খেয়ে জাভেদ জাফরির মৃত্য হয়েছে। তাই লাশটি তারা বের করে আনে হাসপাতাল থেকে। এই দৃশ্য মোবাইল ক্যামেরায় ধারণ করে জাভেদ জাফরি প্রধান তিন নারী চরিত্রকে ব্ল্যাকমেইল করে বিছানায় নিয়ে যাওয়ার প্ল্যান করে। ছবির শেষে এসে সব ফাঁস হয়ে যায় আগমন ঘটে কোম্পানির মালিক সানি দেওলের। তিনি জাভেদ জাফরির উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমাদের কোম্পানির একটি অফিস বাংলাদেশে আছে এবং ওখানে তোমার মত লম্পট, দুশ্চরিত্র বসের প্রয়োজন’।

বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০১১

ক্ষমা করার অধিকার কি রাষ্ট্রপতির আছে?

ক্ষমা প্রদর্শনের মাধ্যমে দূর্জ্জনকে সজ্জনে রুপান্তরিত করার উদাহরণ পৃথিবীতে বিরল নয়। বরং, ইতিহাসের পাতায় চোখ বুলালে এজাতীয় ঘটনা হামেশাই দেখতে পাওয়া যাবে। অপরাধী নিজ কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনায় দগ্ধ হয়ে ক্ষমা ভিক্ষা করলে আল্লাহও তাকে ক্ষমা প্রদর্শন করেন। ক্ষমা প্রদর্শন এমনই এক মহৎ গুন যা সমাজ হতে সকল অন্যায় ও অনাচার দূর করতে পারে। তবে, ঢালাওভাবে ক্ষমা প্রদর্শন করা হলে তা কি সমাজের জন্য আদৌ কল্যাণকর? যে সকল অপরাধীর কোন অনুশোচনা থাকেনা, ভুল শুধরে আলোর পথে আসার ঐকান্তিক ইচ্ছা থাকেনা, যে সকল অপরাধী অপরাধ করার পর উল্লাসে ফেটে পড়ে, সেই সকল ঘৃণ্য অপরাধীকে ক্ষমা করলে তা কি সমাজের জন্য কল্যাণকর হয়? দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির বিধানও কি সুস্থ সমাজ বিনির্মানের জন্য অত্যাবশ্যক নয়?

রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০১১

ভিকারুন্নেসার ঘটনা ও মিডিয়ার এসিড টেস্ট।

ভিকারুন্নেসা'র ঘটনা নতুন করে তুলে ধরার প্রয়োজন নেই। বরং এ সম্পর্কে জানেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। দেশের প্রতিটি মানুষই ঘৃণা আর ধিক্কার প্রকাশ করছে। ক্ষোভে ফেটে পড়েছে পুরো দেশবাসী। এমন ঘৃণ্য অপরাধীর শাস্তি কাম্য আপামর জনতার।

তবে ভিকারুন্নেসার এই সাম্প্রতিক ঘটনাটি আমাদের বিবেকের এসিড-টেষ্টের মত হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুরো দেশবাসী যখন অপরাধীর সাজা দেওয়ার দাবী জানাচ্ছে, তখন কিছু কিছু মিডিয়া আর কতিপয় সুশীল ব্যক্তির অপরাধীর পক্ষ নেওয়ার ঘটনা দেশবাসীকে হতবাক করেছে, করেছে বাকরুদ্ধ। ভিকারুন্নেসার এই ঘটনা মুখোশ খুলে দিয়েছে সুশীল নামধারী, মানবতার ধ্বজাধারী এই সকল ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের। কেউ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আবার কেউবা চুপ থেকে মুলতঃ অপরাধীর পক্ষাবলম্বন করছেন।

বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

হেনার মৃত্যু আর ফ্রী-সেক্সের দূর্ভিসন্ধি।

হেনাকে নিয়ে জল কম ঘোলা হলো না। ব্লগে অন্তত এই বিষয়ে জাবর কাটা চলছে এখনো। একটা গ্রুপ দেখা যাচ্ছে হেনাকে নির্দোষ প্রমান করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। অথচ ব্যাপারটাকে সহজ সমীকরণে কেউ দাড় করাতে চাইছেনা। 

"হেনা নির্দোষ এই কারণে যে তার বয়স ছিলো মাত্র পনের বছর," এই হচ্ছে তাদের মত। আমি বলি, বাংলাদেশের জলাবায়ুর বিচারে যৌবনপ্রাপ্ত হতে একটা মেয়ের কত বছর বয়স লাগে? ১২/১৩ বছর বয়সেই একটা মেয়ে পূর্ণ যৌবনপ্রাপ্ত হয়ে যায়। এই বয়সেই তারা সবকিছু বুঝতে পারে। "১৮ বছর বয়স হলেও সে শিশু" এই ধরণের আইন করলেই অপরাধ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায়না।
এবার আসি বাস্তব প্রেক্ষাপটে। শহর থেকে গ্রাম, যেখানেই যাবেন একটু খোঁজ নিলেই দেখবেন নাইন/টেনের মেয়েরা চুটিয়ে প্রেম করে যাচ্ছে। নাইন/টেনের একটা মেয়ের বয়স সর্বোচ্চ কত হবে? ১৫ বা ১৬। কিন্তু এই বয়সেই তারা প্রেমের মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় একদিন শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়াটাও অস্বাভাবিক কিছু নয়।

এক্সট্রা ম্যারিটাল সেক্স অবশ্যই অপরাধ। আর তার জন্য যথাযথ শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। ১৫ বছরের যে মেয়ে নিজ ইচ্ছায় শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। তার অবশ্যই শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। তবে অবশ্যই, যেই ছেলে ঐ কাজে তাকে প্ররোচিত করে তারও দশগুন বেশি শাস্তি হওয়া আবশ্যক।

এবার আসি হেনার প্রসঙ্গে, ঐদিনের ঘটনার পরে বিচারের নামে হেনাকে নিয়ে যা হয়েছে তা রীতিমত ভয়ংকর। এহেন বর্বর কান্ড এ যুগে ঘটতে পারে তা ভাবতেও গা শিউরে ওঠে।

তবে, পাশাপাশি এ ভাবতেও গা শিউরে ওঠে আলী-মাহমেদের মত লোকেরা কিভাবে "১৫ বছর বয়সী" এই বলে পরকীয়াকে উস্কে দিতে চায়। ধর্ষণ আর ঐচ্ছক শারীরিক সম্পর্ক যে এক নয় তা ভুলে গেলে তো ব্যাপারটা এই দাঁড়ায় যে, ১৮ বছরের মেয়ে ইচ্ছা করে এক্সট্রা ম্যারিটাল সেক্সে জড়ালে তা অপরাধ নয়। বাহ, ফ্রী-সেক্স চালু করার কী অদ্ভুত পন্থা!

মাহবুব নামের ঐ পাষন্ড অবশ্যই অপরাধী। তার যথাযথ শাস্তি দেয়া বাধ্যতামুলক। কিন্তু তাই বলে হেনাও নির্দোষী ছিলোনা। মাহাবুবের সাথে তার শারীরীক সম্পর্ক ছিলো হেনার সম্মতিতেই। আর এটাতে হেনাও অপরাধী। যদিও হেনার দূর্ভাগ্য এই যে সে অপরাধের তুলনায় অনেক বেশি শাস্তি পেয়েছে। তাই, বিচারক সহ মসজিদের ইমামদেরও শাস্তি দেওয়া প্রয়োজন।

কিন্তু, মাহমুদ সাহেবদের পোস্ট দেখে মনে হয় হেনা ছিলো সম্পূর্ণ নির্দোষ। অবশ্য প্রথম আলো গং দের মত মাহমুদ সাহেবরা যদি এদেশে ফ্রী-সেক্স চালু করতে চায়, তাহলে হেনার দোষ থাকার কথা নয়।

মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১০

অপ-সংস্কৃতির এই আক্রমন কে রুখবে?


‘থ্রেশোল্ড ভ্যালু’ বা ‘সহ্য ক্ষমতা’ নিয়ে আমি আগেও একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। সেখানে বলার চেষ্টা করেছিলাম কিভাবে ধীরে ধীরে অশ্লীল এবং অস্পৃশ্য বিষয়গুলোকে আপনার মনের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে আপনার কাছে সহনশীল করে তোলা হচ্ছে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা সামাজিকভাবে জায়গা দখলের পাশাপাশি আপনার মনের জায়গা দখলের যে প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিদেশী বেনিয়ার জাত, তার কয়েকটি নমুনা আমি সেখানে দেখানোর চেষ্টা করেছিলাম।