উদাস ভঙ্গিতে ডেস্কটপে ফেসবুকের হোমপেজ স্ক্রল করছে রুমিন। হঠাৎ পাশে রাখা ফোনটা বেজে উঠতেই হাতে নিয়ে কথা বলা শুরু করলো। কিছুক্ষণ কথা বলা শেষে আবারও ফেসবুকের হোমপেজে নজর দিলো সে। ফেসবুক ঈদানিং এ্যাড -এর আখড়া। কোনটা যে ফ্রেন্ডদের পোষ্ট আর কোনটা যে স্পন্সর্ড পেজের পোষ্ট বোঝা যায়না। এসব ভাবতে ভাবতে স্ক্রলিং চালিয়ে যায় রুমিন।
আন্দোলন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আন্দোলন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সোমবার, ১৬ আগস্ট, ২০২১
মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১১
সোনার বাংলাদেশ নিয়ে।
মডুরা ব্যাবস্থা না নিলে আমাকেই নিতে হবে।
সেই শুরু থেকেই আছি সোবা ব্লগের সাথে। প্রিয় সোনার বাংলাদেশ ব্লগ। সোনার বাংলাদেশ ব্লগ এত প্রিয় হবার কতগুলো কারণও রয়েছে। এর মধ্যে যে কারণটি সবিশেষ উল্লেখের দাবীদার তা হলো এর সুস্থ ব্লগিং। সেই শুরু থেকে এই ব্লগটার সাথে থেকেও আজ পর্যন্ত কখনো এর পরিবেশে সঙ্গে একে আপস করতে দেখিনি। বাহবা দিলে হয়তো তাই কমই দেয়া হয়ে যায়। এর পরে যার কথা উল্লেখযোগ্য তা হলো মডুদের কুইক রেস্পন্স। বিভিন্ন সময়ে ব্লগের পরিবেশ নিয়ে আমি কয়েকটা পোস্ট দিয়েছি এবং সত্য হল অনেকটা সাথে সাথেই আমি সেই সমস্ত বিষয়ের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহণসহ মডুদের জবাব পেয়েছি। পরবর্তীতে সঙ্গত কারণেই আমি সেই পোস্টগুলো ড্রাফট্ করে দিয়েছি। এই ব্লগটি সবথেকে প্রিয় হওয়ার পিছনে পরবর্তীতে আমি যে কারনটি উল্লেখ করবো তা হলো এ ফিচার। আর আজ একটা বিশেষ ফিচারই সবথেকে বড় যন্ত্রণার কারণ। যাত্রা শুরু করেই একটা ব্লগ একসাথে সকল সুযোগ দিতে পারেনা। পারেনি প্রিয় সোনার বাংলাদেশ ব্লগও। তবে অতি অল্প সময়ে যে বেশি পরিমান সেবা যুক্ত করেছে তা রীতিমত বিস্ময়কর।
প্রতিটা ফিচার যুক্ত হবার সাথে সাথেই নোটিশবোর্ডের মাধ্যমে তা অবগত হয়েছি। এরই ধারাবাহিকতার সর্বশেষ সংযোজন হলো মোবাইল ভার্সন। নিঃসন্দেহে এটি একটি যুগোপযগি সিদ্ধান্ত যা ব্লগিংকে আরও গতিময় করে তোলে। কিন্তু এই মোবাইল ভার্সন আমার জন্য এখন সবথেকে কাল হয়ে দাড়ালো। একটু বিস্তারিত বলি তাহলে আপনাদের সহজে বোধগম্য হবে।
ব্যাস্ততার কারণে দিনের বেশিরভাগ সময়ই আমি বাইরে থাকি। সকালে বেলা বের হয়ে বাসায় ফিরতে ফিরতে রাত প্রায় ৮/৯ টা বেজে যায়। কখনো কখনো ল্যাপটপ সাথে থাকলেও তা সকল সময় বের করে ব্রাউজ করা সম্ভব হয়না। বাংলা সাপোর্ট করা আমার নোকিয়া মোবাইলটি অনেকটা আশির্বাদ হয়ে গেলো। মোবাইল দিয়ে পোস্ট করা না গেলেও পড়তে কখনো সমস্যা হয়না। তাই বাইরে বা যেখানেই থাকিনা কেন, সোনার বাংলা থেকে দূরে আছি এমনটি কখনোই হয়না। হলফ করে বলতে পারি, ঘুমের সময় আর জরুরী কোন সময়ের কথা বাদ দিলে, সোনার বাংলাদেশ থেকে আমি কখনো এক ঘন্টার বেশি দূরে থাকিনি। ব্লগ থেক বের হয়ে ৩০/৪০ মিনিট পার হয়ে গেলেই মনটা আকু-পাকু করতে থাকে- এই বুঝি কোন পোস্ট মিস করে ফেললাম! মোবাইল টা সবচেয়ে বেশি উপকারী মনে হয় যখন বিদ্যুৎ থাকেনা। বিদ্যুৎ যেতে সময় লাগে কিন্তু আমার ব্লগে ঢুকতে সময় লাগে না।
এবারে সমস্যার কথাটা বলি। এতদিন সোনার বাংলাদেশের মোবাইল ভার্সন ছিলোনা। তাই প্রায় সকল সুবিধা মোবাইল থেকেও পেয়েছি। যেমনঃ রেটিং দেওয়া, কোন পোস্টকে খুব বেশি দরকারী মনে হলে প্রিয়তে নেওয়া, যখন তখন নিজের কোন পোস্ট পড়তে পারা ইত্যাদি। আরও অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ সুবিধার কথা এই মুহুর্তে মনে করতে পারছিনা। ও হ্যাঁ, একটা মনে পড়েছে, পোস্টের বা মন্তব্যের মধ্যে কোন প্রয়োজনীয় লিংক থাকলে সহজেই সেখানে ঢুকতে পারা।
মোবাইল ভার্সন চালু হওয়ার পরে উপরোক্ত সকল সুবিধায়ই আমি হারিয়েছি। এখন মোবাইল দিয়ে নিয়মিত ঢুকতে পারলেও মনে হয় সোনার বাংলাদেশের সাথে সংযুক্তি হারিয়েছি। লিংকে ঢুকতে পারিনা। প্রয়োজনীয় পোস্ট প্রিয়তে নিতে পারিনা। উফ! মডুগন, হয় মোবাইল টেমপ্লেটকে আপডেট করুন, নচেৎ, আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যান। আমি কিন্তু ক্ষিপ্ত হয়ে যাচ্ছি।
বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০১০
সাম্প্রতিক ঘটনাবলী ও বিক্ষিপ্ত ভাবনা।
সাম্প্রতিক ঘটনাবলী ও বিক্ষিপ্ত ভাবনা।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলন কতটা সফল হবে তা’ নিয়ে এই মুহুর্তে খুব শক্ত একটা অনুমান দাড় করাতে পারছিনা। ইতিমধ্যেই খুলনা’র বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে একাত্মতা ঘোষনা করেছে। দিন দিন এই আন্দোলন বেগবান হচ্ছে। অন্যায়ভাবে বহিস্কারাদেশ দেওয়ার প্রতিবাদে ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলন যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত ও বাস্তবসম্মত।
কিছুদিন আগেও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পলিটিক্স নেই বলে খানিকটা গর্ববোধ করতাম। স্টুডেন্ট-পলিটিক্স নামক এই ভয়াল কালো থাবাটি গ্রাস করতে পারেনি বলেই হয়তো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছি। সুদীর্ঘ চার বছরের ক্যাম্পাস লাইফে কখনো মারামারি হয়ে ক্যাম্পাস বন্ধ হয়ে যায়নি বলে এক ধরণের আত্মতুষ্টিতে ভুগেছি। হঠাৎ করেই আগ্নেয়াস্ত্রের গোলাগুলিতে একজন ছাত্রের অকাল মৃত্যুতে কখনো শোক করতে হয়নি আমাদের। সম্পূর্ণ নির্ঝঞ্জাট চারটি বছরই (হ্যাঁ, চার বছরের একটি দিনও বেশি নয়) পার করেছি আমরা। কিন্তু কখনো কি ভেবেছি স্টুডেন্ট-পলিটিক্স নামক এই ভয়াল কালো থাবাটি না থাকার ফলে এর থেকেও বড় কালো থাবার মুখোমুখি হতে চলেছে আমাদেরই জুনিয়র কিছু ছাত্র-ছাত্রীরা?
আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট-পলিটিক্স নেই; কিন্তু আছে টিচার-পলিটিক্স, টিচার’স এসোসিয়েশান। যেখানে স্টুডেন্ট-পলিটিক্স থাকেনা সেখানে কি করে টিচার-পলিটিক্স বিদ্যমান? এই টিচার-পলিটিক্স- এর কথায়ই বলছি। স্টুডেন্ট-পলিটিক্স থেকেও ভয়াল আর নোংরা এই টিচার-পলিটিক্স। এই টিচার-পলিটিক্স -এর কারণেই নিরপরাধ হয়েও বিভিন্ন মেয়াদের সাজা পেতে হলো যৌক্তিক দাবীতে আন্দোলন করা কিছু ছাত্র-ছাত্রীদের; কিছু কিছু ছাত্রের জীবন প্রদীপ একেবারেই নিভিয়ে দেওয়া হলো। আর এই মহান দায়িত্বটি পালন করেছেন আমাদের মহান দেশের জাতি গড়ার কারিগর মহান শিক্ষকেরা। শিক্ষকেরা নাকি জাতির বিবেক। তো, এই জাতির বিবেক শিক্ষকদের কি একটিবারের জন্যও বিবেক জাগ্রত হয়না?
ক্লাসমেটদের বাদ দিয়ে ক্লাসে যেতে রাজি নয় ছাত্র-ছাত্রীরা। তাই এখন তারা আন্দোলন করছে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের বহিষ্কারাদেশ বাতিলের দাবীতে; পালন করছে আমরণ অনশন কর্মসূচী। কিন্তু এতেও কি জাগ্রত হবে জাতির বিবেক এই মহান শিক্ষকদের বিবেক? হবে বলে তো মনে হয়না। আজ পঞ্চম দিন হতে চললো। কই, কোন শিক্ষকে তো এখনো দেখা গেলনা ছাত্র-ছাত্রীদের দাবীর সমর্থনে দু’টি কথা বলতে? উনারা কথা বলবেন কি করে? উনারা যে স্থানীয় পাতি নেতা সহ আওয়ামীনেতাদের সন্তুষ্ট করার জন্যই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী (শিক্ষাদানের মহান দায়িত্ব নয়) নিয়েছেন।
সবশেষে একটি ব্যাক্তিগত শ্লেষ দিয়েই লেখাটি শেষ করি। কারো জন্য গর্ত খুড়ে রাখলে সেই গর্তে নিজেকে পড়তে হয়—এ অনেক পুরোন কথা। কিন্তু বাস্তব সত্য হলো, তা সবসময় সত্য হয়েই দেখা দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন নিজের ডিসিপ্লিনের একটি অনুষ্ঠান-সঞ্চালনার দায়িত্ব পেয়েছিলাম। ‘আ’ আদ্যক্ষরের একজন জুনিয়র ছাত্র ও তার ব্যাচের কিছু ছাত্র-ছাত্রী, আমাকে হেয় করার জন্য, সেই অনুষ্ঠানের পদে পদে বিপত্তি সৃষ্টি করার সবধরণের প্রচেষ্টাই চালিয়েছিলো। সব থেকে মজার ব্যাপার হলো, তারা কিছু দায়িত্ব নিয়ে তা’ সঠিকভাবে পালন করেনি কিন্তু তার দায়ভার চাপাতে চেয়েছিলো আমার উপর। আমার নামে মোটামুটি যত রকমের কুৎসা রটানো সম্ভব তা’ রটিয়েছিলো। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় ষড়যন্ত্রকারীদের সব প্রচেষ্টা ব্যার্থতায় পর্যবসিত হয়েছিলো। এর জন্য আমি স্মরণ করি অন্যান্য আরো কিছু জুনিয়র ছাত্র-ছাত্রীদের। যাইহোক, যাদের বোঝা দরকার, তারা কিন্তু ঠিকই আমার পরিশ্রমটা বুঝতে পেরেছিলো। আমি ঠিকই বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত চার বছরের একটি দিনও বেশি ব্যয় না করে বের হয়ে এসেছি। বের হতে পারেনি সেই ‘আ’ আদ্যক্ষরের ছাত্রটি এবং তার কিছু সাগরেদ। দুই বছরের বহিষ্কার যে বড়ই যন্ত্রনার! গর্তটা যে তার নিজেরই খোড়া!
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলন কতটা সফল হবে তা’ নিয়ে এই মুহুর্তে খুব শক্ত একটা অনুমান দাড় করাতে পারছিনা। ইতিমধ্যেই খুলনা’র বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে একাত্মতা ঘোষনা করেছে। দিন দিন এই আন্দোলন বেগবান হচ্ছে। অন্যায়ভাবে বহিস্কারাদেশ দেওয়ার প্রতিবাদে ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলন যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত ও বাস্তবসম্মত।
কিছুদিন আগেও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পলিটিক্স নেই বলে খানিকটা গর্ববোধ করতাম। স্টুডেন্ট-পলিটিক্স নামক এই ভয়াল কালো থাবাটি গ্রাস করতে পারেনি বলেই হয়তো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছি। সুদীর্ঘ চার বছরের ক্যাম্পাস লাইফে কখনো মারামারি হয়ে ক্যাম্পাস বন্ধ হয়ে যায়নি বলে এক ধরণের আত্মতুষ্টিতে ভুগেছি। হঠাৎ করেই আগ্নেয়াস্ত্রের গোলাগুলিতে একজন ছাত্রের অকাল মৃত্যুতে কখনো শোক করতে হয়নি আমাদের। সম্পূর্ণ নির্ঝঞ্জাট চারটি বছরই (হ্যাঁ, চার বছরের একটি দিনও বেশি নয়) পার করেছি আমরা। কিন্তু কখনো কি ভেবেছি স্টুডেন্ট-পলিটিক্স নামক এই ভয়াল কালো থাবাটি না থাকার ফলে এর থেকেও বড় কালো থাবার মুখোমুখি হতে চলেছে আমাদেরই জুনিয়র কিছু ছাত্র-ছাত্রীরা?
আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট-পলিটিক্স নেই; কিন্তু আছে টিচার-পলিটিক্স, টিচার’স এসোসিয়েশান। যেখানে স্টুডেন্ট-পলিটিক্স থাকেনা সেখানে কি করে টিচার-পলিটিক্স বিদ্যমান? এই টিচার-পলিটিক্স- এর কথায়ই বলছি। স্টুডেন্ট-পলিটিক্স থেকেও ভয়াল আর নোংরা এই টিচার-পলিটিক্স। এই টিচার-পলিটিক্স -এর কারণেই নিরপরাধ হয়েও বিভিন্ন মেয়াদের সাজা পেতে হলো যৌক্তিক দাবীতে আন্দোলন করা কিছু ছাত্র-ছাত্রীদের; কিছু কিছু ছাত্রের জীবন প্রদীপ একেবারেই নিভিয়ে দেওয়া হলো। আর এই মহান দায়িত্বটি পালন করেছেন আমাদের মহান দেশের জাতি গড়ার কারিগর মহান শিক্ষকেরা। শিক্ষকেরা নাকি জাতির বিবেক। তো, এই জাতির বিবেক শিক্ষকদের কি একটিবারের জন্যও বিবেক জাগ্রত হয়না?
ক্লাসমেটদের বাদ দিয়ে ক্লাসে যেতে রাজি নয় ছাত্র-ছাত্রীরা। তাই এখন তারা আন্দোলন করছে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের বহিষ্কারাদেশ বাতিলের দাবীতে; পালন করছে আমরণ অনশন কর্মসূচী। কিন্তু এতেও কি জাগ্রত হবে জাতির বিবেক এই মহান শিক্ষকদের বিবেক? হবে বলে তো মনে হয়না। আজ পঞ্চম দিন হতে চললো। কই, কোন শিক্ষকে তো এখনো দেখা গেলনা ছাত্র-ছাত্রীদের দাবীর সমর্থনে দু’টি কথা বলতে? উনারা কথা বলবেন কি করে? উনারা যে স্থানীয় পাতি নেতা সহ আওয়ামীনেতাদের সন্তুষ্ট করার জন্যই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী (শিক্ষাদানের মহান দায়িত্ব নয়) নিয়েছেন।
সবশেষে একটি ব্যাক্তিগত শ্লেষ দিয়েই লেখাটি শেষ করি। কারো জন্য গর্ত খুড়ে রাখলে সেই গর্তে নিজেকে পড়তে হয়—এ অনেক পুরোন কথা। কিন্তু বাস্তব সত্য হলো, তা সবসময় সত্য হয়েই দেখা দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন নিজের ডিসিপ্লিনের একটি অনুষ্ঠান-সঞ্চালনার দায়িত্ব পেয়েছিলাম। ‘আ’ আদ্যক্ষরের একজন জুনিয়র ছাত্র ও তার ব্যাচের কিছু ছাত্র-ছাত্রী, আমাকে হেয় করার জন্য, সেই অনুষ্ঠানের পদে পদে বিপত্তি সৃষ্টি করার সবধরণের প্রচেষ্টাই চালিয়েছিলো। সব থেকে মজার ব্যাপার হলো, তারা কিছু দায়িত্ব নিয়ে তা’ সঠিকভাবে পালন করেনি কিন্তু তার দায়ভার চাপাতে চেয়েছিলো আমার উপর। আমার নামে মোটামুটি যত রকমের কুৎসা রটানো সম্ভব তা’ রটিয়েছিলো। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় ষড়যন্ত্রকারীদের সব প্রচেষ্টা ব্যার্থতায় পর্যবসিত হয়েছিলো। এর জন্য আমি স্মরণ করি অন্যান্য আরো কিছু জুনিয়র ছাত্র-ছাত্রীদের। যাইহোক, যাদের বোঝা দরকার, তারা কিন্তু ঠিকই আমার পরিশ্রমটা বুঝতে পেরেছিলো। আমি ঠিকই বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত চার বছরের একটি দিনও বেশি ব্যয় না করে বের হয়ে এসেছি। বের হতে পারেনি সেই ‘আ’ আদ্যক্ষরের ছাত্রটি এবং তার কিছু সাগরেদ। দুই বছরের বহিষ্কার যে বড়ই যন্ত্রনার! গর্তটা যে তার নিজেরই খোড়া!
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)