|| বাংলার নবাবের ওয়েবসাইটে স্বাগতম ||
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১১

এ এক আজব কারখানা!!!

এমন এক আজব দেশে বসবাস করি যেখানে সব সময় সব আজব আজব ঘটনা ঘটে। ঈদানীংকার পরিস্থিতি অবশ্য ভিন্ন। আজব ঘটনা গুলো প্রতিনিয়ত ঘটার ফলে সেগুলোকে এখন আর আজব বলে মনে হয় না। তারপরেও সেগুলো আজব। কিছুটা হাস্যরসের সৃষ্টি তো করছেই; মাঝে মাঝে তা ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। অনেক ক্ষেত্রে হন্তারকের ভুমিকায় আবির্ভুত হয় এই সব আজব ঘটনাসমুহ।

ঘটনাগুলো যদি এমন হতো যে তা কেবল ব্যাক্তি-সংশ্লিষ্ট, তাহলে হয়তো এত বেশি বলার দরকার ছিলোনা। কিন্তু সেগুলো এমন যে তা দেশ ও জাতীর স্বার্থসংশ্লিষ্টও বটে। দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট এই ঘটনাগুলোকে শুধু আজব বলার কারণে আপনার মনে হতে পারে যে আমি যেগুলোকে হালকা করার চেষ্টা করছি মাত্র। কিন্ত আজব না বলে উপায় আছে!!!

প্রথমেই আসি ভুমি সংশ্লিষ্ট একটি ঘটনার বিষয়ে। বেশ কয়েকদিন আগে আমি এক খন্ড জমি বিক্রয় করি এবং অন্য আরেক স্থানে আরেক খন্ড জমি ক্রয় করি। জীবনের প্রথম জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয়ে যা দেখলাম তা রীতিমত তাজ্জব বনে যাবার মত। একই জমি একাধিকবার বিক্রি হবার কথা আগে শুনেছি, এবার প্রত্যক্ষ করলাম তা’ কিভাবে সম্ভব। আমার মনে হলোঃ সরকারী ব্যাবস্থাটাই এই জঘন্য প্রতারণার কাজটিকে সহজ করে দেয়।

ধরুণ, আপনি এক খন্ড জমি বিক্রি করলেন। যিনি জমি ক্রয় করলেন তাঁর নামে একটা নতুন দলিল তৈরি করা হলো। পূর্বে থেকে থাকা আপনার দলিলটিও থাকলো এবং তা আপনার কাছেই থাকলো। স্বাভাবিকভাবে এটার অর্থ কি দাঁড়ালো? খুব সহজঃ একই বা একখন্ড জমির জন্য দু’জন ব্যাক্তির কাছে দুটো দলিল থাকলো। কনসিকিউয়েন্সটা খুব সহজেই অনুমেয়। আপনি জমিটি আবারও বিক্রি করার ইচ্ছা করবেন এবং করছেনও। আমার প্রশ্ন হলোঃ যিনি জমি বিক্রি করলেন, তিনি তো আর কোনভাবেই সেই জমির মালিক থাকছেননা; তাহলে, তার কাছে আর জমির দলিল থাকবে কেন? এ এক আজব কান্ড! বলতে পারেন পরবর্তী সময়ে রেফারেন্সের কথা। ভালো কথা, সেরকম কোন প্রয়োজন হলে পূর্বের দলিল তো গভর্ণমেন্ট সংরক্ষণ করতে পারে।

এবার আসি আরেকটা বিষয়ে। এটা অবশ্য এক যাত্রীর তাজ্জবের বিষয়। উনি ঈদের সময়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন। রাস্তায় তাকে কি পরিমান হ্যাসল্‌ সহ্য করতে হয়েছিলো তা সহজেই অনুমেয়। একটি টিভি চ্যানেল উনার সাক্ষাৎকার নিতে গেলে উনি এই বিস্ময়টি প্রকাশ করেন। উনার বিস্ময় হলোঃ বানিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান সপ্তাহে একদিন না খেয়ে থাকার কথা বললেন, অর্থমন্ত্রী আল্লার মাল আল মুহিত সপ্তাহে একদিন বাজারে না যেতে বললেন, তাহলে যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেন কেন বছরে এক ঈদে বাড়িতে না যেতে বললেন না?

শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ঘটনা এবারেরটি। উনি একজব শিক্ষক। একজন মহান শিক্ষক। আমি উনার ছাত্র ছিলাম। যাইহোক, কোন এক টার্মে একটি কোর্স পড়ানোর জন্য উনাকে এসাইন করা হলো। নির্ধারিত সময়ে আমরা অপেক্ষায় থাকলাম উনার ক্লাস করার জন্য। উনি আসলেননা। ভাবলাম, প্রথম দিন তো, উনি হয়তো ভুলে গেছেন। পরের দিন অপেক্ষার করলাম, উনি আসলেন না। এবং এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকলো। আমরা অপেক্ষা করি আর উনি আসেননা। টার্ম যখন শেষ হয়ে আসছিলো, আমরা তার ফোনে যোগাযোগ করে উনার সাথে দেখা করি। কারণ, আমাদের ক্লাস টেস্ট তো উনাকে নিতে হবে! এবার উনি যা বললেন, তা আসলেই এক তাজ্জবের বিষয়। উনি বললেনঃ “অফিসিয়াল কাজে আমি অনেক ব্যাস্ত, ক্লাস টেস্ট নিতে পারবোনা”। আমি অবাক হলামঃ যেহেতু উনি একজন শিক্ষক, ক্লাস ও পরীক্ষা নেওয়া ছাড়া উনার আর কি অফিসিয়াল ব্যাস্ততা থাকতে পারে? ঘটনা এখানেই শেষ নয়। কোন ক্লাস টেস্ট দেয়া ছাড়াই আমরা ঐ কোর্সের ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। আমি আজও অবাক লাগে, ঐ কোর্সের ক্লাস-টেস্টের নাম্বার তিনি কিভাবে এড-জাস্ট করেছিলেন?

শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১০

শিক্ষাসম্পর্কিত— কিন্তু শিরোনাম খুঁজে পাচ্ছি না।

শিক্ষাদান একটা আর্ট বা শিল্প। এই শিল্পটাকে যত শৈল্পিক করা যায় ততই এর স্বার্থকতা। অন্য যেকোন কার্যক্রম থেকে এটা ভিন্ন এই অর্থে যে এখানে শিক্ষক প্রত্যক্ষভাবে শিক্ষার্থীদের সাথে ভাব বিনিময়ের সুযোগ পান। খুব কম সংখ্যক প্রফেশানেই এই সুযোগটি রয়েছে। শিক্ষাদান তাই হওয়া চাই খুবই আদর্শিক আর উৎসাহব্যাঞ্জক। অন্যথায়, শিক্ষাদানের আসল উদ্দেশ্যটাই ব্যাহত হয়ে থাকে। শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর আগ্রহে দিন দিন ভাটা পড়লে শিক্ষাদানের প্রকৃত উদ্দেশ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথ বন্ধুর হয়ে যেতে পারে।

শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১০

মেঘ নিয়ে আলাপন - ছবি ব্লগ।


বাংলা সাহিত্যের আকাশে মেঘের আনাগোনা শরতের শুভ্র কাশফুলের মতই। কখনো তা শুভ্রতার প্রতীক, কখনোবা বিষন্ন মনের প্রতিচ্ছবি। আবার কখনোবা প্রেমিক মনের পরমোচ্ছাসের তীব্র বহিঃপ্রকাশের মাধ্যম এই মেঘ। আকাশে এদের বৈচিত্রময় উপস্থিতিই জানান দেয়, এরা কত উপায়ে আমাদের মনের মাঝে ভাবের বাহন হয়ে দেখা দিতে পারে। তাই কেবল সাহিত্যিক মনের মাঝেই নয়, ভাবহীন মনের মাঝেও একটু রসবোধ জাগ্রত করতে জুড়ি নেই এই কখনো-শুভ্র-কখনো-ঘন-কালো বারি-সঞ্চারীর।


From Cloudy Sky


বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০১০

সাম্প্রতিক ঘটনাবলী ও বিক্ষিপ্ত ভাবনা।

সাম্প্রতিক ঘটনাবলী ও বিক্ষিপ্ত ভাবনা।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলন কতটা সফল হবে তা’ নিয়ে এই মুহুর্তে খুব শক্ত একটা অনুমান দাড় করাতে পারছিনা। ইতিমধ্যেই খুলনা’র বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে একাত্মতা ঘোষনা করেছে। দিন দিন এই আন্দোলন বেগবান হচ্ছে। অন্যায়ভাবে বহিস্কারাদেশ দেওয়ার প্রতিবাদে ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলন যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত ও বাস্তবসম্মত।

কিছুদিন আগেও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পলিটিক্স নেই বলে খানিকটা গর্ববোধ করতাম। স্টুডেন্ট-পলিটিক্স নামক এই ভয়াল কালো থাবাটি গ্রাস করতে পারেনি বলেই হয়তো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছি। সুদীর্ঘ চার বছরের ক্যাম্পাস লাইফে কখনো মারামারি হয়ে ক্যাম্পাস বন্ধ হয়ে যায়নি বলে এক ধরণের আত্মতুষ্টিতে ভুগেছি। হঠাৎ করেই আগ্নেয়াস্ত্রের গোলাগুলিতে একজন ছাত্রের অকাল মৃত্যুতে কখনো শোক করতে হয়নি আমাদের। সম্পূর্ণ নির্ঝঞ্জাট চারটি বছরই (হ্যাঁ, চার বছরের একটি দিনও বেশি নয়) পার করেছি আমরা। কিন্তু কখনো কি ভেবেছি স্টুডেন্ট-পলিটিক্স নামক এই ভয়াল কালো থাবাটি না থাকার ফলে এর থেকেও বড় কালো থাবার মুখোমুখি হতে চলেছে আমাদেরই জুনিয়র কিছু ছাত্র-ছাত্রীরা?

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট-পলিটিক্স নেই; কিন্তু আছে টিচার-পলিটিক্স, টিচার’স এসোসিয়েশান। যেখানে স্টুডেন্ট-পলিটিক্স থাকেনা সেখানে কি করে টিচার-পলিটিক্স বিদ্যমান? এই টিচার-পলিটিক্স- এর কথায়ই বলছি। স্টুডেন্ট-পলিটিক্স থেকেও ভয়াল আর নোংরা এই টিচার-পলিটিক্স। এই টিচার-পলিটিক্স -এর কারণেই নিরপরাধ হয়েও বিভিন্ন মেয়াদের সাজা পেতে হলো যৌক্তিক দাবীতে আন্দোলন করা কিছু ছাত্র-ছাত্রীদের; কিছু কিছু ছাত্রের জীবন প্রদীপ একেবারেই নিভিয়ে দেওয়া হলো। আর এই মহান দায়িত্বটি পালন করেছেন আমাদের মহান দেশের জাতি গড়ার কারিগর মহান শিক্ষকেরা। শিক্ষকেরা নাকি জাতির বিবেক। তো, এই জাতির বিবেক শিক্ষকদের কি একটিবারের জন্যও বিবেক জাগ্রত হয়না?

ক্লাসমেটদের বাদ দিয়ে ক্লাসে যেতে রাজি নয় ছাত্র-ছাত্রীরা। তাই এখন তারা আন্দোলন করছে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের বহিষ্কারাদেশ বাতিলের দাবীতে; পালন করছে আমরণ অনশন কর্মসূচী। কিন্তু এতেও কি জাগ্রত হবে জাতির বিবেক এই মহান শিক্ষকদের বিবেক? হবে বলে তো মনে হয়না। আজ পঞ্চম দিন হতে চললো। কই, কোন শিক্ষকে তো এখনো দেখা গেলনা ছাত্র-ছাত্রীদের দাবীর সমর্থনে দু’টি কথা বলতে? উনারা কথা বলবেন কি করে? উনারা যে স্থানীয় পাতি নেতা সহ আওয়ামীনেতাদের সন্তুষ্ট করার জন্যই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী (শিক্ষাদানের মহান দায়িত্ব নয়) নিয়েছেন।

সবশেষে একটি ব্যাক্তিগত শ্লেষ দিয়েই লেখাটি শেষ করি। কারো জন্য গর্ত খুড়ে রাখলে সেই গর্তে নিজেকে পড়তে হয়—এ অনেক পুরোন কথা। কিন্তু বাস্তব সত্য হলো, তা সবসময় সত্য হয়েই দেখা দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন নিজের ডিসিপ্লিনের একটি অনুষ্ঠান-সঞ্চালনার দায়িত্ব পেয়েছিলাম। ‘আ’ আদ্যক্ষরের একজন জুনিয়র ছাত্র ও তার ব্যাচের কিছু ছাত্র-ছাত্রী, আমাকে হেয় করার জন্য, সেই অনুষ্ঠানের পদে পদে বিপত্তি সৃষ্টি করার সবধরণের প্রচেষ্টাই চালিয়েছিলো। সব থেকে মজার ব্যাপার হলো, তারা কিছু দায়িত্ব নিয়ে তা’ সঠিকভাবে পালন করেনি কিন্তু তার দায়ভার চাপাতে চেয়েছিলো আমার উপর। আমার নামে মোটামুটি যত রকমের কুৎসা রটানো সম্ভব তা’ রটিয়েছিলো। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় ষড়যন্ত্রকারীদের সব প্রচেষ্টা ব্যার্থতায় পর্যবসিত হয়েছিলো। এর জন্য আমি স্মরণ করি অন্যান্য আরো কিছু জুনিয়র ছাত্র-ছাত্রীদের। যাইহোক, যাদের বোঝা দরকার, তারা কিন্তু ঠিকই আমার পরিশ্রমটা বুঝতে পেরেছিলো। আমি ঠিকই বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত চার বছরের একটি দিনও বেশি ব্যয় না করে বের হয়ে এসেছি। বের হতে পারেনি সেই ‘আ’ আদ্যক্ষরের ছাত্রটি এবং তার কিছু সাগরেদ। দুই বছরের বহিষ্কার যে বড়ই যন্ত্রনার! গর্তটা যে তার নিজেরই খোড়া!

শুক্রবার, ২১ মে, ২০১০

রি-ইউনিয়ন এবং দশ বছর পুর্তি অনুষ্ঠান

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশান শেষ করার পরে এই কয়দিন বেশ আনন্দের সাথেই কাটছে বলতে হবে। বলছি আমাদের রিইউনিয়ন (Reunion) এর কথা। এটা মুলত Reunion এবং প্রতিষ্ঠার দশ বছর পুর্তি অনুষ্ঠান। ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ডিসিপ্লিন এই ২০০৯ সালে এসে দশ বছর পূরণ করলো। দশ বছর পুর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বই ছিলো অসামান্য এবং কিংবদন্তিতুল্য। সকালে র্যা লী করার মধ্য দিয়ে সুচনা হয় অনুষ্ঠানের। এরপর শুরু হয় Formal Session. এই সেশন শেষ হতেই প্রায় দুপুর গড়িয়ে যায়।

তারপর শুরু হয় বহুল প্রতীক্ষিত কালচারাল প্রোগ্রাম। অদ্ভুত সুন্দর এক বিকেল ছিলো এটি। সুর্যের ঠিকরে পড়া স্নিগ্ধ আলো সেই অনন্য সুন্দর বিকেলটাকে যেন শত সহস্র মাত্রায় মহিমান্বিত করেছিলো। ঘনায়মান সায়াহ্নে সুরেলা আবেশে মাতোয়ারা হয়েছিলো উপস্থিত ইংরেজি ডিসিপ্লিনের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীরা। সুরের ঐকতান ক্যাম্পাসের সর্বত্র কানায় কানায় ভরিয়ে তারপর ছড়িয়ে পড়েছিলো হৃদয়তন্ত্রীতে। গ্রীক ও রোমান পৌরাণিক কাহিনীর পটভুমিতে দাঁড়িয়ে বর্তমান বিশ্বব্যাবস্থা ও এর সংকীর্ণ পুজিবাদী স্বার্থান্বেষী মহলকে উপহাস করে মঞ্চায়িত নাটকটি যেমন মন কেড়ে নিয়েছিলো সকল দর্শকের, তেমনি তাদের সামনে তুলে ধরেছিলো ভাবনার এক নব দিগন্ত। সময়ের সান্ধ্য প্রসাধন ততক্ষণে শেষ হয়ে এসেছিলো। রাতের তীব্র অন্ধকারে ছেয়ে আসছিলো চারিদিক। তবে মঞ্চের আলো কেবল নয়, পারফর্মারদের চোখ ধাধানো পারফর্ম্যান্স রুখে দিয়েছিলো সেই অন্ধকারকে। একে একে মঞ্চে এসেছিলো রীতি ও শোভনের নৃত্য, সালামের পুঁথি এবং সোনিয়ার ‘কাজরা রে’ গানের সাথে নাচ ও আরো অনেক অনেক প্রিয় গান। দর্শকে দর্শকে পূর্ণ তখন শহীদ মীনারের সম্মুখভাগ। মঞ্চে পারফর্মারদেরপারফর্ম্যান্স, উদ্বেলিত দর্শকের করতালি ও অংশগ্রহণ সৃষ্টি করেছিলো এক নব দ্যোতনার, প্রত্যয়ের। সোনিয়া’র ‘কাজরা রে’ এর কথা উল্লেখ না করলেই নয়। এটা ছিলো বিস্ময়কর, দৃষ্টিনন্দিত, অনুপম এবং অদ্বিতীয়-- এক শ্বাসরুদ্ধকর জমজমাট সাবলীল ও সাহসী ভঙ্গীমা। .............. এভাবে নাচ, গান আর হৈ হুল্লোড়ের মধ্য দিয়ে আমরা উদযাপন করলাম আমাদের ডিসিপ্লিনের প্রথম Reunion এবং দশ বছর পুর্তি অনুষ্ঠান। এ যেন শুধু মাত্র মিলনমেলা নয়; অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যতকে একই মুকুরে দেখার অসামান্য হাতছানি।

যে বিষয়টি সবিশেষ উল্যেখযোগ্য তা হলো রিনো ভাই আর শিপলু ভাই এর উপস্থিতি। রিনো ভাইকে আগের থেকেই চিনতাম, শিপলু ভাই এর সাথে কথা বলে মনে হলো যেন কতদিনের পরিচয়, অথচ আগে কখনো কথা হয়নি উনার সাথে। এরকম উদাহরণ হয়তো অনেক দেয়া যাবে। মান্না ভাই, নওশাদ ভাই সহ আরও অনেকে যোগ দিতে পারেনি এই Reunion-এ। উনাদেরকে প্রচুর মিস করেছি। প্রজম্মের সাথে প্রজম্মের সেতু বন্ধনে এই আয়োজন তাই সাফল্যের স্বর্ণমুকুট দ্বারা শোভিত। সবশেষে এই পরিজ্ঞাত অনুভুতিতে হৃদয় পরিপূর্ণ হয়েছে যে আমরা আসলে একই সূত্রে গাঁথা, আমাদের সবারই একই নাড়ির টান—আমাদের ইংরেজি ডিসিপ্লিন।

মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০১০

ছাত্ররাজনীতি মুক্ত খুবিতে শিক্ষক রাজনীতি চরমে: ছাত্রদের উপর পুলিশি হামলা

ছাত্ররাজনীতি মুক্ত খুবিতে শিক্ষক রাজনীতি চরমে: ছাত্রদের উপর পুলিশি হামলা

অরাজনৈতিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত আমাদের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু রাজনৈতিক কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি। রাত ১টায় ঘোষণা করা হ'লো কাল ভোর সাড়ে ৬ টার মধ্যে খালি করে দিতে হবে সমস্ত হল। কারণটা চরমভাবে রাজনৈতিক। আমার শ্রদ্ধেয় (!!!) শিক্ষকেরা একজন বিশিষ্ট আওয়ামীলীগ নেতা ও প্রথম আলোর ফটো সাংবাদিক শাহ নেওয়াজকে রক্ষা ক'রতে ছাত্রদের উপর পুলিশ দিয়ে টিয়ার গ্যাস ছুড়েছেন। এতে আহত হয়ে বেশ কয়েকজন হাসপাতালে। ভাবতেই অবাক লাগে, এটা নাকি অরাজনৈতিক বিশ্ববিদ্যালয়!!! এখানে ছাত্র সংসদ না থাকলেও, মহান শিক্ষকদের জন্য রয়েছে অরাজনৈতিক (!!) শিক্ষক সমিতি।

ঘটনার একটু পিছনে ফেরা যাক। চার পাঁচ দিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী হলের পাশের ফ্লেক্সীলোড-এর দোকানে বাল্যান্স টপ-আপ করতে এসে দোকানীর সাথে কথা কাটাকাটি হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কি ’০৫-এর ছাত্র নাহিয়ানের। উল্লেখ্য, ফ্লেক্সীলোড-এর দোকানের মালিক সেই বিশিষ্ট আওয়ামীলীগ ক্যাডার ও প্রথম আলোর ফটো সাংবাদিক শাহ নেওয়াজ। ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিৎ ছিলেন এই দাপুটে (!) নেতা। ঘটনার এক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নাহিয়ানকে মারধর করেন ও মোটর সাইকেলযোগে তৎক্ষনাৎ পালিয়ে যান সেই মহান নেতা (!)। যিনি এলাকায় সন্ত্রাসী হিসেবেই পরিচিত। এই ঘটনার জের ধরেই তার (নেওয়াজ) বিরুদ্ধে গত ২৬ মার্চ মামলা করা হ'য়েছে।

গতকাল (এপ্রিল ৫, ২০১০) বিকেলে তিনি বেশ বুক ফুলিয়ে নিজের ক্ষমতা প্রদর্শন করার জন্য প্রথম আলো’র একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ক্যাম্পাসে আসেন এবং ছাত্র বিষয়ক পরিচালকের কক্ষে বসে নাস্তা করেন । ছাত্রদের প্রথম প্রশ্ন ছিলো, ক্যানো তাকে পুলিশ এখনো গ্রেফতার করেনি। এমতাবস্থায় খুব দ্রুতই পরিস্থিতির অবনতি হতে শুরু করে ক্যাম্পাসে। ইতিমধ্যেই খবর চলে যায় ছাত্র বিষয়ক পরিচালকের (DSA)-এর কানে। সাধারন ছাত্ররা ছাত্র বিষয়ক পরিচালকের কাছে দাবী করে যে, শাহ নেওয়াজ কে তার কৃত কর্মের জন্য জনসম্মুখে ক্ষমা চাইতে হবে। কিন্তু ছাত্র বিষয়ক পরিচালক বলেন যে, সেটা সম্ভব নয়, কারন সে ছাত্রলীগ নেতা ও প্রথম আলো’র ফটো সাংবাদিক। এদিকে সেই মহান নেতার ক্ষমা চাওয়া ও পুলিশ কর্ত্তৃক গ্রেফতারের দাবীতে প্রায় তিন শতাধিক সাধারণ ছাত্র অনড় অবস্থান নিতে শুরু করে। ছাত্ররা সংঘবদ্ধ হ'তে শুরু ক'রলেই ফোন ক'রে আনা হয় দাঙ্গা পুলিশ। উল্লেখ্য, সেই মহান নেতার সমর্থনে ততক্ষণে স্থানীয় আওয়ামী’ কর্মীরা ক্যাম্পাসে ভীড় জমাতে শুরু করে। ইতোমধ্যে দুই প্লাটুন দাংগা পুলিশ এসে উপস্থিত হয়। এক সময় কিছু বিক্ষুব্ধ ছাত্র (অনেকের মতে, স্থানীয় আওয়ামী কর্মীরা) ২নং ভবনের জানালার কাচ ভাঙচুর করে। তখনি পুলিশ ছাত্রদের উপর কাদুনে গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। অরাজনৈতিক ছাত্র হওয়ার সুবাদে খুব সহজেই টিয়ার গ্যাস মেরে কাবু করা সম্ভব খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের। ফলাফল- অনির্দিষ্ট কালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, হল ভ্যাকেন্ট। এই হল অরাজনৈতিক খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।

কয়েকটি প্রশ্ন-

১. অরাজনৈতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন নিরীহ ছাত্রকে মারধর করা হলো, মামলা হ'লো কিন্তু পুলিশ তাকে গ্রেফতার ক'রলো না ক্যানো?
২. সেই আওয়ামী নেতা ক্যাম্পাসে ঢোকে কোন ব্যাকআপে?
৩. আমাদের শিক্ষকদের কী স্বার্থ একজন আওয়ামী সন্ত্রাসীর জন্য কয়েক শত ছাত্রের উপর টিয়ার গ্যাস মারবার?
৪. মাত্র একজন সন্ত্রাসীর জন্য সাড়ে ৪ হাজার ছাত্রের ভবিষ্যত অনিশ্চিত ক্যানো?

প্রথম আলোর মিথ্যাচারঃ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রথম আলোর স্থানীয় আলোকচিত্রী শাহ নেওয়াজকে ধাওয়া করা এবং ক্যাম্পাস থেকে বের হতে না দেওয়ার জের ধরে ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছে। শিক্ষার্থীরা আজ সকাল সাড়ে ছয়টার মধ্যে হল ত্যাগ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। হলে বহিরাগতদের উপস্থিতি এবং এ ব্যাপারে সন্দেহজনক আচরণের কারণে পুলিশ হলের তত্ত্বাবধায়ক ও দুজন নিরাপত্তাকর্মীকে আটক করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রথম আলোর আলোকচিত্রী শাহ নেওয়াজ গত সোমবার বিকেলে বন্ধুসভার সহযোগিতায় আয়োজিত এইডস ও মাদকবিরোধী এক অনুষ্ঠানে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। পূর্ব ঘটনার জের ধরে এ সময় অনুষ্ঠানস্থল ২ নম্বর একাডেমিক ভবনের সামনে একদল ছাত্র তাঁকে ধাওয়া ও লাঞ্ছিত করেন। একপর্যায়ে শাহ নেওয়াজ শিক্ষকদের সহায়তায় ২ নম্বর একাডেমিক ভবনে আশ্রয় নেন। এরপর উত্তেজিত ছাত্ররা ওই ভবনের সামনে জড়ো হতে থাকেন এবং শাহ নেওয়াজকে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান। বিশ্বদ্যািলয়ের সহ-উপাচার্যসহ শিক্ষকেরা পরিস্থিতি শান্ত করতে চেষ্টা করেন। কিন্তু ছাত্ররা তাঁদের দাবিতে অনড় থাকেন। রাত ১২টা পর্যন্ত অচলাবস্থার একপর্যায়ে ছাত্ররা ২ নম্বর একাডেমি ভবনের দরজা ও জানালার কাচ ভাঙচুর করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢুকে কাঁদুনে গ্যাস ছুড়ে করে ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ছয় ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে শাহ নেওয়াজ মুক্ত হন। উত্তেজিত ছাত্ররা এ সময় ফিসারিজ বিভাগের ল্যাব, সার্লি ইসলাম লাইব্রেরি ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির জানালার কাচ ভাঙচুর করেন। পরে খানজাহান আলী হলে জড়ো হয়ে সেখানেও ভাঙচুর শুরু করা হয়। তাঁরা এ হলের নামফলক, সিকিউরিটি রুম, অতিথি কক্ষ ও অফিস কক্ষ ভাঙচুর করেন। তাঁরা অফিসের দরজা ভেঙে ভেতরের ফ্রিজ, ফ্যান ও কিছু মালামালও ভাঙচুর করেন।
গভীর রাতে উপাচার্য সাইফুদ্দিন শাহর সভাপতিত্বে সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা এবং শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সাধারণ ছাত্ররা আজ সকালেই হল ত্যাগ করেন। তবে খানজাহান আলী হলের সামনে সকাল সাড়ে ছয়টার পরও ছাত্রদের জটলা দেখা যায়। পরে পুলিশ ছাত্রদের হল ছাড়তে বাধ্য করে।

হলে বহিরাগতদের উপস্থিতি এবং এ ব্যাপারে সন্দেহজনক আচরণের অভিযোগে পুলিশ হলের তত্ত্বাবধায়ক ও অফিস সহকারী মোশারফ হোসেন, নিরাপত্তাকর্মী শেখ মো. আবদুল্লাহ ও জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করে।
প্রসঙ্গত, গত ২৫ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে একটি দোকানে তুচ্ছ ঘটনায় একজন ছাত্রের সঙ্গে শাহ নেওয়াজের বচসা হয়। পরে প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যস্থতায় বিষয়টির সুরাহা করা হয়।
শাহ নেওয়াজকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় খুলনা প্রেসক্লাব, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আজ বেলা ১১টায় প্রেসক্লাবে প্রতিবাদ সভা হয়। সভায় বক্তারা ন্যক্কারজনক এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি জানান। আজ বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় এ ঘটনা তদন্তে নয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। (সূত্রঃ এখানে)

স্থানীয় পত্রিকা পূর্বাঞ্চলের মিথ্যাচারঃ
ফটো সাংবাদিককে অবরুদ্ধ করে রাখাকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আজ মঙ্গলবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আজ ভোর সাড়ে ছ’টার মধ্যে হল ত্যাগ করতে বলা হয়েছে। গতকাল সোমবার মধ্যরাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডঃ সাইফুদ্দিন শাহ্রে সভাপতিত্বে সিন্ডিকেটের জরুরী এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গতকাল প্রথম আলোর নিজস্ব ফটো সাংবাদিক শাহনেওয়াজকে (২৮) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এক দল ছাত্র বিকেল ৫টায় অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় একাডেমিক ভবনে আটকে রাখে। ফটো সাংবাদিক শাহনেওয়াজ খুবির ক্যাম্পাসে প্রথম আলো বন্ধু সভার একটি অনুষ্ঠানে গতকাল সোমবার বিকেলে ছবি তুলতে যান। বিকেল ৫টায় অনুষ্ঠান থেকে অফিসে ফেরার পথে স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের কয়েকজন ছাত্রের উস্কানীতে ২০/২৫ জনের একদল ছাত্র তাকে অপহরণ করে ছাত্র হলে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে খুলনার কর্মরত সাংবাদিকরা

ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা ক্যাম্পাসের ভিতরে প্রবেশ করতে গেলে উচ্ছৃংখল ছাত্ররা সাংবাদিকদের ভিতরে প্রবেশ করতে দেয়নি। এসময় তারা সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এবিষয়ে সাংবাদিকরা খুবির ভিসির সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেন। সন্ধ্যা ৭টায় কয়েকজন শিক্ষক ফটো সাংবাদিক শাহনেওয়াজকে ছাত্রদের কবল থেকে উদ্ধার করে প্রশাসনিক ভবনের একটি কক্ষে নিয়ে যান। খবর পেয়ে উচ্ছৃংখল ছাত্ররা প্রশাসনিক ভবনে হামলা চালায় এবং শাহনেওয়াজকে তাদের কাছে দিয়ে দিতে বলে। পরবর্তীতে প্রো-ভিসি ডঃ পূর্ণেন্দু গাইনসহ অন্যান্য শিক্ষকরা ছাত্রদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। ছাত্ররা তাদের দাবিতে অনড় থাকায় রাত পৌনে একটায় দুই প্লাটুন দাঙ্গা পুলিশ ক্যাম্পাসের ভিতরে প্রবেশ করে। পুলিশ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে ছাত্ররা উত্তেজিত হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর করে। এসময় পুলিশ বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করতে প্রথমে লাঠিচার্জ এবং পরে কয়েক রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এমন পরিস্থিতিতে এক পর্যায়ে ফটো সাংবাদিক শাহনেওয়াজ নজর এড়িয়ে কোনমতে ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে সক্ষম হন। এঘটনায় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। (সূত্র)
[০৬.০৪.১০ -এ দৈনিক পুর্বাঞ্চল-এ প্রকাশিত।]

লেখাটিতে আরো যে সূত্র টি ব্যাবহৃত হয়েছে।

রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০০৯

ওয়েবসাইটে বাংলা লেখা ও বড় করে দেখার উপায়

English Version:
This post is for those who can’t see Bangla Fonts on websites including Facebook at all or who see those fonts so small that they can hardly be read.

First of all I would like to narrate the way how you can see Bangla fonts bigger than usual in any websites. For this, you have to download the font ‘Siyam Rupali’ from here. Then, you have to install the font in ‘Fonts’ in Control Panel of your system.

The next thing you have to do is to download a very small software named ‘Font Fixer’. To download this click here. After you have downloaded the software, open it and choose the font ‘Siyam Rupali’ from ‘Choose a font from the list’ and click ‘Fix it’. See the picture bellow:



At this stage, your system may take restart.

Now you are able to see the Bangla Fonts bigger in any websites including Facebook.



Now I will narrate how to write Bangla on any web page.

This is very simple and to do this click here and download the software ‘Avro Keyboard Portable Version’. With the help of this software you are able to write Bangla on any web page. After downloading you have to unzip it first to a new folder. You will under stand the rest easily. Then you are able to write Bangla on your desired web page.


Bangla Version:
এই পোস্ট টি তাদের জন্য যারা ফেসবুকসহ অন্যান্ন ওয়েবসাইটে বাংলা আদৌ দেখতে পারেননা অথবা পারলেও তা এত ক্ষুদ্র যে পড়তে পারেননা।

প্রথমত আমি এখানে বর্ণনা করবো আপনি কিভাবে বাংলা সাধারণের চেয়ে বড় দেখতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে Siyam Rupali ফন্টটি ডাউনলোড করতে হবে এখান থেকে। তারপর সেটি আপনার সিস্টেম এর Control Panel –এ Fonts- এর মধ্যে গিয়ে install করতে হবে।

তারপর যে কাজটি আপনাকে করতে হবে তা হলো একটি ক্ষুদ্র সফটওয়্যার ‘Font Fixer’ ডাউনলোড করা। এর জন্য আপনাকে এখানে ক্লিক করতে হবে। ডাউনলোড সম্পন্ন হলে এটি ওপেন করুন এবং ‘Choose a font from the list’ থেকে Siyam Rupali নির্বাচন করুন। এরপর fix it ক্লিক করে বের হয়ে আসুন। নিচের ছবিটি দেখুনঃ



এই পর্যায়ে আপনার সিস্টেমটি রিষ্টার্ট নিতে পারে।

এখন আপনি বাংলা ফন্ট বড় করে দেখার উপযুক্ত হলেন।


এই পর্যায়ে কিভাবে আপনি ওয়েবপেজে বাংলা লিখবেন তা বর্ণনা করা হবে।

এটা খুবই সিম্পল এবং এর জন্য এখানে ক্লিক করে ‘Avro Keyboard Portable Version’ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড সম্পন্ন হলে একটি নতুন ফোল্ডারে সেটিকে আনজিপ করে নিন। বাকি কাজটুকু আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। এই সফটওয়্যার এর সাহায্যে আপনি খুব সহজেই ফেসবুক সহ যেকোন ওয়েবসাইটে বাংলা লিখতে সক্ষম হবেন।