|| বাংলার নবাবের ওয়েবসাইটে স্বাগতম ||
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।
মন খারাপ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মন খারাপ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০১৫

আমাদের বীরঙ্গনারা

মাতাহারীর নাম শুনেছেন?

ইতিহাসের বিখ্যাত নারী গুপ্তচর বা স্পাই। ১ম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জার্মানির পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ১৯১৭ সালের ১৫ অক্টোবর, ফ্রান্স তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত ইতিহাসে এমন এক সাহসী বীরাঙ্গনা রয়েছেন,যার নয় মাসের গুপ্তচরবৃত্তি আর সশস্ত্র যুদ্ধের কাহিনী ইতিহাসের বিখ্যাত গুপ্তচর মাতাহারীর চেয়েও বীরত্বময়। জানেন সেই বীর অগ্নিকন্যার নাম?
জানলে ভালো, না জানলে ভাবতে থাকুন।

আর এই ফাঁকে তাঁর বীরত্বের কিছু গল্প শুনুন :

(কি ভাবছেন? আজ ১৬ ডিসেম্বর বা ২৬শে মার্চ কিংবা অন্য কোন বিশেষ দিন কি না? নাহ্, সেরকম কোন বিশেষ দিন নয় আজ। তবুও বলতে ইচ্ছে হলো, নিজেদের রক্তাক্ত ইতিহাসের এক সূর্যচোখ- বীরাঙ্গনার গল্প!)

সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৫

ধর্ষনের দায় মূলত ধর্ষকের পাশবিকতার উপরেই বর্তায়

নববর্ষে টিএসসিতে নারীদের যৌন হয়রানি নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি দেখছি আমার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধু-বান্ধব, সিনিয়র, জুনিয়র অনেকের মাঝেই।

সমস্যাটা হলো, যুক্তির দুই পিঠেই বহুল সংখ্যক মানুষের সমর্থণ রয়েছে। বিভ্রান্তির বিষয়টি তাহলে কী??? ‘ধর্ষণের পেছনে নারীর অশ্লীল পোষাকই দায়ী কিনা’ নাকি ‘ভিক্টিম নারীকেই কেন দায়ী করা হচ্ছে?’

বিভ্রান্তিটি সৃষ্টি হওয়ার কিছু কারণ রয়েছে বলে আমার মনে হয়। 

তার আগে ঘটনাটি জানা দরকার। বাংলা ১৪২২ এর পহেলা বৈশাখের দিন (ইংরেজি এপ্রিল ১৪, ২০১৫) টিএসসিতে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন কয়েকজন নারী(১)। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্র ইউনিয়ন নেতা লিটন নন্দী প্রথম আলোকে বলেন, বাংলা নতুন বছর উপলক্ষে গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানুষের প্রচণ্ড ভিড় ছিল। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে শাহবাগ থেকে টিএসসি আসার পথে তাঁরা কয়েকজন দেখেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটে ৩০-৩৫ জনের একদল যুবক বেশ কয়েকজন নারীকে যৌন হয়রানি করছে। তারা কারও কারও শাড়ি ধরে টান দিচ্ছিল। কয়েকজনকে তারা বিবস্ত্রও করে ফেলে। এ সময় সেখানে বাধা দিতে গেলে ওই যুবকদের ধাক্কায় তিনি পড়ে যান এবং তাঁর হাত ভেঙে যায়।

ঘটনার পরপরই ফেইসবুক সহ সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার ঝড় শুরু হয়। তীব্র ঘৃণার পাশাপাশি দোষীদের শনাক্ত করে তড়িৎ পদক্ষেপের আহবান জানান সকলেই। 

সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১

আই জাস্ট কান্ট স্টেই এলোন।


সবকিছু কেমন ফাঁকা হয়ে গেলো। নিঃসঙ্গতা, নিরবতা আর বিষন্নতা আমায় পুরোপুরি পেয়ে বসলো। কখনো এই বিশাল ফাঁকা বাড়িতে একা পড়ে থাকি আবার কখনো সারাদিন বাইরে বাইরে ঘুর ঘুর করছি। আমার দিনগুলো ভালো যাচ্ছেনা। এই নিঃসঙ্গতা আমার ভালো লাগে না। এই নিরবতা আমি সহ্য করতে পারছিনা। কথা বলার একটা মানুষ নেই। গল্প করার কোন জন নেই। বাইরের সময়টা তাও একটু ভালো যায়। ঘরেরে সময়টা! বিশ্রী আর অস্বস্তিকর। কিভাবে একা থাকা যায়? কত ফিল্ম দেখা যায়? কত গান শোনা যায়? আমি কিচ্ছু পারছিনা। সবকিছু কেমন এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। পরীক্ষা সামনে। কিন্তু কতক্ষণই বা আর বই পড়তে ভালো লাগে! একটা মানুষ থাকলে তো তার সাথে একটু কথা বলা যায় আর মাঝে মাঝে পড়া যায়।
আমার জাস্ট ভাল্লাগে না। কি এক অদ্ভুতুড়ে সময় কাটাচ্ছি। এই সময়টা যে দ্রুত শেষ হবে সেই সম্ভাবনাও দেখছিনা। মনে হচ্ছে একা, নিঃসঙ্গ থাকার উপায় জেনে নিতে হবে। ও আল্লাহ, আই'ল জাস্ট গো ম্যাড। বেশ কঠিন আর অনাকাঙ্খিত সময় এটা। কেউ বলবেন কি কিভাবে একা থাকা যায়? 

একটা সময় ভাবতাম বিষন্নতা বোধহয় মানসিক অসুখ। এখন দেখছি আমার ধারণা পুরোপুরি সঠিক ছিলোনা। একাকিত্ব আর নিঃসঙ্গতা মানুষকে বিষন্ন করে দেয়। যেমন আমি এখন নিঃসঙ্গ আর বিষন্ন সময় পার করছি। অথচ বিষন্নতার কোন কারণ নেই আমার। 

হোম ঈজ হোয়্যার মম ঈজ। মম, আমি এম মিসীং ইউ। বি ব্যাক টু মি। বাট আই নো, ইউ হ্যাভ নো অপশন টু বী হীয়ার বীসাইড মী। ইউ নীড টু স্টেই এট আওয়ার ভিলিজ হোম। 







বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০১০

অর্থহীন বাক্যালাপ

অকারণে মন খারাপ হওয়া নিয়ে কোন বিশ্লেষনের চেষ্টা করা হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। জানা নেই কত সংখ্যক মানুষ এইভাবে বিনা কারণে মন খারাপ করে থাকে। তবে, আমি মাঝে মাঝে মন খারাপ করে থাকি। কোন কারণ খুজে পাইনা। অথচ মন খারাপ হয়ে যায়। আজ আমার মন খারাপ, ভীষন।

অকারণে সারাদিন ব্যাস্ত থাকি। নির্দিষ্ট কোন কাজও নেই। কিন্তু নিজেকে সবসময় ব্যাস্ত মনে হয়। সেই সকাল বেলা বাড়ি থেকে বের হয়ে যাই আর ইফতারির (এখন পবিত্র রমজান মাস) ঠিক আগে বা কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আসি। ব্যাস্ত থাকলে মন খারাপ থাকাটা টের পাওয়া যায়না। সারাদিন তাই ভালোই কেটেছে বলতে হবে। বাড়িতে ফিরে বেশ একা হয়ে পড়লাম।

আমার বাড়িতে আমি বেশ একা। সারাটা সময় তাই পিসি’র সামনে বসেই কাটে। আজ পিসিটাও অন্‌ করতে ভালো লাগছে না। কি করবো তা বুঝতে না পেরে অবশেষে এই একাকিত্বের কথাটা লেখার জন্যই পিসি অন্‌ করলাম।