|| বাংলার নবাবের ওয়েবসাইটে স্বাগতম ||
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।
বিজয় দিবস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিজয় দিবস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫

আমাদের এক জীবনে ৩৬ জুলাই এসেছিলো!

কিশোর বয়সে যখন মুক্তিুদ্ধের ইতিহাস পড়তাম, শরীরে একটা শিহরণ জাগতো। আশঙ্কা, বেদনা আর মনের ভিতর এক টুকরো স্ফুরিত আলো -একটা স্বাধীন দেশ হবে আমাদের- অজানা গন্তব্যের এমন উদ্বেগময় দীর্ঘ নয় মাসের গল্প যখন পড়তাম, রক্তের উম্মাদনা তখন নিয়ে যেতো উম্মত্ত একাত্তরে। 

ইতিহাস পড়ে শিহরিত হওয়া যতটা সহজ, ইতিহাসের সেই স্থানে অবস্থান করা ততটাই কঠিন। ইতিহাসের সঠিক পার্শ্বে সবাই অবস্থান নিতে পারেনা, পা পিছলে যায় অনেকের। তবু মনের ভেতর খেয়াল জেগে উঠতো, “ইশ! যদি একাত্তরে থাকতে পারতাম!”

আমাদের পূর্বপুরুষদের ইতিহাসে, আমাদের সবচেয়ে গৌরবময় অর্জন -আমাদের স্বাধীনতা। আন্দোলন আমাদের রক্তে মিশে আছে। আন্দোলনই আমাদের নিয়তি। আর, সেই নিয়তির সবচেয়ে সুন্দরতম মুহূর্তে উপস্থিত থাকার মতো কাঙ্খিত আর কোন বস্তু হতে পারে না। ৪৭ পেরিয়ে ৭১, এদেশের মুক্তিকামী জনতা আন্দোলনকে বেছে নিয়েছে তাদের মুক্তির একমাত্র সোপান হিসেবে।

রবিবার, ২১ জুন, ২০১৫

বাংলাদেশের নায়কেরাঃ ড. জাফরুল্লাহ্‌ চৌধুরী

ছবিঋণঃ ম্যাগাসেইসে সাইট
এই মানুষটা বা এই বিষয়টা নিয়ে লিখবোনা ভেবেছিলাম। কারণ কিছু না, আমাকে সব বিষয়ে লিখতে হবে এমন তো নয়!

তবে, আমার নিউজফিডে ঘুরে ফিরে এসেছেন তিনি। সত্যি বলতে কি ‘উনি গনস্বাস্থ কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা’, আমি কেবল এইটুকুই জানতাম!

বলছি ড. জাফরুল্লাহ্‌ চৌধুরীর কথা।

১৯৬৪ সালে এম্‌বিবিএস পাস করার পর পোস্ট-গ্র্যাড অর্জনের জন্য ইউকে গমন করেন। ৭১-এ যখন বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়, তিনি লন্ডনে ‘সার্জিক্যাল ট্রেইনিং’ –এ ছিলেন। দেশে ফিরেই যুদ্ধে যোগ দেন এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার্থে একটি ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন।  

স্থানীয় গ্রাম্য মানুষজনও সেই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে থাকে। পূর্বের কোন ট্রেইনিং না থাকা গ্রাম্য মহিলাদেরকে অল্পসময়ের মধ্যে ট্রেইনিং প্রদান করে রোগীর শূশ্রুষার ব্যাবস্থা করেন ড. জাফরুল্লাহ্‌ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০১৫

আমাদের বীরঙ্গনারা

মাতাহারীর নাম শুনেছেন?

ইতিহাসের বিখ্যাত নারী গুপ্তচর বা স্পাই। ১ম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জার্মানির পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ১৯১৭ সালের ১৫ অক্টোবর, ফ্রান্স তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত ইতিহাসে এমন এক সাহসী বীরাঙ্গনা রয়েছেন,যার নয় মাসের গুপ্তচরবৃত্তি আর সশস্ত্র যুদ্ধের কাহিনী ইতিহাসের বিখ্যাত গুপ্তচর মাতাহারীর চেয়েও বীরত্বময়। জানেন সেই বীর অগ্নিকন্যার নাম?
জানলে ভালো, না জানলে ভাবতে থাকুন।

আর এই ফাঁকে তাঁর বীরত্বের কিছু গল্প শুনুন :

(কি ভাবছেন? আজ ১৬ ডিসেম্বর বা ২৬শে মার্চ কিংবা অন্য কোন বিশেষ দিন কি না? নাহ্, সেরকম কোন বিশেষ দিন নয় আজ। তবুও বলতে ইচ্ছে হলো, নিজেদের রক্তাক্ত ইতিহাসের এক সূর্যচোখ- বীরাঙ্গনার গল্প!)

রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১২

১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস

আজ ১৬ই ডিসেম্বর ২০১২। মহান বিজয় দিবস। জাতি আজ তাঁর ৪১তম বিজয় দিবস উদযাপন করছে। সারা বাংলাদেশ জুড়ে দিনটিকে উদযাপনের জন্য নানা কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ আজ তাঁর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করছে গভীর শ্রদ্ধাচিত্তে।