উদাস ভঙ্গিতে ডেস্কটপে ফেসবুকের হোমপেজ স্ক্রল করছে রুমিন। হঠাৎ পাশে রাখা ফোনটা বেজে উঠতেই হাতে নিয়ে কথা বলা শুরু করলো। কিছুক্ষণ কথা বলা শেষে আবারও ফেসবুকের হোমপেজে নজর দিলো সে। ফেসবুক ঈদানিং এ্যাড -এর আখড়া। কোনটা যে ফ্রেন্ডদের পোষ্ট আর কোনটা যে স্পন্সর্ড পেজের পোষ্ট বোঝা যায়না। এসব ভাবতে ভাবতে স্ক্রলিং চালিয়ে যায় রুমিন।
সমসাময়িক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সমসাময়িক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সোমবার, ১৬ আগস্ট, ২০২১
রবিবার, ১০ মে, ২০২০
It is a Thanking Note
I wasn’t really happy when I heard that I would be given a cash incentive for my duties during corona pandemic. It helped me be more sincere though.
Life needs momentum and any incentives or appreciation works as catalyst. Specially when you’re running a huge risk, you need stimulation.
But at this stage of life, along with momentum is needed security and safety, not only for me but also for the ones I live for.
I know, nothing can fill up the loss of our dear one. But you will be thrilled when you know the ones you live for will have a shelter after your demise.
খুলনা, বাংলাদেশ।
Nobab Palace | নবাব প্যালেস, Unnamed Road, Khulna, Bangladesh
লেবেলসমুহ
অনুভুতি,
করোনা,
বাংলাদেশ,
সমসাময়িক
মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০১৬
টু আর গন; তাঁদের জায়গায় নতুন ডেপুটি গভর্নর
সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘টু আর গন। তাঁদের জায়গায় নতুন ডেপুটি গভর্নর নিয়োগ দেওয়া হবে।’ ওই দুজন নাজনীন সুলতানা ও আবুল কাশেম কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী ‘সম্মতিসূচক’ জবাব দেন।
ঘটনা যদি তাইই হয়, তাহলে তো বলায় যায় যে, শর্ষের ভিতরই ভুত। আগের পোষ্টে লিখেছিলাম, এটা হ্যাকিং নয়, চুরি। এখনও পর্যন্ত কিছু প্রমানিত নয়, তবে ঘটনা যেদিকে যাচ্ছে, তাতে অনেকটা পষ্ট যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের হাত রয়েছে। সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা স্পষ্ট করে বলতে গেলে অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা ছাড়া এত বড় ব্যাংক ডাকাতি নেক্সট টু ইম্পসিবল।
রবিবার, ২৪ মে, ২০১৫
বোঝে না সে বোঝে না
বিক্রেতারা জানালেন, এসব খাতা শিশুদের কাছে বিক্রি করাটা দৃষ্টিকটু হলেও এর চাহিদা ব্যাপক। তাই তাঁরা বিক্রি করছেন। স্থানীয় শিক্ষক ও অভিভাবকেরা জানালেন, বিশেষত মায়েরা ভারতীয় চ্যানেলের সিরিয়ালের প্রতি আসক্ত হওয়ায় শিশু-শিক্ষার্থীরাও এতে আসক্ত হচ্ছে। এরই প্রভাব পড়েছে খাতায়।
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৩
প্রেমের কবিতা
- কি করছো?
– ছবি আকঁছি।
- ওটা তো একটা বিন্দু।
– তুমি ছুঁয়ে দিলেই বৃত্ত হবে। কেন্দ্র হবে তুমি। আর আমি হবো বৃত্তাবর্ত।
- কিন্তু আমি যে বৃত্তে আবদ্ধ হতে চাই না। আমি চাই অসীমের অধিকার।
– একটু অপেক্ষা করো। . . . এবার দেখো।
- ওটা কি? ওটা তো মেঘ।
– তুমি ছুঁয়ে দিলেই আকাশ হবে। তুমি হবে নি:সীম দিগন্ত। আর আমি হবো দিগন্তরেখা।
- কিন্তু সে তো অন্ধকার হলেই মিলিয়ে যাবে। আমি চিরন্তন হতে চাই।
– ছবি আকঁছি।
- ওটা তো একটা বিন্দু।
– তুমি ছুঁয়ে দিলেই বৃত্ত হবে। কেন্দ্র হবে তুমি। আর আমি হবো বৃত্তাবর্ত।
- কিন্তু আমি যে বৃত্তে আবদ্ধ হতে চাই না। আমি চাই অসীমের অধিকার।
– একটু অপেক্ষা করো। . . . এবার দেখো।
- ওটা কি? ওটা তো মেঘ।
– তুমি ছুঁয়ে দিলেই আকাশ হবে। তুমি হবে নি:সীম দিগন্ত। আর আমি হবো দিগন্তরেখা।
- কিন্তু সে তো অন্ধকার হলেই মিলিয়ে যাবে। আমি চিরন্তন হতে চাই।
বুধবার, ৮ মে, ২০১৩
ফেইসবুক স্ট্যাটাস ০১
যে লোকগুলো মারা গেছে তারা কিন্তু নিরস্ত্র ছিলো। তারা যদি নিরস্ত্র না থাকতো তাহলে ঐ রাতে কয়েকশো পুলিশ ও মারা যাওয়ার কথা ছিলো। নিরস্ত্র মানুষের উপর ঝাপিয়ে পড়াটা গনহত্যারই শামিল।
মনে রাখা দরকার যে, এরা জামাত-শিবির নয় যে আধুনিক অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত থাকবে। হ্যাঁ, এটা সত্য যে, কিছু মানুষ সুযোগ নিয়ে বিশৃংখলা ঘটিয়েছে। এরা সূযোগ সন্ধানী। অথচ, রাতের আধারে, বিদ্যুৎ বন্ধ করে দিয়ে, মিডিয়াকে সরিয়ে দিয়ে নিরস্ত্র মানুষের উপরই ঝাপিয়ে পড়েছে অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত পুলিশ-বিডিআর-র্যাব।
জাস্ট একটা কথাই বলি, এই নিরিহ মানুষগুলোর যদি বিশৃংখলা ঘটানোর ইচ্ছা থাকতো, দিনের বেলায় মঞ্চ থেকে প্রায় ২০ লক্ষাধিক মানুষকে একবার হুকুম দিলেই হতো। বাংলাদেশের সকল প্রশাসনিক কাঠামো ধ্বংশ করে দেয়ার জন্য এরা সংখ্যায় যথেষ্টই ছিলো। কিন্তু তারা তা করেনি।
বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০১৩
যাচ্ছেতাই!!!
খুব গরম পড়ে গেলো। এখন আর বিদ্যুৎ যায় না, আসে। এই গরমে বেঁচে থাকায় দায়। চারপাশ কেমন রুক্ষ! দেশের রাজনৈতিক অবস্থা বিদ্যুতের মত। খারাপই থাকে, ভালো আর হয়না। আমরা ধীরে ধীরে কেমন এক্সট্রিমিষ্ট হয়ে যাচ্ছি। পরমত সহ্য করতে পারিনা।
অফিসে বেশ প্রেশার যাচ্ছে। গতকাল রাত ১০.০০টা পর্যন্ত অফিস করলাম। কেউ বিশ্বাস করতে চাইবেনা, বাট এটাই রিয়েল। একটু কোথাও বেড়িয়ে আসা দরকার। কিন্তু এই গরমে তা চিন্তা করতেও কষ্ট হচ্ছে। হাতে অনেক কাজও বাকী।
শনিবার, ২৪ মার্চ, ২০১২
তুমি আর এভাবে কেঁদোনা সাকিব
তোমার কান্নায়
বনের কোকিলেরা কুহু ডাক ভুলে
গেছে, স্রোতময়
নদী হারিয়েছে তার গতিপথ। দখিনা
বায়ু তোমার কান্নার দীর্ঘশ্বাস
শুনিয়ে যাচ্ছে আমাদের। পুরো
বাংলাদেশজুড়ে তোমার কান্নার
রোল উঠেছে। কৃষকেরা মাঠের
কাজ ফেলে কে কোথায় চলে গেছে
তার ঠিকানা নেই। কলসি কাঁখে
গায়ের বধু পানি আনতে গিয়ে আর
ফিরে আসেনি। তোমার কথা ভেবে
রাখাল তার বাঁশিতে ফু দিতে
ভুলে গেছে। স্তব্ধ শোকের
প্রেতপূরীতে পরিনত হয়েছে
বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২
বাংলাদেশের সাইবার যুদ্ধ ও ফতোয়া স্টোরিজ
*প্রথম ফতোয়া - বাংলাদেশের 'বাচ্চা পুলাপানরা' হ্যাক করতে জানে না।
>২০ হাজার সাইট হ্যাক করে তো ভাকু তাদের মুখে কালী মেখে দিয়েছে সেই পুলাপাইনরা।
*দ্বিতীয় ফতোয়া - ইন্ডিয়ার সাইটগুলো অনেক সুরক্ষিত, বাংলাদেশের 'বাচ্চা পুলাপানদের' হ্যাকিং টেকনিক এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যায় নাই।
>হা হা প গে!! এই পুলাপানরাই ইন্ডিয়ার সাইবার স্পেইসের লাল বাত্তি জ্বালাইয়া দিসে।
রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১২
সাইবার যুদ্ধে বাংলাদেশের আধিপত্য স্মরণ করিয়ে দেয় ৭১-কে
অনেক যুদ্ধ দেখেছে বিশ্ববাসী। দেখেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধসহ অনেক যুদ্ধের ভয়াবহতাও। কিন্তু উপর্যুপরি আক্রমনে প্রতিপক্ষকে এমন গুড়িয়ে দিতে হয়তো দেখেনি কোনদিন; দেখেনি কিভাবে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়তে পারে বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি হয়ে ওঠা একটা দেশের সাইবার জগত। ওয়েবসাইট হ্যাকের ঘটনাও পৃথিবীতে বিরল নয়; বিরল নয় সাইবার স্পেস দখলের ঘটনাও। কিন্তু, এমন করে একটি দেশের সাইবার স্পেস দখলে নিয়ে নেওয়ার ঘটনা কেবল বিস্ময়করই নয়, অভাবনীয়ও বটে। আর এই বিস্ময়কর, অভাবনীয় ঘটনাটি ঘটিয়ে দেখিয়েছে বিবিএইচএইচ এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের হ্যাকার গোষ্ঠি। সাথে রয়েছে বিসিএ, ইসিএ (এক্সপায়ার সাইবার আর্মি), 3xp1r3 সাইবার আর্মি সহ আরও অন্যান্য হ্যাকার গ্রুপ। নৈতিক কারণেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ের হ্যাকার গ্রুপেরও সমর্থন পেয়েছে বাংলাদেশী হ্যাকাররা।
ঠিক কী কারণে শুরু হলো এই সাইবার যুদ্ধ তা' আর নতুন করে বলার দরকার নেই। তারপরেও যারা জানেন না তারা ঘুরে আসতে পারেন এই লিংক থেকে।
সাইবার যুদ্ধ ও বাংলাদেশ-- লাল সালাম তোমাদের
বাংলাদেশের
সাইবার যোদ্ধারা যে দোর্দন্ড
প্রতাপে এগিয়ে চলেছে তাতে এই
বীরদেরকে দেশের সর্বোচ্চ
সম্মানসূচক পদক দেয়া জরুরী
হয়ে পড়েছে। সর্বশেষ খবর পাওয়া
পর্যন্ত বাংলাদের সাইবার
যোদ্ধারা ৭০০০+
ইন্ডিয়ান
ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে। আজ
সারারাত এই হ্যাকিং এর ঘটনা
ঘটতে থাকবে বলে প্রতীয়মান
হচ্ছে। হ্যাকিং আর পাল্টা
হ্যাকিং-এর
কারণে মুহুর্মুহু ধ্বসে পড়ছে
দুই দেশের সাইবার জগত। এখন
পর্যন্ত বাংলাদেশি হ্যাকাররা
এগিয়ে রয়েছে এই যুদ্ধে।
বাংলাদেশের দূর্বল কিছু সরকারী
ওয়েবসাইট দখল করা ছাড়া তেমন
সাফল্য দেখাতে পারেনি ইন্ডিয়ান
হ্যাকাররা। তবে বাংলাদেশী
হ্যাকাররা হাই-সিকিউরড
seoindiaoutsourcing.com
সহ
বেশ কয়েকটি পাওয়ারফুল ওয়েবসাইট
দখলে নিয়েছে।
ওয়েবসাইট
ছাড়াও অসংখ্য ইন্ডিয়ান ফেইসবুক
আর টুইটার একাউন্ট হ্যাক করেছে
বাংলাদেশী হ্যাকাররা।
শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১২
স্টিফেন হকিং -এর স্রষ্টা সম্পর্কিত অযৌক্তিক মতবাদ
আসসালামুয়ালাইকুম। ভুল হলে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। আমি বিজ্ঞান সম্পর্কে তেমন কিছু জানিনা। না জানা সত্তেউ আমি বিজ্ঞান সম্পর্কে কিছু কথা আপনাদের কাছে তুলে ধরব। আমার কথার মুল বিষয় হল, কিছু দিন আগে বিক্ষ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং এর একটি মতবাদ সম্পর্কে।
এবার আসল কথাই আসি।
কিছু দিন আগে বিক্ষ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং একটা মতবাদ দিয়েছিলেন স্রষ্টা সম্পর্কে। মতবাদে তিনি যুক্তি দিয়ে প্রমান করেন যে সব কিছু শূন্য থেকে সৃষ্টি। তার মতবাদ অনুযায়ী যদি মহাবিশ্বের সকল শক্তির সমষ্টি শূন্য হয় তবে এসকল কিছু তৈরি হতে কোন স্রষ্টার দরকার নেই।
সকল শক্তির যোগফল শূন্য বলতে আমরা কি বুঝি ??? হকিং বলেন বিগব্যাং এর সময় এতবড় বিস্ফোরনের জন্য প্রচুর শক্তির দরকার ছিল। এই শক্তি কথা থেকে এল???
বুধবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১২
কাশ্মিরের কান্না কেউ শোনে না
পাকিসস্তান ও ভারতের মধ্যকার বিরোধের সবচেয়ে বড় বিষয় কাশ্মির। অর্থনৈতিক, আর্দশিক, ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক কারণের সাথে ভাবাবেগ ও অহংবোধ মিলে সমস্যাটিকে এত জটিল করে ফেলেছে যে, মনে হচ্ছে কোনোকালেই এর জট খুলবে না। আর এখানে সমঝোতা না হলে এই অঞ্চলের স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে না এবং এর প্রভাব শুধু উপমহাদেশে নয়, সারা বিশ্বেই পড়বে।
রবিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১২
উত্তাল এই দিনগুলি
দিনগুলি খুব
উত্তাল যাচ্ছে। সারাদেশ ক্ষোভে আর প্রতিবাদে ফেটে পড়ছে। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে
বিএসএফ কর্তৃক একজন বাংলাদেশীকে অমানবিক অত্যাচারের প্রতিবাদের উত্তাল সারাদেশ।
হঠাৎ হঠাৎ ক্ষোভে ফেটে পড়ার ঘটনা বাংলাদেশীদের জন্য এখন প্রায় নিয়মিত। কয়েকদিন
পরপরই সীমান্তে একটা লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে আর ক্ষোভে ফেটে পড়ে এদেশের আপামর জনতা।
মিছিল মিটিং থেকে শুরু করে ব্লগ ফেইসবুক সবজায়গাতে এর উত্তাপ ছড়াতে থাকে। দিন যায়
আর চাপা পড়তে থাকে এই ক্ষোভ। সময়ের আবর্তনে দগদগে ঘা শুকিয়ে নিঃশেষ হয়ে আসে।
কয়েকদিন পর আবারো আরেকটা ক্ষতের সৃষ্টি হয়। আবারো উত্তাল হয় সারাদেশ। আবারো ঠান্ডা
হয়ে আসে পরিস্থিত। এই হচ্ছে এদেশের মানুষের নৈমত্তিক ঘটনা।
কিন্তু যাদের
ক্ষোভে ফেটে পড়ার কথা, যাদের প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার কথা, তারা নিশ্চিন্ত। তাদের কাছে এটা কোন মাথা ব্যাথার বিষয় নয়। সরকারের কর্তাব্যাক্তিদের কাছে সীমান্ত সমস্যা কোনসমস্যাই নয়। তাদের মতে, এটা নিয়মিত ঘটনা; তাই এ নিয়ে মাথা ব্যাথা করার কিছু নেই।
গনতান্ত্রিক
সরকার ব্যাবস্থায় এটা বেশ দারুণ একটা ধারণা বলে আমার মনে হয়। পাঁচ বছরের জন্য জনগন
তাদের ভাগ্যকে ছেড়ে দেয় কিছু অশিক্ষিত (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাই হয়; অন্তত আমাদের
দেশে) গোয়াড়গোবিন্দদের হাতে। তারপর এই পাঁচ বছরে অন্তত আর কথা বলার সুযোগ থাকে না
তাদের। এই পাঁচ বছরের জন্য হলেও জনগনের ভাগ্য-নিয়ন্তা বনে যান এই সকল
গোয়াড়গোবিন্দরা। তারপর থেকে তাদের মর্জিমাফিক চালাতে থাকে দেশটাকে।
বুধবার, ১১ জানুয়ারি, ২০১২
মাইনাস টু ফর্মুলার দুই প্রবক্তা
ওয়ান-ইলেভেন। পাঁচ বছর আগে ২০০৭ সালের এইদিনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের পদ থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রাষ্ট্রপতি প্রফসের ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ।
রাজনীতির সঙ্গে কূটনীতির এক জটিল মারপ্যাঁচে সেদিন গোটা দেশতো বটেই বিশ্বেরও অনেকের নজর ছিলো বাংলাদেশের দিকে।
পুরো প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলো কয়েকটি মহল। যারা একটি পর্যায়ে ‘কুচক্রী হিসেবেই নাম কুড়িয়েছেন। দেশের ভালোর নামে ক্ষমতার কাছাকাছি চলে আসার এই প্রক্রিয়ায় তথাকথিত সুশীল সমাজের নামকরা প্রতিনিধিরা যেমন ছিলেন, তেমনি ছিলেন রাজনীতির ভেতরের কিছু মানুষ, যারা সংস্কারের কথা বলে নেতৃত্বের ধারা পাল্টানোর বক্তৃতার খই ফোটাতে শুরু করলেন। আর পুরো ষড়যন্ত্রের নেপথ্য নায়ক হয়ে মিডিয়ার ম্যাজিক বুলেট ক্ষমতাকে ব্যবহার করে একটি সফল ওয়ান ইলেভেনের জন্ম দিলেন হাতে গোনা গুটি কয় সাংবাদিক।
সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১১
ইউ'ল নেভার গেট দ্য সেকন্ড চান্স টু মেইক দ্য ফার্স্ট ইম্প্রেশান
জয়েনিং লেটার হাতে পেয়ে খুশি হয়না এমন মানুষ কি খুঁজে পাওয়া সম্ভব? বলছি না যে আমি এর ব্যাতিক্রম। আমিও অনেক আনন্দিত হয়েছিলাম। কিন্তু সেই আনন্দকে দীর্ঘস্থায়ী করার খুব একটা সুযোগ আমার ছিলোনা। জয়েনের জন্য প্রয়োজনীয় দলিলাদি সংগ্রহ, দুজন গেজেটেড অফিসারের সন্ধান করা, ইন্ট্রোডিউসারের জন্য জয়েন করাটা প্রায় পিছিয়ে যাওয়া (যদিও শেষ পর্যন্ত পিছায়নি), অবশেষে জয়েন করা, পোস্টিং পাওয়া, নতুন অফিসে যাওয়া -- এসবই তো হলো ৩১তম বিসিএস-এর রিটেন এক্সাম চলাকালীন সময়ে। দম ফেলার ফুরসৎ ছিলোনা।
সারাদিনের কাজ শেষে বাসায় ফিরে রাতে পরের দিনের এক্সামের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। বেশ নিরন্তর পরশ্রম বলা চলে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তো থাকতাম এক্সাম হলে, বিকালে জয়েন করার জন্য জনতা ব্যাংক লিমিটেডের খুলনা এরিয়া অফিসে; আর রাতে বাড়ি ফেরা। তবে এগারো তারিখের (অক্টোবর '১১) কথা বলতেই হয়। কি ধকলই না গিয়েছিলো এদিন! এখান থেকে ওখানে, ওখান থেকে সেখানে। শুধু ছুটোছুটি। ধন্যবাদ দিয়ে শোয়েবকে ছোট করবোনা। সারাটা দিন ও আমার সাথে ছিলো, ওর পঙ্খীরাজে চড়েই দিনের ছূটোছুটির সমাপ্তি টানতে পেরেছিলাম। এগারই অক্টোবর ২০১১ -আমার জন্য তাই অতীব গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম চাকরির জয়েনিং।
আমার ব্রাঞ্চে জয়েন করেছিলাম তের (১৩) তারিখে। তখনো এক্সাম চলছিলো। বিসিএসের এক্সাম শেষ হওয়ার একদিন পরেই ছিলো মিডটার্ম (এমবিএ থার্ড টার্ম) এক্সাম। “নতুন চাকরী বা নতুন অফিস কেমন লাগছে?”-- এটা একটা কমন কোয়েশ্চান। আমার জন্য উত্তর দেয়াটা অবশ্য খুব সিম্পল ছিলো। “ভালো, বেশ ভালো”। এই ভালো বলাটা শুধু এজন্যই নয় যে এটা আমার প্রথম চাকরী। বরং, ভালোলাগার মতই ভালো। কিছু কারণ অবশ্য রয়েছে।
“ইউ উইল নেভার গেট দ্য সেকন্ড চান্স টু মেক দ্য ফার্স্ট ইম্প্রেশান”। কথাটা খুব মেনে চলি আমি। আর হ্যাঁ, প্রথম সাক্ষাতেই আমি ইম্প্রেস করেছিলাম আমার ম্যানেজারকে। ব্যাস হয়ে গেলো। ওটুকুই যথেষ্ট। ম্যানেজার ইম্প্রেস্ড্, আমিও তার কেয়ারে ইম্প্রেস্ড্।
আরেকটা বিশেষ কারণের কথা বলতেই হয়। ভবঘুরে জিবনে সারাদিন সময় কাটতো চ্যাটিং আর সোস্যাল নেটওয়ার্কিং করে। ভেবেছিলুম, অন্তত দিনের বেলাতে এগুলোকে বিদায় জানাতে হবে। কিন্তু ম্যানেজারের কল্যাণে সেটা পেয়েছিলাম আমার চাকরী জিবনের তৃতীয় দিনেই। অলটাইম ফ্রি একসেস্ টু আনলিমিটেড ইন্টারনেট। আমার মত নেটিজেনের জন্য আর চে' আনন্দের খবর আর কি হতে পারে?
সেই থেকেই চলছে। অফিসওয়ার্ক আর চ্যাটিং-নেটওয়ার্কিং... ভালোই চলছে গুরু!
ও হ্যাঁ, একটা কথা বলতেই ভুলে গিয়েছিলাম। আমার পোস্টিং দিয়েছে আমার বাড়ির পাশে। সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখ রগড়াতে রগড়াতে অফিসে যাই... আর সন্ধ্যায় হাট হাটতে ফিরি। মন্দ না।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
