উদাস ভঙ্গিতে ডেস্কটপে ফেসবুকের হোমপেজ স্ক্রল করছে রুমিন। হঠাৎ পাশে রাখা ফোনটা বেজে উঠতেই হাতে নিয়ে কথা বলা শুরু করলো। কিছুক্ষণ কথা বলা শেষে আবারও ফেসবুকের হোমপেজে নজর দিলো সে। ফেসবুক ঈদানিং এ্যাড -এর আখড়া। কোনটা যে ফ্রেন্ডদের পোষ্ট আর কোনটা যে স্পন্সর্ড পেজের পোষ্ট বোঝা যায়না। এসব ভাবতে ভাবতে স্ক্রলিং চালিয়ে যায় রুমিন।
আমাদের সেই তাহার নামটি রঞ্জনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আমাদের সেই তাহার নামটি রঞ্জনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সোমবার, ১৬ আগস্ট, ২০২১
সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৬
আমাদের দু' বছর, আমাদের প্রেমময় দু' বছর
দিনের শুরুতে যখন এক চিলতে নরম রোদ আমার চোখে এসে পড়ে, চোখ খুলেই আমি তোমাকে দেখি। আর দিনশেষের ক্লান্তিতে যখন ঘুমে জড়ো হয়ে আসে চোখ, তখনও আমি কেবল তোমাকেই দেখি। আমার দিনের শুরু অথবা শেষ, সবই তোমাকে দিয়ে। তোমাকে দেখেই দু’বছর কেটে গেলেও মনে হচ্ছে এই তো সেদিন এই দেখাদেখির শুরু। কত লম্বা সময়, অথচ চোখের পলকেই যেন পার হয়ে গেলো!
সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০১৫
মাই ফ্রেন্ডস্... মাই ফ্রেন্ডশীপ... মাই ফ্রেন্ডশীপ ডে ...

... যখন প্রেম করতাম, ক্যাম্পাসে বসে দূজনে সারাদিন শুধু গল্প আর গল্প। কী গল্প যে করতাম জানিনা। কিন্তু সকাল গড়িয়ে দূপুর পেরিয়ে কখন যে বিকাল হয়ে যেতো, টেরই পেতাম না!
এভাবে চললো দীর্ঘ সাত বছর। এখনো আমরা গল্প করি। সন্ধ্যায় আপিস থেকে ফিরে সেই যে গল্প শুরু; কখন যে রাত ২/৩টা বেজে যায়!! শেষে সকাল বেলা আপিসে দেরী! শী ওয়াজ, ইজ এ্যান্ড উয়ীল অলওয়েজ বী মাই বেস্ট ফ্রেন্ড।
... শুরুটা ইউনিতে ভর্তির দিন থেকে।
: “ki koro”
: “walking..”
: “where to where”
: “nowhere to nowher”
এ্যাক্টেল –এর ফ্রী মেসেজের সেই দিনগুলো পেরিয়ে শুরু হলো ইউনি’র ক্লাস। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে গল্প, আড্ডা, গান ... কিভাবে যে প্রাণে মিসে গেছিস! ইউ আর নো মোর মাই ফ্রেন্ড। ইউ আর মাই ব্রো, মাই গার্ডিয়ান। আই ডু লাভ দী, Shoab।
... বাপ, মনে পড়ে ক্যাম্পাসের ডাবল বেঞ্চ বসে গলা ফাটিয়ে আমাদের গান!! “ভালোবাসি বলেরে বন্ধু......”!! তোকে ভালোবাসি বাপ। ইউ আর মাই ট্রু ফ্রেন্ড।
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০১৫
আমাদের বীরঙ্গনারা
মাতাহারীর নাম শুনেছেন?
ইতিহাসের বিখ্যাত নারী
গুপ্তচর বা স্পাই। ১ম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জার্মানির পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে
১৯১৭ সালের ১৫ অক্টোবর, ফ্রান্স
তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের
রক্তাক্ত ইতিহাসে এমন এক সাহসী বীরাঙ্গনা রয়েছেন,যার নয় মাসের গুপ্তচরবৃত্তি আর সশস্ত্র
যুদ্ধের কাহিনী ইতিহাসের বিখ্যাত গুপ্তচর মাতাহারীর চেয়েও বীরত্বময়। জানেন সেই বীর
অগ্নিকন্যার নাম?
জানলে ভালো, না জানলে ভাবতে থাকুন।
জানলে ভালো, না জানলে ভাবতে থাকুন।
আর এই ফাঁকে তাঁর বীরত্বের কিছু গল্প শুনুন :
(কি ভাবছেন? আজ ১৬ ডিসেম্বর বা ২৬শে মার্চ কিংবা অন্য কোন বিশেষ দিন কি না? নাহ্, সেরকম কোন বিশেষ দিন নয় আজ। তবুও বলতে ইচ্ছে হলো, নিজেদের রক্তাক্ত ইতিহাসের এক সূর্যচোখ- বীরাঙ্গনার গল্প!)
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৫
আওয়ার গুড, গৌল্ড মেমোরিজ!!
মনে পড়ে সেই দিনটার কথা, সেই দিনগুলোর কথা? আওয়ার ঔল্ড, গৌল্ড মেমোরিজ??
ইয়াপ, সেভেন ইয়ার্স ব্যাক ফ্রম নাউ। পহেলা বৈশাখ, ১৪১৫। তুমি শাড়ি পরে হাটতে পারতেনা; ক্যাফে থেকে বের হয়ে কয়েকটা পা ফেলে আর এগোতে পারছিলেনা। বিকেল গড়িয়ে যাচ্ছিলো তখন।
![]() |
| তখনকার আমরা |
![]() |
| এখনকার আমরা ছবি কৃতিত্বঃ ছোট ভাই সাজ্জিদ |
রবিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১০
এক গাঁয়ে
মাত্র কয়েকদিন আগেই কবিতা নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছলাম। সেখানে কবিতার রুপ ধরবার ব্যার্থ প্রয়াস চালানো হয়েছিলো। তবে, যে প্রকারেই কবিতার রুপ ধরবার চেষ্টা করা হোক না কেন, কবিতার প্রধানতম রুপ এই যে তা একটি কবিতা, তা একটি মনের আবেগঘন ভাবের বাহন। কবি সম্রাট রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও কিছুটা এই দিকেই ইঙ্গিত প্রদান করেছেন। ‘অন্তরকে টেনে বের করে আনতে পারলেই কবিতা লেখা সম্ভব’ এমন ধারণার বশবর্তী ছিলেন রবি ঠাকুর। যাইহোক, আজ রবিবাবুর একটি অসম্ভব সুন্দর কবিতা শেয়ার করছি। আশা করি ভালো লাগবে।
এক গাঁয়ে
----রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
আমরা দূজন একটি গাঁয়ে থাকি,
সেই আমাদের একটিমাত্র সুখ।
তাদের গাছে গায় যে দোয়েল পাখি
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)


