|| বাংলার নবাবের ওয়েবসাইটে স্বাগতম ||
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।
দেশপ্রেম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দেশপ্রেম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০১৭

২৬শে মার্চ, তোমায় মনে পড়ে!

মেজর জিয়া যখন উই রিভোল্ট বলে কমান্ডিং অফিসারকে হত্যা করে বিদ্রোহী প্রায় ৩০০ সৈন্য নিয়ে রাতের আধারে কালুর ঘাটের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন তখন তিনি তার বাসার পাশ দিয়েই যাচ্ছিলেন, সহযোদ্ধাদের কেউ কেউ তখন তাকে উপদেশ দিচ্ছিল, বাসায় গিয়ে ভাবী (খালেদা জিয়া) বাচ্চা (তারেক, কোকো) দের এক নজর দেখে তাদের কাছ থেকে বিদায় নিতে অথবা নিরাপদ কোন আশ্রয়ের ব্যাবস্থা করে দিতে।

জবাবে মেজর জিয়া বলছিলেন, "আমার সাথে কত জন সৈন্য আছে?"

সহকর্মী বললেন, "৩০০ র মত"

জিয়া তার দিকে নির্মিমেষ তাকিয়ে থেকে উত্তর দিলেন, "আজ যদি আমি আমার পরিবারের থেকে বিদায় নিতে যাই অথবা তাদের কে নিরাপদ আশ্রয়ে যাবার ব্যাবস্থা করে দেই আমার ৩০০ যোদ্ধার পরিবারের কি হবে?"

বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৭

রঙ্গিলা বারই রে

মৎকার একটা গান।
যেমন চমৎকার তার কথা, তেমনই চমৎকার তার সুর। আর গায়কের চমৎকার গায়কীতে গানটি আরও চমৎকার হয়ে উঠেছে।


বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৬

কেমন করে ব্যবহার করবেন ৯৯৯ জরুরি সেবা?

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে পরীক্ষামূলক ভাবে চালু করা হয়েছে ৯৯৯ জরুরি সেবা। যে কোন মোবাইল নম্বর থেকে সম্পূর্ণ টোল ফ্রি কল করে বাংলাদেশের নাগরিকরা জরুরি মুহুর্তে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ বা এ্যাম্বুলেন্স সেবা পাবেন। ৯৯৯ সার্ভিসের প্রশিক্ষিত এজেন্টরা জরুরি মুহুর্তে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ বা এ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদানকারীর সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেবেন। কিভাবে এই সেবাটি ব্যবহার করতে হবে, নিচে তার বিস্তারিত জানানো হল। 

বিভিন্ন ধরণের কল ও জরুরি সেবা প্রদানের জন্য ন্যাশনাল হেল্পডেস্ক-৯৯৯ এর অপারেটরদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। সঠিক ও মান সম্মত সেবা প্রদানের জন্য এই সকল এজেন্টরা কিছু প্রযুক্তিগত সহায়তা পেয়ে থাকেন। তবুও যখন কোন নাগরিক ৯৯৯ এ কল করবেন তখন নিম্নোক্ত বিষয়গুলো খেয়াল রাখা বাঞ্ছনীয়:

১. ঠিকানা প্রদানঃ জরুরি সেবা পাওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য হল সাহায্য প্রার্থীর লোকেশন বা ঠিকানা জানা। অপারেটকে (এজেন্ট) যতটা সম্ভব আপনার সঠিক অবস্থান বলুন, এক্ষেত্রে জেলা বা উপজেলার নামও বলতে হবে । আপনার সঠিক অবস্থান জানা না থাকলে পার্শ্ববর্তী বড় রাস্তা, বাজার বা হাইওয়ের নাম উল্লেখ করতে পারেন। 

মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৩

যেকারণে হৃদয়ের রক্তক্ষরণ


সুন্দরবন যে কত সুন্দর তা গল্প বা ভ্রমন কাহিনী পড়ে আপনি কখনো বুঝতে পারবেননা।

 
আমার প্রথম সুন্দরবন ভ্রমন একটু ভিন্ন প্রকৃতির। চাকরির সুবাদের বড় ভাইয়ের পোষ্টিং তখন কয়রাতে। একদিন ফোন করে বললেন, “এখান থেকে একেবারেই কাছে সুন্দরবন। আয়, দেখে যেতে পারবি”। আমি তখন ইন্টারমিডিয়েটের ছাত্র। তিন চারদিন সময় হাতে নিয়ে চলে গেলাম কয়রা। বড় ভাইয়ের বাসা হতে মাত্র এক কিলো. দূরে সুন্দরবনএকটা বাই-সাইকেল নিয়ে আমি রওনা হলাম সুন্দরবন দেখতে। রাস্তাটা যেখানে গিয়ে শেষ হয়েছে, একটা নদীর কিনারে। সাইকেলটা পাশে রেখে আমি কেবল মাথা উঁচু করে সামনের দিকে তাকিয়েছি। বিস্ময়ে বিমুঢ় হয়ে গেলাম। সুন্দরবন এত্ত সুন্দর! আকাশে তখন ঝলমলে রোদ। সম্পূর্ণ পরিষ্কার নীলাকাশ। দিগন্ত রেখারের উপরে নীলের সাগর আর নীচে আলোয় ঝলমল সবুজের সমাহার। নদীর ওপার যে সুন্দরবন তা বোঝার জন্য কারো কাছ থেকে আপনার শুনে নিতে হবেনা। এপাশের গাছগুলো চিরচেনা, আমার প্রতিদিনের দেখা। কিন্তু ওপাশের গাছগুলো? এক্কেবারেই আলাদা। মনে হয় সেই বিশাল গাছগুলো সগৌরবে মাথা উঁচু করে জানান দিচ্ছে, “এইটা সুন্দরী সুন্দরবন। এইটা রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের সুন্দরবন, এখানটার সবকিছুই রয়্যাল”

আমি সত্যিই বলে বোঝাতে পারবোনা। মাঝখানে মাত্র একটা নদী। অথচ এপাশ আর ওপাশে কত ব্যাবধান! সেদিনই আমি প্রমত্ত সুন্দরী সুন্দরবনের প্রেমে পড়ে গেলাম। সাথে সাইকেলটা থাকায় প্লাস কিভাবে ভিতরে যেতে হবে না জানায় সেদিন অনেকক্ষণ ধরে এই সুন্দরীর সৌন্দর্য্য দেখেই ফিরে এসেছিলাম।

রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১১

টিপাইমুখ নিয়ে কারও নীরবতা কারও রাজনীতি

টিপাইমুখ বাঁধ প্রশ্নে সরকারের ভূমিকা শুধু রহস্যময়ই নয়, দেশের জনগণের আকাক্সক্ষারও পরিপন্থী। বিএনপিসহ (রাজনৈতিক কারণে হলেও) দেশের প্রায় সব বিরোধী দল, সুশীলসমাজ এবং সর্বশ্রেণীর দেশপ্রেমিক মানুষ ভারতীয় এ সর্বনাশা পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে। সিলেটে পালিত হচ্ছে আন্দোলনের অবিরাম কর্মসূচি। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার দেশপ্রেমিক ভূমিকা ও জাতীয় উদ্বেগে বিচলিত লীগ সরকার গণরোষ প্রশমন ও আত্মরক্ষার জন্য ভারত সরকারের সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে দুজন দূত পাঠিয়েছিল। দুজনই ভীষণ বিতর্কিত। একজন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী। তিনি একজন অবাঙালি। জানা গেছে, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদের ওপর গুলিবর্ষণের নির্দেশ প্রদানকারী ঢাকার তৎকালীন অবাঙালি ডিসি মি. কোরাইশী তার মামা। বাংলাদেশে থেকেছেন খুবই কম। দীর্ঘদিন ইউএনডিপি'র প্রতিনিধি হিসেবে তিনি অবস্থান করেছেন ভারতে। অপরজনও প্রধানমন্ত্রীর আরেক উপদেষ্টা মশিউর রহমান। আমলা বিদ্রোহের অন্যতম নায়ক ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। যে ক'জন সচিব ওই সময় (বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারের শেষ সময়) প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বঙ্গবভনে সাক্ষাৎ করে একটি নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের সহযোগিতা করবেন না বলে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করেছিলেন তিনি তাদের অন্যতম। এদের বিরুদ্ধে শাসক দল এবং জোটেও কঠোরভাবে সমালোচনা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এসব উপদেষ্টা (এইচটি ইমামের কথাও বলা হয়) অনির্বাচিত হয়েও প্রধানমন্ত্রীকে নাকে রশি দিয়ে ঘোরাচ্ছেন, নির্বাচিত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদেরও কোনো ভূমিকা রাখতে দিচ্ছেন না। ফলে একদিকে সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে নানা বিতর্কে জড়িয়ে যাচ্ছে এবং দিন দিন জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। দিলি্ল থেকে ফিরে গত ৪ ডিসেম্বর গওহর রিজভী বলেছেন, 'বরাক নদীতে এমন কোনো স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে না, যার ফলে বাংলাদেশের ক্ষতি হতে পারে।