|| বাংলার নবাবের ওয়েবসাইটে স্বাগতম ||
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।

বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধের ভয়াবহতার প্রতীক

শাজারেহ তাইয়েবেহ নামক মেয়েদের স্কুলটি ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) এর একটি ঘাঁটির কাছে মিনাব শহরে অবস্থিত। প্রতিদিনের মত এদিনও বাচ্চাদের কলরবে শুরু হয় স্কুলের কার্যক্রম।

২৮শে ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় আনুমানিক সকাল ১০:৪৫ মিনিট। পুর্ণদ্যোমে চলছে ক্লাসের কার্যক্রম।

হটাৎ ........ বুম।
প্রতিকী ছবি

একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে; প্রকাশ্য দিবালোকে বোমা হামলা চালানো হলো একটা বাচ্চাদের স্কুলে, যেখানে ছোট ছোট ছাত্রীরা ক্লাসের মনযোগ দিতে ব্যস্ত ছিলো। বিস্ফোরণে দুই তলা ভবনটি ধ্বংস হয়ে যায়, ফলে ছাদটি ভিতরে থাকা ছাত্র এবং শিক্ষকদের উপর ধ্বসে পড়ে।

ছাত্র শিক্ষক সহ ১৭০ জন নিহত হয়, আহত হয় আরও ডজনখানেক।

স্যাটেলাইট ছবিতে সকালে স্কুলটি অক্ষত অবস্থায় দেখা যায়। কিন্তু এখন...... এক মৃত্যুপুরী। শুধু এই স্থানেই কয়েক ডজন নিরীহ শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।

স্কুলে বোমা হামলা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধের ভয়াবহতার প্রতীক বলছেন বিশ্লেষকরা। 

মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫

বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও ঐতিহাসিক ভুল

বাংলাদেশের ইতিহাসকে প্রায়শই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার গল্প হিসেবে বলা হয়। কিন্তু স্বাধীনতা আর রাষ্ট্রগঠন এক জিনিস নয়। যদিও যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ভূখণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, জনগণের ইচ্ছার ওপর ভিত্তি করে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনের প্রকৃত প্রক্রিয়াটি তখন বিঘ্নিত হয়েছিল। ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের কর্মকাণ্ডে যে ভিত্তিগত ভুল হয়েছিল, তা আজও বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটগুলোকে প্রভাবিত করে চলেছে।

মুজিবের প্রত্যাবর্তন ও নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের পর, মুজিবনগরে গঠিত অস্থায়ী সরকার সৈয়দ নজরুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়ে পরিচালিত হচ্ছিল। ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর, দু'দিন পর তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন। কোনো শপথ গ্রহণ না করেই তিনি নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন এবং রাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫

আমাদের এক জীবনে ৩৬ জুলাই এসেছিলো!

কিশোর বয়সে যখন মুক্তিুদ্ধের ইতিহাস পড়তাম, শরীরে একটা শিহরণ জাগতো। আশঙ্কা, বেদনা আর মনের ভিতর এক টুকরো স্ফুরিত আলো -একটা স্বাধীন দেশ হবে আমাদের- অজানা গন্তব্যের এমন উদ্বেগময় দীর্ঘ নয় মাসের গল্প যখন পড়তাম, রক্তের উম্মাদনা তখন নিয়ে যেতো উম্মত্ত একাত্তরে। 

ইতিহাস পড়ে শিহরিত হওয়া যতটা সহজ, ইতিহাসের সেই স্থানে অবস্থান করা ততটাই কঠিন। ইতিহাসের সঠিক পার্শ্বে সবাই অবস্থান নিতে পারেনা, পা পিছলে যায় অনেকের। তবু মনের ভেতর খেয়াল জেগে উঠতো, “ইশ! যদি একাত্তরে থাকতে পারতাম!”

আমাদের পূর্বপুরুষদের ইতিহাসে, আমাদের সবচেয়ে গৌরবময় অর্জন -আমাদের স্বাধীনতা। আন্দোলন আমাদের রক্তে মিশে আছে। আন্দোলনই আমাদের নিয়তি। আর, সেই নিয়তির সবচেয়ে সুন্দরতম মুহূর্তে উপস্থিত থাকার মতো কাঙ্খিত আর কোন বস্তু হতে পারে না। ৪৭ পেরিয়ে ৭১, এদেশের মুক্তিকামী জনতা আন্দোলনকে বেছে নিয়েছে তাদের মুক্তির একমাত্র সোপান হিসেবে।

বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর, ২০২১

যে জীবন যাপন করছি!

৩২৭ ডলার
আজকের বাজার দর অনুযায়ী এ্যাপ্রোক্সিমেটলি ২৮,০০০/- টাকা। বছর শেষে নাকি এই পরিমান টাকা আয় বেড়েছে!!

ভাবছি এই টাকা দিয়ে কী কী করবো!
 
অনেকগুলো প্লান অবশ্য সাজিয়ে ফেলেছি! কিন্তু সেই প্ল্যান সাজাতে সাজাতে যাপিত জীবনের রেগুলার এক্সপেন্সগুলোর দিকে একটু নজর দিলাম।

১। বাৎসরিক বাজার খরচ প্রায় ৪.৫০ লাখ টাকার মত। গত এক বছরে প্রাইস হাইক যদি ৫% ধরি, তাহলে গত এক বছরে খরচ বেড়েছে এ্যারাউন্ড ২২,০০০/- টাকা।
২। জ্বালানী খরচের (নিজের বাইকসহ ফ্যামিলির রেগুলার যাতায়াত) একটা ধারণা আমার আছে। সেটা ৪০-৪৫ হাজার টাকার কাছাকাছি। নিউজে দেখলাম, জ্বালানী তেলের দাম লিটার প্রতি ১৫ টাকা করে বেড়েছে। এখানে খরচ বেড়েছে নিয়ারলি ৭.৫ হাজার টাকা।

সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ব্রিটিশ সম্রাজ্যের প্রথম মুসলিম জাজ

তিহাসের প্রথম কোন মুসলিম হিজাবী মহিলা যুক্তরাজ্যের জাজ হয়েছেন।
রাফিয়া আরশাদ, ছবি: সংগৃহীত

তার নাম হলো রাফিয়া আরশাদ, যাকে নিয়ে মুসলিম বিশ্বের অনেক নেতাই পোস্ট করেছেন এবং সকল মুসলিম দেশ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে!

১৭ বছর আগে তাঁর এক চাকরির ইন্টারভিউ -এ যাওয়ার সময় তাঁর মা আশংকা করেছিলেন, হিজাব পরিধান করার কারণে তাঁকে সিলেকশন বোর্ড বাদ দিয়ে দিতে পারে।

সোমবার, ১৬ আগস্ট, ২০২১

ডেস্কটপে তো ওপেন আছেই, তাহলে ফোনে আবার কেন?

দাস ভঙ্গিতে ডেস্কটপে ফেসবুকের হোমপেজ স্ক্রল করছে রুমিন। হঠাৎ পাশে রাখা ফোনটা বেজে উঠতেই হাতে নিয়ে কথা বলা শুরু করলো। কিছুক্ষণ কথা বলা শেষে আবারও ফেসবুকের হোমপেজে নজর দিলো সে। ফেসবুক ঈদানিং এ্যাড -এর আখড়া। কোনটা যে ফ্রেন্ডদের পোষ্ট আর কোনটা যে স্পন্সর্ড পেজের পোষ্ট বোঝা যায়না। এসব ভাবতে ভাবতে স্ক্রলিং চালিয়ে যায় রুমিন।