|| বাংলার নবাবের ওয়েবসাইটে স্বাগতম ||
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।

বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধের ভয়াবহতার প্রতীক

শাজারেহ তাইয়েবেহ নামক মেয়েদের স্কুলটি ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) এর একটি ঘাঁটির কাছে মিনাব শহরে অবস্থিত। প্রতিদিনের মত এদিনও বাচ্চাদের কলরবে শুরু হয় স্কুলের কার্যক্রম।

২৮শে ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় আনুমানিক সকাল ১০:৪৫ মিনিট। পুর্ণদ্যোমে চলছে ক্লাসের কার্যক্রম।

হটাৎ ........ বুম।
প্রতিকী ছবি

একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে; প্রকাশ্য দিবালোকে বোমা হামলা চালানো হলো একটা বাচ্চাদের স্কুলে, যেখানে ছোট ছোট ছাত্রীরা ক্লাসের মনযোগ দিতে ব্যস্ত ছিলো। বিস্ফোরণে দুই তলা ভবনটি ধ্বংস হয়ে যায়, ফলে ছাদটি ভিতরে থাকা ছাত্র এবং শিক্ষকদের উপর ধ্বসে পড়ে।

ছাত্র শিক্ষক সহ ১৭০ জন নিহত হয়, আহত হয় আরও ডজনখানেক।

স্যাটেলাইট ছবিতে সকালে স্কুলটি অক্ষত অবস্থায় দেখা যায়। কিন্তু এখন...... এক মৃত্যুপুরী। শুধু এই স্থানেই কয়েক ডজন নিরীহ শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।

স্কুলে বোমা হামলা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধের ভয়াবহতার প্রতীক বলছেন বিশ্লেষকরা। 

ঘটনাস্থলের ফুটেজে দেখা যাচ্ছে যে স্কুলটিতে সম্ভবত টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন যে হামলাটি পুরনো লক্ষ্যবস্তু সংক্রান্ত তথ্যের কারণে হতে পারে, কারণ স্কুলটি আইআরজিসির নৌবাহিনীর ব্যবহৃত ভবনগুলির একই ব্লকে অবস্থিত এবং স্কুলটি যে স্থানে অবস্থিত তা মূলত ঘাঁটির অংশ ছিল।

নিউ ইয়র্ক টাইমস বুধবার জানিয়েছে যে স্কুলটি একটি মার্কিন টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আঘাত হেনেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদপত্রটি জানিয়েছে যে তদন্ত চলছে, তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী।