|| বাংলার নবাবের ওয়েবসাইটে স্বাগতম ||
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধের ভয়াবহতার প্রতীক

শাজারেহ তাইয়েবেহ নামক মেয়েদের স্কুলটি ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) এর একটি ঘাঁটির কাছে মিনাব শহরে অবস্থিত। প্রতিদিনের মত এদিনও বাচ্চাদের কলরবে শুরু হয় স্কুলের কার্যক্রম।

২৮শে ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় আনুমানিক সকাল ১০:৪৫ মিনিট। পুর্ণদ্যোমে চলছে ক্লাসের কার্যক্রম।

হটাৎ ........ বুম।
প্রতিকী ছবি

একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে; প্রকাশ্য দিবালোকে বোমা হামলা চালানো হলো একটা বাচ্চাদের স্কুলে, যেখানে ছোট ছোট ছাত্রীরা ক্লাসের মনযোগ দিতে ব্যস্ত ছিলো। বিস্ফোরণে দুই তলা ভবনটি ধ্বংস হয়ে যায়, ফলে ছাদটি ভিতরে থাকা ছাত্র এবং শিক্ষকদের উপর ধ্বসে পড়ে।

ছাত্র শিক্ষক সহ ১৭০ জন নিহত হয়, আহত হয় আরও ডজনখানেক।

স্যাটেলাইট ছবিতে সকালে স্কুলটি অক্ষত অবস্থায় দেখা যায়। কিন্তু এখন...... এক মৃত্যুপুরী। শুধু এই স্থানেই কয়েক ডজন নিরীহ শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।

স্কুলে বোমা হামলা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধের ভয়াবহতার প্রতীক বলছেন বিশ্লেষকরা। 

বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০১৬

এরদোগান এ যুগের সুলতান সুলেমান?

সুলতান সুলেমান। তুরস্কের ৬০০ বছরের অটোমান সাম্রাজ্যের অন্যতম সফল শাসক। একটি টিভি সিরিয়ালের বদৌলতে নামটি এখন বাংলাদেশের ঘরে ঘরে বেশ পরিচিত। সম্প্রতি সমর্থকদের রাস্তায় ডেকে এনে সেনা অভ্যুত্থান ব্যর্থ করে দিয়ে আলোচনায় আছেন ওই দেশেরই বর্তমান শাসক প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। দুই শাসকের মধ্যে কিছু বিষয়ে মিল থাকায় অনেকের মনে প্রশ্ন—এরদোগান কি এই যুগের সুলতান সুলেমান? 

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে অটোমান সম্রাট সুলতান সুলেমানের শাসনামলে একটু ঢুঁ মারতে হবে। ১২৯৯ সালে যাত্রা শুরু করা অটোমান সাম্রাজ্যের দশম শাসক ছিলেন সুলতান সুলেমান। প্রায় পাঁচ দশক সাম্রাজ্য শাসন করেছেন তিনি। তাঁর সময়ে অটোমানরা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে অনেক বেশি শক্তিমান হয়ে ওঠে। ইউরোপের রোম, হাঙ্গেরিসহ অনেক অঞ্চল অটোমানদের অধীনে আসে। ইউরোপে নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান জানান দেয় তুরস্ক।
এরদোগানই কি সুলতান সুলেমান?

এরদোগানও রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে শক্তিশালী হয়ে ওঠার কৌশল নিয়েছেন। জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের উত্থান থেকে তিনি সুবিধা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ আছে। সিরিয়া ও ইরাকের একটি বড় ভূখণ্ড দখল করে খেলাফত ঘোষণা করেছে আইএস। এই দুই দেশের ক্ষমতাসীন নেতৃত্বের সঙ্গে মতাদর্শগত ভিন্নতা আছে এরদোয়ানের, ইরাক ও সিরিয়ার ক্ষমতাসীনরা শিয়াপন্থী আর এরদোগান সুন্নিপন্থী। তিনি সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদের সরকারকে উৎখাতে আইএসের হামলায় সমর্থন দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বরাবরই তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আইএসকে তাঁর নীরব সমর্থনের কারণ হিসেবে বলা হয়, সিরিয়া ও ইরাক থেকে লুট করা জ্বালানি প্রচলিত মূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে তুরস্কের কাছে বিক্রি করে আইএস। এতে তুরস্কের অর্থনীতি অনেকটাই স্থিতিশীল থাকে। নিত্যপণ্যের মূল্য আয়ত্তে থাকায় জনগণও প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের ওপর বেশ খুশি। 

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৫

বৈশ্বিক গনতান্ত্রয়নের এই প্রকৃয়ায় বাংলাদেশ

আল্লাহর রহমতে আর বর্তমান ক্ষমতাসীন গনতান্ত্রিক সরকারের ঐকান্তিক ইচ্ছায় দোর্দন্ড প্রতাপে, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে এগিয়ে চলেছে সিটি নির্বাচনে ভোট-গ্রহণ প্রকৃয়া। মাত্র কয়েক ঘন্টা পরেই আমরা ফলাফল পেয়ে যাবো যে, সায়ীদ খোকন, আনিসুক হক আর আ জ ম নাছির উদ্দিনই তিন সিটির মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

বৈশ্বিক গনতান্ত্রয়নের এই প্রকৃয়ায় বাংলাদেশ সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।
দেশে গত ৫ই জানুয়ারীর চেয়ে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সিটি নির্বাচন হচ্ছে। গনতন্ত্রের মাইলফলকে আমরা আরও একধাপ এগিয়ে গেলাম।
বাংলাদেশের এই উত্তরোত্তর গনতান্ত্রিক উন্নয়নে পাশে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।।


বুধবার, ৮ মে, ২০১৩

ফেইসবুক স্ট্যাটাস ০১

যে লোকগুলো মারা গেছে তারা কিন্তু নিরস্ত্র ছিলো। তারা যদি নিরস্ত্র না থাকতো তাহলে ঐ রাতে কয়েকশো পুলিশ ও মারা যাওয়ার কথা ছিলো। নিরস্ত্র মানুষের উপর ঝাপিয়ে পড়াটা গনহত্যারই শামিল। 

মনে রাখা দরকার যে, এরা জামাত-শিবির নয় যে আধুনিক অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত থাকবে। হ্যাঁ, এটা সত্য যে, কিছু মানুষ সুযোগ নিয়ে বিশৃংখলা ঘটিয়েছে। এরা সূযোগ সন্ধানী। অথচ, রাতের আধারে, বিদ্যুৎ বন্ধ করে দিয়ে, মিডিয়াকে সরিয়ে দিয়ে নিরস্ত্র মানুষের উপরই ঝাপিয়ে পড়েছে অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত পুলিশ-বিডিআর-র‍্যাব। 

জাস্ট একটা কথাই বলি, এই নিরিহ মানুষগুলোর যদি বিশৃংখলা ঘটানোর ইচ্ছা থাকতো, দিনের বেলায় মঞ্চ থেকে প্রায় ২০ লক্ষাধিক মানুষকে একবার হুকুম দিলেই হতো। বাংলাদেশের সকল প্রশাসনিক কাঠামো ধ্বংশ করে দেয়ার জন্য এরা সংখ্যায় যথেষ্টই ছিলো। কিন্তু তারা তা করেনি।

মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

বাংলাদেশের সাইবার যুদ্ধ ও ফতোয়া স্টোরিজ

*প্রথম ফতোয়া - বাংলাদেশের 'বাচ্চা পুলাপানরা' হ্যাক করতে জানে না।

>২০ হাজার সাইট হ্যাক করে তো ভাকু তাদের মুখে কালী মেখে দিয়েছে সেই পুলাপাইনরা।

*দ্বিতীয় ফতোয়া - ইন্ডিয়ার সাইটগুলো অনেক সুরক্ষিত, বাংলাদেশের 'বাচ্চা পুলাপানদের' হ্যাকিং টেকনিক এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যায় নাই।

>হা হা প গে!! এই পুলাপানরাই ইন্ডিয়ার সাইবার স্পেইসের লাল বাত্তি জ্বালাইয়া দিসে।

বুধবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১২

কাশ্মিরের কান্না কেউ শোনে না

হাসান শরীফ: মিসর ও লিবিয়ায় কত পরিবর্তন হয়ে গেল। ইয়েমেন ও মিয়ানমারের সমস্যাও কেটে যাচ্ছে। এসবসহ আরো অসংখ্য আন্তর্জাতিক জটিলতা, সমস্যার সমাধান হয়েছে। কিন্তু কাশ্মির সমস্যা সমাধানের কোনো লক্ষণ নেই। এমনকি এখন ওই কথা নিয়ে কথা বলার যেন কেউ নেই। আগে অন্তত তাদের কষ্টের কথা আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় আসত, এখন সেখানেও তারা অনুপস্থিত। তারা এখনো কাঁদছে, শুকিয়ে যাওয়া কান্নার দাগ আবার ভিজে যাচ্ছে নতুন কান্নায়। কিন' সে কান্না শোনার কেউ নেই।

পাকিসস্তান ও ভারতের মধ্যকার বিরোধের সবচেয়ে বড় বিষয় কাশ্মির। অর্থনৈতিক, আর্দশিক, ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক কারণের সাথে ভাবাবেগ ও অহংবোধ মিলে সমস্যাটিকে এত জটিল করে ফেলেছে যে, মনে হচ্ছে কোনোকালেই এর জট খুলবে না। আর এখানে সমঝোতা না হলে এই অঞ্চলের স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে না এবং এর প্রভাব শুধু উপমহাদেশে নয়, সারা বিশ্বেই পড়বে।

রবিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১২

উত্তাল এই দিনগুলি


দিনগুলি খুব উত্তাল যাচ্ছে। সারাদেশ ক্ষোভে আর প্রতিবাদে ফেটে পড়ছে। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক একজন বাংলাদেশীকে অমানবিক অত্যাচারের প্রতিবাদের উত্তাল সারাদেশ। হঠাৎ হঠাৎ ক্ষোভে ফেটে পড়ার ঘটনা বাংলাদেশীদের জন্য এখন প্রায় নিয়মিত। কয়েকদিন পরপরই সীমান্তে একটা লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে আর ক্ষোভে ফেটে পড়ে এদেশের আপামর জনতা। মিছিল মিটিং থেকে শুরু করে ব্লগ ফেইসবুক সবজায়গাতে এর উত্তাপ ছড়াতে থাকে। দিন যায় আর চাপা পড়তে থাকে এই ক্ষোভ। সময়ের আবর্তনে দগদগে ঘা শুকিয়ে নিঃশেষ হয়ে আসে। কয়েকদিন পর আবারো আরেকটা ক্ষতের সৃষ্টি হয়। আবারো উত্তাল হয় সারাদেশ। আবারো ঠান্ডা হয়ে আসে পরিস্থিত। এই হচ্ছে এদেশের মানুষের নৈমত্তিক ঘটনা।


গনতান্ত্রিক সরকার ব্যাবস্থায় এটা বেশ দারুণ একটা ধারণা বলে আমার মনে হয়। পাঁচ বছরের জন্য জনগন তাদের ভাগ্যকে ছেড়ে দেয় কিছু অশিক্ষিত (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাই হয়; অন্তত আমাদের দেশে) গোয়াড়গোবিন্দদের হাতে। তারপর এই পাঁচ বছরে অন্তত আর কথা বলার সুযোগ থাকে না তাদের। এই পাঁচ বছরের জন্য হলেও জনগনের ভাগ্য-নিয়ন্তা বনে যান এই সকল গোয়াড়গোবিন্দরা। তারপর থেকে তাদের মর্জিমাফিক চালাতে থাকে দেশটাকে। 

বুধবার, ১১ জানুয়ারি, ২০১২

মাইনাস টু ফর্মুলার দুই প্রবক্তা

য়ান-ইলেভেন। পাঁচ বছর আগে ২০০৭ সালের এইদিনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের পদ থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রাষ্ট্রপতি প্রফসের ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ।

রাজনীতির সঙ্গে কূটনীতির এক জটিল মারপ্যাঁচে সেদিন গোটা দেশতো বটেই বিশ্বেরও অনেকের নজর ছিলো বাংলাদেশের দিকে।

পুরো প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলো কয়েকটি মহল। যারা একটি পর্যায়ে ‘কুচক্রী হিসেবেই নাম কুড়িয়েছেন। দেশের ভালোর নামে ক্ষমতার কাছাকাছি চলে আসার এই প্রক্রিয়ায় তথাকথিত সুশীল সমাজের নামকরা প্রতিনিধিরা যেমন ছিলেন, তেমনি ছিলেন রাজনীতির ভেতরের কিছু মানুষ, যারা সংস্কারের কথা বলে নেতৃত্বের ধারা পাল্টানোর বক্তৃতার খই ফোটাতে শুরু করলেন। আর পুরো ষড়যন্ত্রের নেপথ্য নায়ক হয়ে মিডিয়ার ম্যাজিক বুলেট ক্ষমতাকে ব্যবহার করে একটি সফল ওয়ান ইলেভেনের জন্ম দিলেন হাতে গোনা গুটি কয় সাংবাদিক।

রবিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০১২

লোলুপ রাজনীতির উপহার

॥ মোহাম্মদ আসাফ্ উদ্দৌলাহ্ ॥ 

কিছু দিন আগে আওয়ামী লীগের দু’জন ভারাক্রান্ত নেতাকে মন্ত্রী করা হলো আর অন্য একজনকে পদোন্নতি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী থেকে মন্ত্রী করা হলো। টেলিভিশনের বদৌলতে আজকাল অনেক কিছু দৃষ্টির গোচরে আসে যা আগে নিজে উপস্থিত না হলে দেখা যেত না। বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে শপথবাক্য পাঠ করার পর চা-চক্র শুরু হওয়ার সাথে সাথেই শপথ গ্রহণকারীদের মধ্যে দু’জন ঝাঁপিয়ে পড়লেন প্রধানমন্ত্রীর পায়ের ধূলি নিতে; অপরজন ঝাঁপিয়ে পড়লেন সাজেদা চৌধুরীর পদযুগলে। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে কদমবুচি করার আগেই ক্যামেরা সরিয়ে নিলো দৃশ্যপট। পায়ে ধরা মন্ত্রী আর চেয়ার মুছে দেয়া উপদেষ্টাদের নিয়ে আর কত দিন? আর কত দূর? নাকি বাংলাদেশের ভাগ্যেই আকীর্ণ রয়েছে এই অন্তহীন আকিঞ্চন। 

রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১১

টিপাইমুখ নিয়ে কারও নীরবতা কারও রাজনীতি

টিপাইমুখ বাঁধ প্রশ্নে সরকারের ভূমিকা শুধু রহস্যময়ই নয়, দেশের জনগণের আকাক্সক্ষারও পরিপন্থী। বিএনপিসহ (রাজনৈতিক কারণে হলেও) দেশের প্রায় সব বিরোধী দল, সুশীলসমাজ এবং সর্বশ্রেণীর দেশপ্রেমিক মানুষ ভারতীয় এ সর্বনাশা পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে। সিলেটে পালিত হচ্ছে আন্দোলনের অবিরাম কর্মসূচি। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার দেশপ্রেমিক ভূমিকা ও জাতীয় উদ্বেগে বিচলিত লীগ সরকার গণরোষ প্রশমন ও আত্মরক্ষার জন্য ভারত সরকারের সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে দুজন দূত পাঠিয়েছিল। দুজনই ভীষণ বিতর্কিত। একজন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী। তিনি একজন অবাঙালি। জানা গেছে, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদের ওপর গুলিবর্ষণের নির্দেশ প্রদানকারী ঢাকার তৎকালীন অবাঙালি ডিসি মি. কোরাইশী তার মামা। বাংলাদেশে থেকেছেন খুবই কম। দীর্ঘদিন ইউএনডিপি'র প্রতিনিধি হিসেবে তিনি অবস্থান করেছেন ভারতে। অপরজনও প্রধানমন্ত্রীর আরেক উপদেষ্টা মশিউর রহমান। আমলা বিদ্রোহের অন্যতম নায়ক ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। যে ক'জন সচিব ওই সময় (বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারের শেষ সময়) প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বঙ্গবভনে সাক্ষাৎ করে একটি নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের সহযোগিতা করবেন না বলে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করেছিলেন তিনি তাদের অন্যতম। এদের বিরুদ্ধে শাসক দল এবং জোটেও কঠোরভাবে সমালোচনা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এসব উপদেষ্টা (এইচটি ইমামের কথাও বলা হয়) অনির্বাচিত হয়েও প্রধানমন্ত্রীকে নাকে রশি দিয়ে ঘোরাচ্ছেন, নির্বাচিত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদেরও কোনো ভূমিকা রাখতে দিচ্ছেন না। ফলে একদিকে সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে নানা বিতর্কে জড়িয়ে যাচ্ছে এবং দিন দিন জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। দিলি্ল থেকে ফিরে গত ৪ ডিসেম্বর গওহর রিজভী বলেছেন, 'বরাক নদীতে এমন কোনো স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে না, যার ফলে বাংলাদেশের ক্ষতি হতে পারে।