|| বাংলার নবাবের ওয়েবসাইটে স্বাগতম ||
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।
ইন্টার্নেট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইন্টার্নেট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৬

কুড়িয়ে পাওয়া! ফেসবুক ষ্ট্যাটাস!!

১.
বাংলাদেশে কিছুদিন আগে চালু হইল UBER.

UBER জিনিসটা কি? একটা মোবাইল এপ্লিকেশান, যেইটা একজন ড্রাইভারের সাথে একজন আগ্রহী যাত্রীর কম্যুনিকেশন করায়া দিবে। ড্রাইভারের সাথে আপনের ভাড়ায় বনিবনা হবে, আপনে চইলা যাবেন আপনের গন্তব্যে। এইটা ঠিক ট্রেডিশনাল ট্যাক্সি ক্যাব সার্ভিস না, আপনার একটা রেজিস্টার্ড গাড়ি থাকলে এবং আপনে লাইসেন্সড ড্রাইভার হইলে আপনি uber driver এপ্লিকেশন ডাউনলোড কইরা আপনিও অফ টাইমে কোন আগ্রহী যাত্রীর সাথে কম্যুনিকেট করার পর তাকে গন্তব্যে দিয়ে আসতে পারেন, ভাড়ার বিনিময়ে।

উবার থাকলে লাভ কি? লাভ হইল - যাত্রী পরিবহণ খাতে প্রতিযোগিতা বাড়ে, এবং যেকোন সেবা খাতে প্রতিযোগিতা সবসময়ই ভোক্তা (এইক্ষেত্রে যাত্রী)'র পক্ষে যায়। অফিস থেকে ফেরার টাইমে সিএনজি বেবিট্যাক্সি খুইজা পাবেন না, পাইলেও এমন দাম হাঁকাইবো যে মন থেকে দুইটা গালি চইলা আসবে। সাথে আছে যেখানে ইচ্ছা সেখানে "যামু না" ভাব, আপনার হাতে পায়ে ধরা বাকি থাকে। প্রাইভেট ট্যাক্সি সার্ভিস কোম্পানী তমা ফমার কথা বইলা লাভ নাই, খোঁজ লাগায়াও পাওয়া যায় না। পাইলেও তারা মিটার চালু শুরু করে ড্রাইভারকে আপনি কল করার পর ড্রাইভার গাড়ি চালানো শুরু কইরা আপনের কাছে আসার আগে থিকাই! এইসব ঝামেলা থেকে আপনে ইজিলি বের হইতে পারতেন উবার দিয়া। ক্লিক করেন, ডেস্টিনেশন ঠিক করেন, দামে বনছে-গাড়িতে চড়েন। রাস্তায় দাঁড়ায়া সিএনজির হাতেপায়ে ধরা নাই, প্রাইভেট ট্যাক্সিক্যাব সার্ভিসের গলাকাটা ভাড়া নাই।

সোমবার, ২৩ মে, ২০১৬

আপনি বলছেন 'পোয়েম-পর্ণ', আবার বলছেন 'নট রিয়েল পর্ণ'। দ্বিচারিতা হয়ে গেলোনা???

১। ধরুণ আপনার পরিচিত একজন মিথ্যাবাদী আছেন। তিনি এত বেশি মিথ্যাচার করেন যে তার মিথ্যাচারের ফলে মারামারি, হানাহানি সহ কারো মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। এখন আপনি সেই মিথ্যাবাদী মানুষটির নামে কিছু ভালো কথা, নীতিকথা'র পোষ্টারে এলাকা ছাপিয়ে দিলেন। তাতে কি মিথ্যাবাদী 'সত্যবাদী'তে রুপান্তরিত হলো? না, তা তো হলোই না; আপনি বরং মিথ্যাবাদীর 'সহায়ক'রুপে আবির্ভূত হলেন।

২। পর্ণ বা পর্ণোগ্রাফী নিঃসন্দেহে পরিত্যাজ্য। তাতে সমাজে অনাচার, অশ্লীলতা যেমন বাড়ে; নারীর প্রতি সহিংসতাও ততোধিক হারে বাড়ে। পর্ণোগ্রাফীর অবাধ প্রচারই যে 'সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট' ও 'চাইল্ড এ্যাবইউজ' এর একটা অন্যতম কারণ তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। 

৩। "A man is born through a woman and is raised by a woman and he falls in love with woman and he marries a woman and I'm surprised about a man who doesn't respect a woman." কথাগুলো বেশ ভালো এবং ভালো লাগার। কিন্তু এই ভালো কথাগুলো আপনি শেয়ার করছেন কী নামে? 'Word Porn', 'Poem Porn' ইত্যাদি নামে। 

রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

সাইবার যুদ্ধে বাংলাদেশের আধিপত্য স্মরণ করিয়ে দেয় ৭১-কে


নেক যুদ্ধ দেখেছে বিশ্ববাসী। দেখেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধসহ অনেক যুদ্ধের ভয়াবহতাও। কিন্তু উপর্যুপরি আক্রমনে প্রতিপক্ষকে এমন গুড়িয়ে দিতে হয়তো দেখেনি কোনদিন; দেখেনি কিভাবে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়তে পারে বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি হয়ে ওঠা একটা দেশের সাইবার জগত। ওয়েবসাইট হ্যাকের ঘটনাও পৃথিবীতে বিরল নয়; বিরল নয় সাইবার স্পেস দখলের ঘটনাও। কিন্তু, এমন করে একটি দেশের সাইবার স্পেস দখলে নিয়ে নেওয়ার ঘটনা কেবল বিস্ময়করই নয়, অভাবনীয়ও বটে। আর এই বিস্ময়কর, অভাবনীয় ঘটনাটি ঘটিয়ে দেখিয়েছে বিবিএইচএইচ এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের হ্যাকার গোষ্ঠি। সাথে রয়েছে বিসিএ, ইসিএ (এক্সপায়ার সাইবার আর্মি), 3xp1r3 সাইবার আর্মি সহ আরও অন্যান্য হ্যাকার গ্রুপ। নৈতিক কারণেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ের হ্যাকার গ্রুপেরও সমর্থন পেয়েছে বাংলাদেশী হ্যাকাররা। 

ঠিক কী কারণে শুরু হলো এই সাইবার যুদ্ধ তা' আর নতুন করে বলার দরকার নেই। তারপরেও যারা জানেন না তারা ঘুরে আসতে পারেন এই লিংক থেকে

সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১১

ইউ'ল নেভার গেট দ্য সেকন্ড চান্স টু মেইক দ্য ফার্স্ট ইম্প্রেশান


জয়েনিং লেটার হাতে পেয়ে খুশি হয়না এমন মানুষ কি খুঁজে পাওয়া সম্ভব? বলছি না যে আমি এর ব্যাতিক্রম। আমিও অনেক আনন্দিত হয়েছিলাম। কিন্তু সেই আনন্দকে দীর্ঘস্থায়ী করার খুব একটা সুযোগ আমার ছিলোনা। জয়েনের জন্য প্রয়োজনীয় দলিলাদি সংগ্রহ, দুজন গেজেটেড অফিসারের সন্ধান করা, ইন্ট্রোডিউসারের জন্য জয়েন করাটা প্রায় পিছিয়ে যাওয়া (যদিও শেষ পর্যন্ত পিছায়নি), অবশেষে জয়েন করা, পোস্টিং পাওয়া, নতুন অফিসে যাওয়া -- এসবই তো হলো ৩১তম বিসিএস-এর রিটেন এক্সাম চলাকালীন সময়ে। দম ফেলার ফুরসৎ ছিলোনা।
সারাদিনের কাজ শেষে বাসায় ফিরে রাতে পরের দিনের এক্সামের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। বেশ নিরন্তর পরশ্রম বলা চলে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তো থাকতাম এক্সাম হলে, বিকালে জয়েন করার জন্য জনতা ব্যাংক লিমিটেডের খুলনা এরিয়া অফিসে; আর রাতে বাড়ি ফেরা। তবে এগারো তারিখের (অক্টোবর '১১) কথা বলতেই হয়। কি ধকলই না গিয়েছিলো এদিন! এখান থেকে ওখানে, ওখান থেকে সেখানে। শুধু ছুটোছুটি। ধন্যবাদ দিয়ে শোয়েবকে ছোট করবোনা। সারাটা দিন ও আমার সাথে ছিলো, ওর পঙ্খীরাজে চড়েই দিনের ছূটোছুটির সমাপ্তি টানতে পেরেছিলাম। এগারই অক্টোবর ২০১১ -আমার জন্য তাই অতীব গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম চাকরির জয়েনিং।
আমার ব্রাঞ্চে জয়েন করেছিলাম তের (১৩) তারিখে। তখনো এক্সাম চলছিলো। বিসিএসের এক্সাম শেষ হওয়ার একদিন পরেই ছিলো মিডটার্ম (এমবিএ থার্ড টার্ম) এক্সাম। “নতুন চাকরী বা নতুন অফিস কেমন লাগছে?”-- এটা একটা কমন কোয়েশ্চান। আমার জন্য উত্তর দেয়াটা অবশ্য খুব সিম্পল ছিলো। “ভালো, বেশ ভালো”। এই ভালো বলাটা শুধু এজন্যই নয় যে এটা আমার প্রথম চাকরী। বরং, ভালোলাগার মতই ভালো। কিছু কারণ অবশ্য রয়েছে।
“ইউ উইল নেভার গেট দ্য সেকন্ড চান্স টু মেক দ্য ফার্স্ট ইম্প্রেশান”। কথাটা খুব মেনে চলি আমি। আর হ্যাঁ, প্রথম সাক্ষাতেই আমি ইম্প্রেস করেছিলাম আমার ম্যানেজারকে। ব্যাস হয়ে গেলো। ওটুকুই যথেষ্ট। ম্যানেজার ইম্প্রেস্‌ড্‌, আমিও তার কেয়ারে ইম্প্রেস্‌ড্‌।
আরেকটা বিশেষ কারণের কথা বলতেই হয়। ভবঘুরে জিবনে সারাদিন সময় কাটতো চ্যাটিং আর সোস্যাল নেটওয়ার্কিং করে। ভেবেছিলুম, অন্তত দিনের বেলাতে এগুলোকে বিদায় জানাতে হবে। কিন্তু ম্যানেজারের কল্যাণে সেটা পেয়েছিলাম আমার চাকরী জিবনের তৃতীয় দিনেই। অলটাইম ফ্রি একসেস্‌ টু আনলিমিটেড ইন্টারনেট। আমার মত নেটিজেনের জন্য আর চে' আনন্দের খবর আর কি হতে পারে?
সেই থেকেই চলছে। অফিসওয়ার্ক আর চ্যাটিং-নেটওয়ার্কিং... ভালোই চলছে গুরু!
ও হ্যাঁ, একটা কথা বলতেই ভুলে গিয়েছিলাম। আমার পোস্টিং দিয়েছে আমার বাড়ির পাশে। সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখ রগড়াতে রগড়াতে অফিসে যাই... আর সন্ধ্যায় হাট হাটতে ফিরি। মন্দ না।  

বুধবার, ৩১ আগস্ট, ২০১১

ব্রেকিং নিউজঃ অনলাইনীয় শুভেচ্ছা প্রদানের মাধ্যমে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর।


ব্রেকিং নিউজঃ অনলাইনীয় শুভেচ্ছা প্রদানের মাধ্যমে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের সাথে সারা দেশে পালিত হচ্ছে মুসলমানদের সর্ববৃহত অনুষ্টান- ঈদুল ফিতর। এই উপলক্ষ্যে আনন্দে মেতেছে এদেশীয় সকল ব্লগার ও ফেইসবুকাররাও। এক মাস সিয়াম সাধনার পর পবিত্র ঈদুল ফিতর তাদের জন্য যে আনন্দের বার্তা নিয়ে এসেছে তার শতভাগ গ্রহন করতে প্রস্তুত এই নেটিজেনরা। একারনেই সকাল থেকে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে বাংলাদেশের সকল ফেইসবুকার ও ব্লগার নিয়মিত ঢুঁ মারছেন তাদের ওয়াল ও ব্লগ পেজে। তারা প্রায় প্রত্যেকে নিয়মিত বিরতিতে তাদের ওয়াল চেক করছেন আর দেখছেন কে কে “ঈদ মুবারাক”সহ অন্যান্য সকল ঈদীয় শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন ওয়াল পোস্ট ও ব্লগপোস্ট-এর মাধ্যমে। আমাদের নেটিজেন সংবাদ্দাতা মিঃ ফেইসবই জানাচ্ছেন, আজ প্রায় ৯৯.৯৯ শতাংশ ফেইসবুকার একবার হলেও তাদের ওয়ালে "ঈদ মুবারাক" কথাটি লিখেছেন।