|| বাংলার নবাবের ওয়েবসাইটে স্বাগতম ||
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।
আন্তর্জাতিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আন্তর্জাতিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৬

মায়ানমারে গনহত্যা: টার্গেট রোহিঙ্গা মুসলিম

নভেম্বর ১০-১৮ তারিখে মধ্যে পাঁচটি রাখাইন গ্রামে ৮২০টি বাড়ি-ঘর ধ্বংস করা হয়েছে। তারও আগে ৪৩০টিরও বেশি বিল্ডিং আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে।

গ্রাম ভিত্তিক ক্ষতির চিত্র: 
  • এয়ায় খাত চাউং গো সন - ২৫৫টি স্থাপনা 
  • দার গিয়া যার - ২৬৫টি স্থাপনা 
  • উইন্ত পেউ চাউং - ৬৫টি স্থাপনা 
  • মও তাং - ১৫টি স্থাপনা 
  • ওয়া পেইক - ২২০টি স্থাপনা 

এছাড়াও হিউম্যান রাইটস্‌ ওয়াচ এনভায়রনমেন্টাল স্যাটেলাইট সেন্সর দ্বারা থার্মাল অ্যানমলি ডাটা (তাপমাত্রার বৈসাদৃশ্য উপাত্ত) পর্যবেক্ষণ করেছে যা (এনভায়রনমেন্টাল স্যাটেলাইট সেন্সর) উইন্ত পেউ চাউং গ্রামে ১২ নভেম্বর, দার গিয়া যার গ্রামে ১৩ নভেম্বর, এয়ায় খাত চাউং গো সন গ্রামে ১৩, ১৪, ১৫ নভেম্বর জ্বলন্ত আগুনের উপস্থিতি ডিটেক্ট করতে পেরেছে। 

১০-১৭ নভেম্বর ২০১৬ -এর মধ্যে মাংডো জেলার অগ্নিকান্ডের সাথে গ্রামগুলোতে যে জ্বলন্ত আগুন আর আগুনের পোড়া দাগ পাওয়া গেছে তার মিল রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০১৬

এরদোগান এ যুগের সুলতান সুলেমান?

সুলতান সুলেমান। তুরস্কের ৬০০ বছরের অটোমান সাম্রাজ্যের অন্যতম সফল শাসক। একটি টিভি সিরিয়ালের বদৌলতে নামটি এখন বাংলাদেশের ঘরে ঘরে বেশ পরিচিত। সম্প্রতি সমর্থকদের রাস্তায় ডেকে এনে সেনা অভ্যুত্থান ব্যর্থ করে দিয়ে আলোচনায় আছেন ওই দেশেরই বর্তমান শাসক প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। দুই শাসকের মধ্যে কিছু বিষয়ে মিল থাকায় অনেকের মনে প্রশ্ন—এরদোগান কি এই যুগের সুলতান সুলেমান? 

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে অটোমান সম্রাট সুলতান সুলেমানের শাসনামলে একটু ঢুঁ মারতে হবে। ১২৯৯ সালে যাত্রা শুরু করা অটোমান সাম্রাজ্যের দশম শাসক ছিলেন সুলতান সুলেমান। প্রায় পাঁচ দশক সাম্রাজ্য শাসন করেছেন তিনি। তাঁর সময়ে অটোমানরা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে অনেক বেশি শক্তিমান হয়ে ওঠে। ইউরোপের রোম, হাঙ্গেরিসহ অনেক অঞ্চল অটোমানদের অধীনে আসে। ইউরোপে নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান জানান দেয় তুরস্ক।
এরদোগানই কি সুলতান সুলেমান?

এরদোগানও রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে শক্তিশালী হয়ে ওঠার কৌশল নিয়েছেন। জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের উত্থান থেকে তিনি সুবিধা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ আছে। সিরিয়া ও ইরাকের একটি বড় ভূখণ্ড দখল করে খেলাফত ঘোষণা করেছে আইএস। এই দুই দেশের ক্ষমতাসীন নেতৃত্বের সঙ্গে মতাদর্শগত ভিন্নতা আছে এরদোয়ানের, ইরাক ও সিরিয়ার ক্ষমতাসীনরা শিয়াপন্থী আর এরদোগান সুন্নিপন্থী। তিনি সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদের সরকারকে উৎখাতে আইএসের হামলায় সমর্থন দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বরাবরই তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আইএসকে তাঁর নীরব সমর্থনের কারণ হিসেবে বলা হয়, সিরিয়া ও ইরাক থেকে লুট করা জ্বালানি প্রচলিত মূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে তুরস্কের কাছে বিক্রি করে আইএস। এতে তুরস্কের অর্থনীতি অনেকটাই স্থিতিশীল থাকে। নিত্যপণ্যের মূল্য আয়ত্তে থাকায় জনগণও প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের ওপর বেশ খুশি। 

শনিবার, ১৬ জুলাই, ২০১৬

গুলশান ট্রাজেডি ও জাকির নায়িককে জড়িয়ে প্রোপাগান্ডা

Dhaka Tribune নামে একটা পত্রিকায় লেখা আসলো যে ডা: জাকির নায়েক নাকি সন্ত্রাসবাদের উস্কানীদাতা। কারন হিসাবে সস্তাভাবে ডা: জাকিরের কিছুু কাটছাট করা বক্তব্য টেনেটুনে বলা হলো গুলসান এ্যাটাকারের একজন মৃত জঙ্গী নাকি ডা: জাকিরের ফ্যান এবং মৃত জঙ্গীর ফেসবুকের স্টাটাস থেকে দেখা যায় ডা: জাকির নাকি তার প্রেরনার উৎস:
Rohan Imtiaz, the 22-year-old student from North South University, who before disappearing in January this year, had quoted Naik in a Facebook post where he "urged all Muslims to be terrorists". He later went on to attack Holey Artisan Bakery in Gulshan 2 with five others.(এখানে দেখুন)

আসলে ' catchnews.com সাইট থেকে ধার করে নেওয়া 'Who is Zakir Naik and why Muslims should be wary of him' শীর্ষক লেখাটিতে জাকির নায়েকের 'কুকীর্তি'র এক লম্বা ফিরিস্তি গাওয়া হয়েছে। লেখার মধ্যে আবার critical thinking এর একটা ভাব আছে। পড়েও মজা লাগে। তবে এর মধ্যে সত্য তথ্য ও সূত্রের লেশ মাত্র নেই। কোন লেকচারে ডা: জাকির "urged all Muslims to be terrorists" তা উল্লেখ করা হয়নি। ব্যাপারটাা তারা এমনভাবে উপস্থাপন করেছে যেন মৃত জঙ্গীরা জাকির নায়েককে ফেসবুকে Quote করলো, অতপর নিরুদ্দেশ হলো, IS এ যোগদান করলো আর গুলশানে এ্যাটাক করলো। বাহ! কি চমৎকার যুক্তি - একেবারে সবকিছু সুন্দরভাবে মেলানো যায়। আসলে Dhaka Tribune & catchnews যে উদ্ধৃতটার কথা বললো সেটা আসলে ইতিবাচক ও কিছুটা হিউমরাসও বটে। ডা: জাকিরেরর সম্পূর্ণ বক্তব্য এরকম:
Full Speech by Dr Zakir:
"Every Muslim should be a terrorist. A terrorist is a person who causes terror. The moment a robber sees a policeman he is terrified. A policeman is a terrorist for the robber. Similarly every Muslim should be a terrorist for the antisocial elements of society, such as thieves, dacoits and rapists. Whenever such an anti-social element sees a Muslim, he should be terrified. It is true that the word 'terrorist' is generally used for a person who causes terror among the common people. But a true Muslim should only be a terrorist to selective people i.e. anti- social elements, and not to the common innocent people. In fact a Muslim should be a source of peace for innocent people." (এখানে দেখুন)


শুক্রবার, ১১ মার্চ, ২০১৬

হ্যাকিং ! নাকি চুরি ?

বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা চুরি হয়েছে। বাংকের কর্তারা বলছে- চুরি নয় -হ্যাক। আশ্চর্য ! তারা হ্যাক ও চুরির তফাৎ বুঝবে না, এ কেমন কথা।?

কত টাকা?

৮০০ কোটি !

৮ কোটি না, ৮০ কোটি না-আট'শ ! ৯৯ কোটি, ৫০০ কোটি, ৭০০ কোটি-তারপরে-৮০০ কোটি !
ক্যামনে যে বুঝাই ৮০০ কোটি টাকা কত বিশাল !

১ কোটি = ২৩ কেজি। সুতরাং- ২৩ x ৮০০= ১৮ হাজার ৪'শ কেজি ÷ ৪০ কেজি বা ১ মন = ৪৬০ মন !

কীভাবে যে বুঝাই ৮০০ কোটি কতো বিশাল অংক ! আচ্ছা বাদ দেন। ভাবতেই কলিজা ছ্যাৎ করে উঠে।

কোথা থেকে টাকা চুরি হয়েছে?
ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে।

এর দায় কার? ক্ষতিপূরণ কে দিবে?
অবশ্যই ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক দিবে। আমেরিকার বাপের টাকা না - আমাদের টাকা।

কিন্তু তারা দিবে না। আশ্চর্য !

অর্থমন্ত্রী আবুল মালে মামলা করার হুমকি পর্যন্ত দিয়েছে। তবুও দিবেনা। আবারও আশ্চর্য !
 

মঙ্গলবার, ১ জানুয়ারি, ২০১৩

যা দেখি, যা বুঝি


ঘটনা #১
অফিস থেকে বাসায় ফিরে রাত নয়টার দিকে ফোনে কথা বলতে বলতে হঠাৎ বাইরে বের হই। একটা প্রয়োজনে আমাদের পাড়ার এক ছেলের সাথে কথা বলার জন্য বাইরে যাই। ফিরলাম প্রায় ১৫/২০ মিনিট পরে। ফিরে দেখি, দরজায় মা দাঁড়িয়ে। এই রাতে কিছু না বলে হঠাৎ ছেলের বাইরে যাওয়ায় মায়ের মন হয়তো অজানা আশংকায় শংকিত হয়েছে।

মমস্‌ আর গ্রেইট।

ঘটনা #২
পাড়ার রাস্তা দিয়ে হাটতে গিয়ে খেয়াল করলাম পাশের বেশ কয়েকটা বাড়িতে বেশ উচ্চ স্বরে হিন্দি গান বাজছে। কয়েকটা বাড়ির উঠানে বেশ আলোকসজ্জ্বার ব্যাবস্থাও দেখলাম, চারিপাশে অসংখ্য লোকের হই-হুল্লোড়। বুঝলাম আংরেজি নতুন বর্ষ বেশ ভালোই উদযাপিত হচ্ছে। পালিত হচ্ছে আংরেজি নববর্ষ আর বাজছে হিন্দি গান। মন্দ না! অন্তত একদিন হলেও আমরা পুরোদস্তুর ভীনদেশি হতে পারলাম!

মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

বাংলাদেশের সাইবার যুদ্ধ ও ফতোয়া স্টোরিজ

*প্রথম ফতোয়া - বাংলাদেশের 'বাচ্চা পুলাপানরা' হ্যাক করতে জানে না।

>২০ হাজার সাইট হ্যাক করে তো ভাকু তাদের মুখে কালী মেখে দিয়েছে সেই পুলাপাইনরা।

*দ্বিতীয় ফতোয়া - ইন্ডিয়ার সাইটগুলো অনেক সুরক্ষিত, বাংলাদেশের 'বাচ্চা পুলাপানদের' হ্যাকিং টেকনিক এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যায় নাই।

>হা হা প গে!! এই পুলাপানরাই ইন্ডিয়ার সাইবার স্পেইসের লাল বাত্তি জ্বালাইয়া দিসে।

রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

সাইবার যুদ্ধে বাংলাদেশের আধিপত্য স্মরণ করিয়ে দেয় ৭১-কে


নেক যুদ্ধ দেখেছে বিশ্ববাসী। দেখেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধসহ অনেক যুদ্ধের ভয়াবহতাও। কিন্তু উপর্যুপরি আক্রমনে প্রতিপক্ষকে এমন গুড়িয়ে দিতে হয়তো দেখেনি কোনদিন; দেখেনি কিভাবে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়তে পারে বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি হয়ে ওঠা একটা দেশের সাইবার জগত। ওয়েবসাইট হ্যাকের ঘটনাও পৃথিবীতে বিরল নয়; বিরল নয় সাইবার স্পেস দখলের ঘটনাও। কিন্তু, এমন করে একটি দেশের সাইবার স্পেস দখলে নিয়ে নেওয়ার ঘটনা কেবল বিস্ময়করই নয়, অভাবনীয়ও বটে। আর এই বিস্ময়কর, অভাবনীয় ঘটনাটি ঘটিয়ে দেখিয়েছে বিবিএইচএইচ এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের হ্যাকার গোষ্ঠি। সাথে রয়েছে বিসিএ, ইসিএ (এক্সপায়ার সাইবার আর্মি), 3xp1r3 সাইবার আর্মি সহ আরও অন্যান্য হ্যাকার গ্রুপ। নৈতিক কারণেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ের হ্যাকার গ্রুপেরও সমর্থন পেয়েছে বাংলাদেশী হ্যাকাররা। 

ঠিক কী কারণে শুরু হলো এই সাইবার যুদ্ধ তা' আর নতুন করে বলার দরকার নেই। তারপরেও যারা জানেন না তারা ঘুরে আসতে পারেন এই লিংক থেকে

সাইবার যুদ্ধ ও বাংলাদেশ-- লাল সালাম তোমাদের


বাংলাদেশের সাইবার যোদ্ধারা যে দোর্দন্ড প্রতাপে এগিয়ে চলেছে তাতে এই বীরদেরকে দেশের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক পদক দেয়া জরুরী হয়ে পড়েছে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদের সাইবার যোদ্ধারা ৭০০০+ ইন্ডিয়ান ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে। আজ সারারাত এই হ্যাকিং এর ঘটনা ঘটতে থাকবে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। হ্যাকিং আর পাল্টা হ্যাকিং-এর কারণে মুহুর্মুহু ধ্বসে পড়ছে দুই দেশের সাইবার জগত। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশি হ্যাকাররা এগিয়ে রয়েছে এই যুদ্ধে। বাংলাদেশের দূর্বল কিছু সরকারী ওয়েবসাইট দখল করা ছাড়া তেমন সাফল্য দেখাতে পারেনি ইন্ডিয়ান হ্যাকাররা। তবে বাংলাদেশী হ্যাকাররা হাই-সিকিউরড seoindiaoutsourcing.com সহ বেশ কয়েকটি পাওয়ারফুল ওয়েবসাইট দখলে নিয়েছে।

ওয়েবসাইট ছাড়াও অসংখ্য ইন্ডিয়ান ফেইসবুক আর টুইটার একাউন্ট হ্যাক করেছে বাংলাদেশী হ্যাকাররা।

বুধবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১২

কাশ্মিরের কান্না কেউ শোনে না

হাসান শরীফ: মিসর ও লিবিয়ায় কত পরিবর্তন হয়ে গেল। ইয়েমেন ও মিয়ানমারের সমস্যাও কেটে যাচ্ছে। এসবসহ আরো অসংখ্য আন্তর্জাতিক জটিলতা, সমস্যার সমাধান হয়েছে। কিন্তু কাশ্মির সমস্যা সমাধানের কোনো লক্ষণ নেই। এমনকি এখন ওই কথা নিয়ে কথা বলার যেন কেউ নেই। আগে অন্তত তাদের কষ্টের কথা আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় আসত, এখন সেখানেও তারা অনুপস্থিত। তারা এখনো কাঁদছে, শুকিয়ে যাওয়া কান্নার দাগ আবার ভিজে যাচ্ছে নতুন কান্নায়। কিন' সে কান্না শোনার কেউ নেই।

পাকিসস্তান ও ভারতের মধ্যকার বিরোধের সবচেয়ে বড় বিষয় কাশ্মির। অর্থনৈতিক, আর্দশিক, ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক কারণের সাথে ভাবাবেগ ও অহংবোধ মিলে সমস্যাটিকে এত জটিল করে ফেলেছে যে, মনে হচ্ছে কোনোকালেই এর জট খুলবে না। আর এখানে সমঝোতা না হলে এই অঞ্চলের স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে না এবং এর প্রভাব শুধু উপমহাদেশে নয়, সারা বিশ্বেই পড়বে।