|| বাংলার নবাবের ওয়েবসাইটে স্বাগতম ||
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।
অস্থিরতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অস্থিরতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১২ জুলাই, ২০১৫

আমরা আদৌ আর মানুষ আছি কিনা(!)

আমরা আদৌ আর মানুষ আছি কিনা তা বলার দরকার নেই; বলা দরকার আমরা পশুত্বের লেভেলকেও ছাড়িয়ে গিয়েছি কিনা?

শিশুটিকে দেখুন তো? সে কত বড় অপরাধ করতে পারে, যে অপরাধের কারণে আপনি তাকে পানি না খেতে দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলতে পারেন???


সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৫

ধর্ষনের দায় মূলত ধর্ষকের পাশবিকতার উপরেই বর্তায়

নববর্ষে টিএসসিতে নারীদের যৌন হয়রানি নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি দেখছি আমার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধু-বান্ধব, সিনিয়র, জুনিয়র অনেকের মাঝেই।

সমস্যাটা হলো, যুক্তির দুই পিঠেই বহুল সংখ্যক মানুষের সমর্থণ রয়েছে। বিভ্রান্তির বিষয়টি তাহলে কী??? ‘ধর্ষণের পেছনে নারীর অশ্লীল পোষাকই দায়ী কিনা’ নাকি ‘ভিক্টিম নারীকেই কেন দায়ী করা হচ্ছে?’

বিভ্রান্তিটি সৃষ্টি হওয়ার কিছু কারণ রয়েছে বলে আমার মনে হয়। 

তার আগে ঘটনাটি জানা দরকার। বাংলা ১৪২২ এর পহেলা বৈশাখের দিন (ইংরেজি এপ্রিল ১৪, ২০১৫) টিএসসিতে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন কয়েকজন নারী(১)। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্র ইউনিয়ন নেতা লিটন নন্দী প্রথম আলোকে বলেন, বাংলা নতুন বছর উপলক্ষে গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানুষের প্রচণ্ড ভিড় ছিল। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে শাহবাগ থেকে টিএসসি আসার পথে তাঁরা কয়েকজন দেখেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটে ৩০-৩৫ জনের একদল যুবক বেশ কয়েকজন নারীকে যৌন হয়রানি করছে। তারা কারও কারও শাড়ি ধরে টান দিচ্ছিল। কয়েকজনকে তারা বিবস্ত্রও করে ফেলে। এ সময় সেখানে বাধা দিতে গেলে ওই যুবকদের ধাক্কায় তিনি পড়ে যান এবং তাঁর হাত ভেঙে যায়।

ঘটনার পরপরই ফেইসবুক সহ সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার ঝড় শুরু হয়। তীব্র ঘৃণার পাশাপাশি দোষীদের শনাক্ত করে তড়িৎ পদক্ষেপের আহবান জানান সকলেই। 

রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৫

বর্ষবরণে টিএসসিতে শ্লীলতাহানিঃ বাস্তবতা ও করণীয়

সিসি ক্যামেরার ফুটেজ, শয়তানগুলোর ছবি। সবই চলে এসেছে সামনে।
এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা, উপযুক্ত শাস্তির।

তবে, প্রথম আলো অলরেডি এটাকে মৌলবাদী রুপ(১) দেয়ার প্রয়াস নিয়েছে, ডিএমপি স্পোকস্-পার্সন অলরেডি বলে দিয়েছেন ফুটেজে তারা কোন এ্যাসাল্টের ঘটনা(২) পান নাই।

এটা হয়তো আরেকটা থার্টি ফাস্টের ঘটনা হতে যাচ্ছে। মনে পড়ে ২০০০ সালে বাঁধনকে লাঞ্চিত করার ঘটনা? এতদিনেও তার কোন বিচার হয়নি, সাজা পাইনি কেউই। অথচ, নেট সার্চ দিলে সেই ঘটনার ছবি এখনো পাওয়া যায়! ছবি আছে, ছবির মানুষটি আছে। কিন্তু, তাকে সাজা দেয়ার সুযোগ নেই!!

অপরাধ অনেকটা রিকারিং ইভেন্টের মত। উপযুক্ত শাস্তির ব্যাবস্থা না করলে তা বারংবার ঘটতে থাকে, আগের চে' আরও ভয়ংকর রুপে।

শনিবার, ৭ এপ্রিল, ২০১২

যা আমি ভাবি, যেভাবে ভাবি


আমি এখন যে কথাগুলো বলবো, তা আপনাদের ভালো লাগবে না। এমনকি অনেকের কাছে অসহনীয় মনে হবে। কিন্তু আমার বলাটা জরুরি। আবার, এই কথাগুলো রাজনৈতিক (অনেকের কাছে, আমার কাছে মোটেও রাজনৈতিক নয়)। কিন্তু না বলে উপায় নেই। 

আমি কথা বলবো বর্তমান সময়ে বহুল আলোচিত গোলাম আযম আর মতিউর রহমান নিজামীকে নিয়ে।

ধরে নেই (হয়তোবা সত্য, যেহেতু বিচারকার্য্য চলমান), ৭১ সালে গোলাম আযম ও নিজামী কোন মানবতা বিরোধী অপরাধ করে নাই। কিন্তু আমরা জানি, এই দুজন ব্যাক্তি ও তাদের সংগঠন “জামায়াতে ইসলামী” বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাই নাই। আরও ধরে নেই, এই ব্যাক্তিদ্বয় ও তাদের সংগঠনের বাংলাদেশের স্বাধীনতা না চাওয়ার পিছনে তৎকালীন সময়ের নিরীখে যোক্তিক কারণ রয়েছে। 

এখন, আমার জন্ম ৮৬-এ, এই বাংলাদেশেই। আমার বড় হয়ে ওঠা, আমার বেঁচে থাকা, আমার অস্তিত্ব এই বাংলাদেশকে ঘিরেই। ভালো হোক মন্দ হোক, ছোট হোক বড় হোক, দূর্ণীতিপরায়ন হোক আর যাই হোক, এটা আমার বাংলাদেশ, আমার প্রাণের বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশকে ঘিরেই আমার সব স্বপ্ন, সব ভালোবাসা, দেশবোধ, দেশপ্রেম। এই দেশকে কত ভালোবাসি তা' বলে বোঝাতে পারবোনা। অন্তত ক্রিকেটের কথা বলতে পারি, সাকিব তামিমরা যখন এশিয়া কাপের ফাইনালে ওইভাবে হেরে গিয়েছিলো, তিনদিন আমি ঠিকমত খেতে পারিনি। সত্যি কথা বলছি, চোখের জল আটকে রাখতে পারি নি। ব্লগ ফেসবুকে যখনই ওদের ছবি দেখেছি, অজানা কষ্টে বুকটা ভারী হয়েছে। আমার এই আবেগ আপনার কাছে অনেক সস্তা মনে হতে পারে। কিন্তু বুঝেছি, এই দেশকে ভালোবাসি বলেই ওদের নিয়ে এত আবেগ! 

এবার আপনিই বলুন, যে মাতৃভুমিকে ঘিরে এত ভালোবাসা এত আবেগ, সেই মাতৃভুমি যারা চাই নাই, আমি তাদের সাপোর্ট করি কিভাবে? আপনি হয়তো বলবেন, ঐ সময়ের প্রেক্ষাপটে তারা হয়তো ঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো। আমি বলবো, তারা তো এই বাংলাদেশটাই চাই নাই যেটা আমার মাতৃভুমি। তারা যতটা যৌক্তিকই হোক না কেন, আমি তো এই বাংলাদেশের সন্তান।

বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ আর এ কারণেই “জামায়াতে ইসলামী” আর দশটা দলের মতই একটা রাজনৈতিক দল। এবার ধরুন, নিজামী বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হলো (আমাকে পাগল ভাববেননা প্লিজ)। তাহলে স্বাধীনতা দিবস আর বিজয় দিবসে কি তারা (স্বাধীনতা বিরোধীরা) এই দিবসের বাণী দেবেন দেশবাসীর উদ্দ্যেশ্যে? আপনি কি ভাবতে পারছেন? 

আমার সোজা কথা, আমি জামায়াতে ইসলাম আর তাদের নেতাদের ঘৃণা করি। ইসলাম শব্দটা থাকলেই আমি কাউকে সমর্থন করতে পারিনা। জামায়াতে ইসলাম নামক এই রাজনৈতিক দলকে নিষদ্ধ করাটা তাই যৌক্তিক এবং সময়ের দাবী।

বিঃদ্রঃ বিঃদ্রঃ
১। স্বাধীনতা বিরোধীদের আমি কোনভাবেই এদেশের নেতা ভাবতে পারি না। মানলাম, তারা যা করেছে তা যৌক্তিক, তাই তারা ক্ষমাপ্রাপ্ত হয়ে এদেশের বসবাস করতে পারে। তাই বলে এই দেশের নীতি নির্ধারক হওয়ার ক্ষমতা আমি তাদেরকে দিতে পারি না।
২। আমার এই “ধরে নেয়া” বিষয়গুলো নিয়ে অনেকের অনেক মত থাকতে পারে। কিন্তু, একটা পার্টিকুলার বিষয়কে প্রাধান্য দিতেই এই বিষয়গুলো ধরে নেয়া হয়েছে। আশা করি এইগুলো নিয়ে বিতর্ক থাকবেনা। 

 অটঃ গতকাল এক বন্ধুর সাথে অনেক আলোচনা হলো। তারপর থেকেই মনের মধ্যে এই বিষয়গুলো কাজ করতেছে। লিখে ফেললাম, যা আমি ভাবি, যেভাবে আমি ভাবি।

সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১

আই জাস্ট কান্ট স্টেই এলোন।


সবকিছু কেমন ফাঁকা হয়ে গেলো। নিঃসঙ্গতা, নিরবতা আর বিষন্নতা আমায় পুরোপুরি পেয়ে বসলো। কখনো এই বিশাল ফাঁকা বাড়িতে একা পড়ে থাকি আবার কখনো সারাদিন বাইরে বাইরে ঘুর ঘুর করছি। আমার দিনগুলো ভালো যাচ্ছেনা। এই নিঃসঙ্গতা আমার ভালো লাগে না। এই নিরবতা আমি সহ্য করতে পারছিনা। কথা বলার একটা মানুষ নেই। গল্প করার কোন জন নেই। বাইরের সময়টা তাও একটু ভালো যায়। ঘরেরে সময়টা! বিশ্রী আর অস্বস্তিকর। কিভাবে একা থাকা যায়? কত ফিল্ম দেখা যায়? কত গান শোনা যায়? আমি কিচ্ছু পারছিনা। সবকিছু কেমন এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। পরীক্ষা সামনে। কিন্তু কতক্ষণই বা আর বই পড়তে ভালো লাগে! একটা মানুষ থাকলে তো তার সাথে একটু কথা বলা যায় আর মাঝে মাঝে পড়া যায়।
আমার জাস্ট ভাল্লাগে না। কি এক অদ্ভুতুড়ে সময় কাটাচ্ছি। এই সময়টা যে দ্রুত শেষ হবে সেই সম্ভাবনাও দেখছিনা। মনে হচ্ছে একা, নিঃসঙ্গ থাকার উপায় জেনে নিতে হবে। ও আল্লাহ, আই'ল জাস্ট গো ম্যাড। বেশ কঠিন আর অনাকাঙ্খিত সময় এটা। কেউ বলবেন কি কিভাবে একা থাকা যায়? 

একটা সময় ভাবতাম বিষন্নতা বোধহয় মানসিক অসুখ। এখন দেখছি আমার ধারণা পুরোপুরি সঠিক ছিলোনা। একাকিত্ব আর নিঃসঙ্গতা মানুষকে বিষন্ন করে দেয়। যেমন আমি এখন নিঃসঙ্গ আর বিষন্ন সময় পার করছি। অথচ বিষন্নতার কোন কারণ নেই আমার। 

হোম ঈজ হোয়্যার মম ঈজ। মম, আমি এম মিসীং ইউ। বি ব্যাক টু মি। বাট আই নো, ইউ হ্যাভ নো অপশন টু বী হীয়ার বীসাইড মী। ইউ নীড টু স্টেই এট আওয়ার ভিলিজ হোম। 







বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১১

আমি রাজনীতি করিনা, কিন্তু রাজনীতি আমাকে করে!!!!!!!!!


আমি রাজনীতি করিনা, কিন্তু রাজনীতি আমাকে করে!!!!!!!!

পাঠক হিসেবে নিয়মিত হলেও, লেখক হিসেবে আমি একেবারেই অনিয়মিত। কালে ভদ্রে দু'চারটে কথা লিখে ফেলি। আমার এই স্বল্প লেখার মধ্যে তাই রাজনৈতিক বা রাজনীতি সংশ্লিষ্ট লেখা নেহাতই কম। সহজ করে বললে, আমি রাজনীতি একেবারেই অপছন্দ করি। আর তা যদি হয় বাংলাদেশি নষ্ট রাজনীতি, তাহলে দৌড়ে পালাবার অবস্থা। রাজনীতি নিয়ে এত অবতরণিকা করার উদ্দেশ্য তো কিছু রয়েছেই। সাম্প্রতিক সময়ে এমন এক ঘটনার সম্মুখীন হলাম যে, মনে হচ্ছে আমি রাজনীতি না করলেও রাজনীতি আমাকে করে।

আগেই বলেছি, রাজনীতি আমার নেহাতই অপছন্দের বিষয়। আমার এই লেখাটি একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের বিপক্ষে যাবে। সেটা নিতান্তই আমার অভিজ্ঞতার সাথে প্রাসঙ্গিক। ভিন্ন প্রেক্ষিতে অন্য কারো বিপক্ষেও যেতে পারে।

যাইহোক, মুল কথায় আসি। রাজনৈতিক স্বেচ্ছাচারিতা পুরাতন কোন বিষয় নয়। আমাদের দেশের নেতানেত্রীরা মনে করেন, রাজনীতি করে দেশটাকে তারা কিনে নিয়েছেন। প্রাচীন যুগে রাজা-মহারাজেরা দেশটাকে নিজেদের মনে করতো কিনা জানিনা। বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক নেতা নামের এই নব্য রাজারা যে দেশটাকে নিজেদের বাবার সম্পত্তি মনে করেন সেটা দেশাবাসী মাত্রই জানে। হাল আমলে এই নব্য রাজাদের আচরণ এই মাত্রায় পৌঁছেছে যে ম্যাঙ্গো-পিপলের মৌলিক অধিকার কিছু আছে বলে মনে হয় না।

নিয়মিত পত্রিকা পড়েন বা টিভি দেখেন, আর বর্তমান সময়ের সমগ্র দেশের রাস্তাঘাটের অবস্থা জানেননা এমন মানুষ আপনি খুঁজে পাবেননা। রাস্তা তো নয় যেন এক একটি মৃত্যুকুপ। সেইসাথে আসন্ন ঈদে শহর ছেড়ে গ্রামের আপনজনদের সাথে ঈদ করতে চাওয়া মানুষের ভীড়। সব মিলিয়ে পরিস্থিতির ভয়াবহতা বর্ণনা করার মত শব্দ বাংলা ভাষায় আছে কিনা আমার জানা নেই।

এহেন অবস্থায় কোন রাজনৈতিক নেতা যদি ক্ষমতার জোরে একটা বিভাগীয় শহর থেকে রাজধানীতে যাতায়াতের জন্য যতগুলো বাস রয়েছে তার সবগুলোকে শুধুমাত্র তার নিজের লোকের জন্য বুকিং দিয়ে রাখেন তাহলে অবস্থাটা কোথায় গিয়ে দাড়ায়? কয়েকদিন আগে গিয়েছিলাম খুলনার রয়্যাল মোড়ে, ঈদের দু-একদিন পরে ঢাকায় যাওয়ার জন্য টিকিট কাটতে। সম্ভবত চলতি মাসের ১৫/১৬ তারিখের ঘটনা। কাউন্টার থেকে আমাকে জানানো হলো যে ২০ তারিখে গেলে আমি টিকিট নিয়ে আসতে পারবো। যথাসময়ে উপস্থিত হয়ে জানতে পারলাম ইন্টার্নাল কোন কারনে উনারা ২৪ তারিখের আগে কিছু কনফার্ম করতে পারবেন না। গত্যন্তরহীন হয়ে আমি আবার গেলাম ২৪ তারিখে। এবার যেয়ে যা শুনলাম তাতে মনে হলো এদেশীয় রাজনীতির গুষ্টি কিলাই। শহরের মাননীয় মেয়র, ডিসি ও এসপি বা শুধুমাত্র তাদের সুপারিশকৃত তোষামোদকারীদের জন্য সোহাগ আর গ্রীনলাইনের এসি (ভলবো) বাসের আগামী ২, ৩ ও ৪ সেপ্টেম্বর তারিখের সকল টিকিট বুকিং করা হয়েছে। শুধুমাত্র এই তিন মান্যবরের জন্য যদি দুটো কোম্পানীর এতগুলো বাস পরপর তিনদিনের জন্য বরাদ্ধ দিয়ে রাখা হয়, বাকী সবাই কি তবে আঙুল চুষবে? বলি ভাই তোরা মান্যবর, মহামান্য রাজাধিরাজ, তাই বলে এত স্বেচ্ছাচারিতা! আমার হাতে ক্ষমতা আছে, তাই বলে যা ইচ্ছা তাই করতে হবে? দেশে কি আর মানুষজন আছে? নাকি সবাই আওয়ামী নেতাদের আপনজন, তোষামোদকারী?

এতদিন জানতাম বাসের টিটিকপ্রাপ্তির জন্য কাউন্টারের সামনে লাইন দিতে হয়, এখন দেখছি এর জন্য বাআল (বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ)-এর নেতার কাছে ধরণা দিতে হবে। অবশ্য পাবলিক টয়লেট দখল করা যে দলের নেতাদের স্বভাব, তাদের কাছে বাসের টিকিট তো মহামূল্য কোহিনূর!

শুরুতেই বলেছিলাম, আমি রাজনীতি করিনা। কারোর তোষামোদ করার অভ্যাস আমার নেই। তাইলে আমার কী হবে? আমার মত রাজনীতির কাছ ঘেষেনা এমন যারা রয়েছেন, তারা টিকিট পাবেননা? বলি, এখনো সময় আছে- আওয়ামিলীগ না হয়ে, মানুষ হ। অবশ্য আমি রাজনীতি না করলে কি হবে, রাজনীতি আমাকে করে, করবে।

নোটাবেনেঃ ফেইসবুকে শেখ হাসিনার মৃত্যু কামনা করে স্টাটাস দেওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিকক্ষকে তলব করেছে হাইকোর্ট। আওয়ামিলীগের নেতাদের স্বাচ্ছাচারিতার কথা বলার জন্য আমাকে আবার না কি করা হয়!

বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০১০

অস্থিরতা।

সাম্প্রতিক সময়ে দিনগুলো খুব ভালো যাচ্ছে না। একটা অস্থিরতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। অনেক ব্যাস্ততা আমার। ব্যাস্ততা নাকি মানুষকে চিন্তাহীন হতে খুব সাহায্য করে। আমি বুঝতে পারছিনা কি হচ্ছে। স্বাভাবিকতা আর স্বাভাবিক নেই। বাইরে খুব যাওয়া হচ্ছে না। সারাদিন ঘরে বসেই দিন কাটাচ্ছি, পড়ছি। কিছু একটা করতে মন চাইছে। মনটাকেও মাঝে মাঝে বুঝতে পারিনা। সব সময় সকল কিছু গ্রহনযোগ্য হয়না। কিগ্রহনযোগ্য আর কি গ্রহনযোগ্য না তাও আমি বুঝতে পারছিনা। চিরাচরিত গতিতে এগিয়ে চলছে সময়। দিনের পর রাত, রাতের পর দিন।

কখনো মনে হয় রাজনীতিবিদ হয়ে যাই। পুরো দেশটাকে আমূল পাল্টে ফেলার স্বপ্ন দেখি। কিশোর স্বপ্নের মতই। শুধু কি কিশোর বয়সেই মানুষ দেশ নিয়ে ভাবে? তা নিশ্চয় নয়? দেশে তো কত প্রবীন রাজনীতিবিদ রয়েছেন। এরা সবাই কি দেশকে বদলে দেয়ার স্বপ্ন দেখেন? কি জানি, তবে আর যাই হোক, সেই স্বপ্ন নিশ্চয় তারা দেখেন না। তাহলে অন্তত দেশটার এই অবস্থা হতো না।

তাহলে কবি সাহিত্যিক হওয়া যেতে পারে। অনেক অনেক গল্প আর কবিতা লিকবো। কি বলেন? ভাবছেন, ইচ্ছা করলেই কি কবি সাহিত্যিক হওয়া যায়? যায়, যায়। কিছু কলা কৌশল দরকার। যেমন, স্রোতের বিপরীতে চললেন; অভিধান খুলে কিছু অপ্রচলিত শব্দ বেছে নিয়ে তা ব্যাবহার করলেন ইত্যাদি।

নাহ, আমার পক্ষে তা’ সম্ভব নয়। কি করবো জানিনা। মনটা বড়ই অস্থির। কিঞ্চিৎ স্থিরও মনে হয়। ..