|| বাংলার নবাবের ওয়েবসাইটে স্বাগতম ||
আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৬

মধুর ক্যান্টিনের প্রতিষ্ঠাতা মধুসূদন দে’র জন্মবার্ষিকী

শফিক রেহমান
শাহবাগে একসময়ে যেটা রূপসী বাংলা হোটেল এবং তার আগে সুদীর্ঘকাল শেরাটন হোটেল নামে পরিচিত ছিল সেটার জন্ম হয়েছিল ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা রূপে। ঢাকার এই হোটেলের মালিকানা সব সময়ই ছিল সরকারের কিন্তু হোটেল ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব ছিল অন্যদের। যেমন, এখন আবার এই হোটেলের ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব ফিরে পেয়েছে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলস গ্রুপ, যেটি একটি মালটিন্যাশনাল কম্পানি এবং যার হেড কোয়ার্টার্স এখন ডেনহ্যাম, ইংল্যান্ডে। অতীতে এই মালটিন্যাশনাল কম্পানির হেড কোয়ার্টার্স ছিল নিউ ইয়র্কে। ঢাকায় ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের ব্যাপক সংস্কার কাজ এখন চলছে। কিছুকাল পরে নতুন রূপে সেজে ইন্টারকন্টিনেন্টাল আবার আত্মপ্রকাশ করবে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৫

গুরু আসলেন, গাইলেন, মাতালেন !

জেমস্‌
কদিন ধরে ফেইসবুকে ’১১ ব্যাচের র‍্যাগ ডে’র প্রতি মুহুর্তের আপডেট, ’১১ ব্যাচের ক্লান্তিহীন প্রচারণা: ‘জেমস্‌ আসছে’, আসছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় মাতাতে। কিছুদিন ধরে জেমস্‌ -এর গানের কালেকশন বাড়িয়ে আমিও প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম; ঝালাই করে নিচ্ছিলাম লিরিকগুলোকে। বেশ কদিন ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম গুরু’র ষ্টেজ-পারফর্ম্যান্স দেখবো বলে। 

বাংলা সঙ্গীতে নিজস্ব স্বকীয়তায় গুরুরুপে আবির্ভুত হয়েছেন অনেকেই। তবে বাংলা পপ সঙ্গীতে গুরু বলতে বুঝি আজম খানকেই। অথচ ’১১ ব্যাচের প্রচারণা, নিজের প্রস্তুতি, প্রতি মুহুর্তের ফেসবুক আপডেট –এর কারণে দেহমনে সঙ্গীত বলতে জেমস্‌কেই বুঝতেছিলাম, জেমস্‌ই হয়ে উঠলেন ‘গুরু’।

মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১১

ঝরে গেলো আরও একটি সম্ভাবনাময় তাজা প্রাণ

জ সকালেও যখন ক্লাসের জন্য বের হচ্ছিলো, হয়তো মাকে বলে এসেছিলো দুপুরে আসবে বলে। হয়তো বলে এসেছিলো, দুপুরে মায়ের হাতের রান্না খাবে বলে। কিন্তু তার সেই ফিরে আসা, মায়ের হাতের রান্না খাওয়া আর হলো না। আর কোনদিন ফিরে আসবে না, কোনদিন মায়ের হাতের রান্না খাওয়া হবে না তার। সে যে আজ সেই জগতের বাসিন্দা, যে জগত থেকে ফিরে আসা যায়না। বাব মা অনেক স্বপ্ন হয়তো দেখেছিলেন, ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে, পড়াশুনা শেষে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করবে, তাঁদের মুখ উজ্জল করবে। তাদের স্বপ্ন আর পুরণ হলোনা। মা হয়তো সারা জীবন ছেলের পথ চেয়ে বসে থাকবে। তাঁর নাড়ী-ছেড়া ধন যে আসতে চেয়েছিলো! সেই মাকে কে সান্ত্বনা দেবে? 

আজ দুপুরে যখন ক্লাস থেকে হই হুল্লোড় করতে করতে বের হচ্ছিলো হাদি (পুরো নামটা এখনো জানতে পারিনি), তখনও কি জানতো আরেকটু পরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসই কেড়ে নেবে তার জীবন? একবারও কি ও ভেবেছিলো আর তার বাসায় ফিরে যাওয়া হবেনা, খাওয়া হবেনা মায়ের হাতের রান্না?